সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
র‌্যাব-৩ এর অভিযানে ঢাকা মহানগরীর দারুসসালাম এলাকা হতে ১৭৮ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক। ✱ র‌্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা হতে অপহরণকৃত ০৩ জন ভিকটিম উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ০৪ জন সদস্য আটক। ✱ র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন এলাকা থেকে ২০(বিশ) কেজি গাঁজাসহ ০২ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে কোভিড-১৯ টেষ্টের জাল অনুমতিপত্র তৈরি করে দেশব্যাপী কোভিড-১৯ টেষ্টের জন্য লোক নিয়োগের নামে প্রতারণা, র‌্যাব-১১ এর অভিযানে গ্রেফতার ০১ জন। ✱ র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন এলাকা থেকে ১,০০২ পিস ইয়াবা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর কদমতলী এলাকায় নকল স্টিল রড/রি-রোলিং স্টিল উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রি করায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ লক্ষ টাকা জরিমানা। ✱ নারায়ণগঞ্জ ও রাজধানীর কদমতলী হতে র‌্যাবের অভিযানে ৮৯,৬৩০ পিস নকল দেশী সিগারেটসহ ০২ সিগারেট কালোবাজারী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ✱ র‌্যাব-১১ কর্তৃক ফতুল্লায় বুড়িগঙ্গা নদীতে চলাচলরত নৌযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, ১ জনকে কারাদন্ড ও ৪ জনকে জরিমানা ✱ ঢাকা জেলার আশুলিয়া এলাকা হতে ২৭ লক্ষ টাকা মূল্যমানের হেরোইনসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪। ✱

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ইসিবি চত্ত¡র এলাকা হতে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী শিপলু’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪; দেশী পিস্তল ও ০২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার।

প্রকাশের তারিখ : ১৭-০৭-২০২১

১৭ জুলাই ২০২১ ইং তারিখ ভোর ০৫.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ইসিবি চত্ত¡র এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০১ টি দেশীয় পিস্তল, ০২ রাউন্ড গুলি, ০১টি চাপাতি, ০২ ছুড়ি ও ৪২ পিস ইয়াবাসহ নিম্নোক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী’কে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়ঃ

(ক)    মোঃ শিপলু আহম্মেদ @ সোলায়মান শিপলু (২৭), জেলা- ঢাকা।

 জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মাদক এবং হত্যাসহ একাধিক  মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী অস্ত্র প্রদর্শন সহ ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছিলো। সে একাধারে ছিনতাইকারী, জমিদখলকারী, মাদক ব্যবসায়ী এবং কিশোর গ্যাং এর অন্যতম সদস্য। সে দেশীয় অস্ত্রসহ তার দলবল নিয়ে এলাকায় মহড়া দিতো এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে লোকজনের নিকট থেকে জোরপূর্বক চাঁদা দাবি করতো এবং কেউ চাঁদা দিতে না চাইলে সে তাকে মারধরসহ গুরুতর জখম করে তার নিকট হতে জোরপূর্বক চাঁদার টাকার আদায় করতো। আসামী মূলত অস্ত্রধারী হওয়ায় সাধারণ জনগণ তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে সাহস করতো না এবং কেউ তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করলে অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখাতো।

   উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অদূর ভবিষ্যতে এরূপ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে র‌্যাব-৪ এর জোড়ালো সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
 

আরও সাম্প্রতিক কার্যক্রম