সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
র‌্যাবের অভিযানে আইন-শৃংঙ্খলা বাহিনীর ভূয়া পরিচয়ে স্কয়ার ফার্মার ২ কোটি টাকা মূল্যের কাঁচামাল ডাকাতির ঘটনায় দুর্ধর্ষ ডাকাত দলের মূল হোতাসহ ০৩ সদস্যকে ঢাকা ও রাজশাহী হতে গ্রেফতার। ডাকাতির মালামাল উদ্ধার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর গুলশান ও বাড্ডা এলাকা হতে জাল শিক্ষা সনদ তৈরী চক্রের ০৪ জন অভিযুক্ত গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল শরীফ (৩৩) হত্যার লোমহর্ষক রহস্য উদঘাটন এবং হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত মূলহোতাসহ ০৩ জনকে গ্রেফতার\ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাকু ও বাসের হুইল রেঞ্জ উদ্ধার এবং রক্তমাখা বাসটি জব্দ। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে গোপনে দেশত্যাগের প্রাক্কালে ধৃত ০৪ জন অবৈধ অর্থ পাচারকারী নিকট হতে চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন এবং বিদেশী পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলিসহ বিপুল পরিমান নগদ টাকা উদ্ধার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে ঢাকার আন্ডার ওয়াল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের অন্যতম সহযোগী মাজহারুল ইসলাম @ শাকিল গ্রেফতার ✱ র‌্যাবের অভিযানে দেহের অভ্যন্তরে মাদক দ্রব্য বহনকারী ০৩ নারীসহ ০৮ মাদক ব্যবসায়ী আটক ॥ ১৫,০৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন চুনকুটিয়া এলাকা হতে অস্ত্র ও র‌্যাবের পোশাকসহ ০২ জন ভুয়া র‌্যাব আটক ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে গোপনে দেশত্যাগের প্রাক্কালে ০৪ জন অবৈধ অর্থ পাচারকারী ও জাল টাকা সরবরাহকারী গ্রেফতার \ বিপুল পরিমান দেশী-বিদেশী মুদ্রাসহ জাল টাকা উদ্ধার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর আশুলিয়া থানাধীন কাঠগড়া পালোয়ানপাড়া এলাকায় চাঞ্চল্যকর পাঠাও রাইড চালককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী দলের ০৩ জন গ্রেফতার এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে নারায়ণঞ্জের সোনারগাঁ হতে কাভার্ড ভ্যানে ফেনসিডিল পাচারকালে ০৩ জন গ্রেফতার। ৪৭০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার ও কাভার্ড ভ্যান জব্দ। ✱

ইন্টেলিজেন্স উইং

র‌্যাব ফোর্স এর প্রতিষ্ঠালগ্ন হতেই “র‌্যাব ইন্টেলিজেন্স উইং” সাফল্যের সাথে তাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এই উইং মূলত ঘটনা ঘটার পূর্বে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করে এবং কখনো কখনো অপরাধ সংগঠিত হওয়ার পরে ঘটনা পরবর্তী পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে গোপনে ও সুকৌশলে রহস্য উন্মোচন করে অপরাধ দমন ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরকধারী উগ্র জঙ্গী, চরমপন্থী, শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং জলদস্যুদের বিরুদ্ধে এ উইং এর এই কর্মতৎপরতা যথারীতি অব্যাহত রয়েছে। এ উইং এর ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ সারাদেশে তাদের গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করতঃ তা যাচাই-বাছাই করে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দূর্নীতি, চোরাচালান, মাদক, জঙ্গীবাদসহ যে কোন অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনা করছে। এ দেশের মানুষের ধর্মভীরুতার সুযোগ গ্রহণে সচেষ্ট জঙ্গী সংগঠনসমূহের অপতৎপরতা ও পরিকল্পনার তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে এনে ২০১৩ সালে দুইশত চৌদ্দ জন জঙ্গীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এ উইং এর ইনফরমেশন ও ইন্টারসেপশন ব্রাঞ্চ উন্নত প্রযুক্তির অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে র‌্যাবের সকল ব্যাটালিয়ন ও দেশের অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে প্রযুক্তিগত সহায়তা/তথ্য প্রদান করছে এবং র‌্যাবের সার্বিক আভিযানিক কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক সময়ের আতংক চরমপন্থীদের দমনেও এ উইং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০১৩ সালে কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, ও নওগাঁ জেলায় এ উইং এর সহযোগিতায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়। ফলে চরমপন্থী তৎপরতা বর্তমানে আইন-শৃংখলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ উইং এর ইন্টারোগেশন ব্রাঞ্চ ও অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিভিন্ন আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে শীর্ষ অপরাধী, নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি, হিজবুত তাহরীর ও হুজি সদস্যদের গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্যাদি উদ্ধার করেছে যা জঙ্গীবাদ দমনে ব্যাপক সফলতা এনে দিয়েছে এবং দেশে-বিদেশে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছে। রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামসহ বিভিনড়ব বিভাগীয় শহরে হত্যা, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজীসহ নানা অপতৎপরতায় লিপ্ত একদা শীর্ষ সন্ত্রাসীরাও এ উইং এর গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। ২০১৩ সালে এ উইং এর সঠিক ও তড়িৎ পদক্ষেপে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্যও উম্মোচিত হয়েছে এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন আইন-শৃংখলাবাহিনী ও র‌্যাবের বিভিন্ন ব্যাটালিয়নের সহায়তায় এ উইং এর রেকর্ড ও ডাটা ব্রাঞ্চ বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক তথ্য ভান্ডার তৈরী করেছে যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসীদের প্রোফাইল খুব সহজেই পর্যবেক্ষণ করে যেকোন আভিযানিক কার্যক্রমে তড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব। এ উইং এর এমন নিরলস কর্মতৎপরতার কারণে দেশের সার্বিক আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার পাশাপাশি দেশ ও সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে এবং সাথে সাথে র‌্যাবকে উন্নীত করেছে এক ঈর্ষনীয় সাফল্যের শিখরে। এ উইং এর সকল সদস্য কঠোর পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে তাদের অর্জিত সাফল্য ও সুনাম ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর।