সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানাধীন এলাকা হতে অপহরনের ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিম উদ্ধারসহ অপহরনকারী ০৪ জন গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর পল্লবী এলাকা হতে মেট্রো রেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ২ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ঃ চোরাইকৃত মালামালসহ একটি পিকআপ ও সিএনজি জব্দ। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর শ্যামপুর থানা এলাকা হতে ০২ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসহ ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি বিদেশী রিভলবার, ০১ টি ম্যাগাজিন, ০৪ রাউন্ড গুলি এবং ১৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকা হতে চোরাইকৃত ১১,৩১০ লিটার ডিজেল উদ্ধারসহ ০১ জন চোরাকারবারী আটক। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক। ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৯, সলিটে এর অভযিানে মৌলভীবাজার জলোর সদর থানা এলাকা হতে ৫৮৬ পসি ইয়াবা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রফেতার। ✱ র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা হতে ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে ০১ চাঁদাবাজ গ্রেফতার ✱

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

দেশব্যাপী ভেজাল, মানহীন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য পণ্য উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রয়ের অভিযোগে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান; সারাদেশে ২ শতাধিক অসাধু ব্যবসায়ীক প্রায় কোটি টাকা জরিমানা ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডসহ বিপুল পরিমান ভেজাল ও মানহীন দ্রব্য ধ্বংস।

সুস্বাস্থ্যের জন্য চাই স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ খাদ্য। সা¤প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি যে, সারাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরণের ভেজাল ও মানহীন খাদ্য পণ্য উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রয় করছে। খাদ্য পণ্যের স্বাদ বৃদ্ধি, পচনরোধ ও আকর্ষণীয় করার জন্য মেশানো হচ্ছে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শিশু খাদ্যেও মেশাচ্ছে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মেয়াদোত্তীর্ণ অথবা মেয়াদবিহীন খাদ্য পণ্য বিক্রয় করছে। এছাড়াও, অনেক হোটেল ও রেস্টুরেন্টে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন করা হচ্ছে। খাদ্য উৎপাদনকারী অনেক প্রতিষ্ঠান বা রেস্টুরেন্টের কোন ধরণের ফুড প্রসেসিং লাইসেন্স নেই। অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এসকল ভেজাল, মানহীন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রয় করছে। আর এসকল খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ জনগণ নানারকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। খাদ্যে বিষাক্ততার জন্য অনেকের মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। আবার দীর্ঘ সময় ধরে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত খাদ্য গ্রহণের জন্য অনেকেই দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত যা তাকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অসাধু মুনাফালোভী এসকল ব্যবসায়ীদের এরূপ কার্যক্রমের জন্য দেশের জনগণ স্বাস্থ্যগতভাবে উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এসকল অসাধু ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমেও রয়েছে বিভিন্ন প্রতিবেদন। অনেক ভূক্তভোগী বিভিন্ন সময়ে র‌্যাবের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি র‌্যাব অনলাইন মিডিয়া সেল এবং ফেসবুক পেইজে অনেকেই এই সংক্রান্ত নেতিবাচক মন্তব্যসহ অভিযোগ করেছেন। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সাধারণ মানুষের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব দেশব্যাপী এসকল অসাধু মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।      এরই ধারাবাহিকতায়, অদ্য ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ র‌্যাব ফোর্সেস এর সকল ব্যাটালিয়ন দেশব্যাপী একযোগে ভেজাল, মানহীন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রয়ে সাথে জড়িত অসাধু মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে যে সকল সরকারি দপ্তর বা কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করা প্রয়োজন তাদের সাথে সমন্বয় করা হয়েছে। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য সংস্থার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে ভেজাল ও মানহীন খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মজুদকারী ও বিক্রেতাসহ এরূপ কার্যক্রমে জড়িত অসাধু মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সারাদেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এখন পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত ৬৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২০৫ জন অসাধু ব্যবসায়ীকে ৯৭,২৮,৫০০/- টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও ০৬ জন অসাধু ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও ০১ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। দেশব্যাপী পরিচালিত অভিযানে ধ্বংস করা হয় বিপুল পরিমান ভেজাল, মানহীন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য ও খাদ্যপণ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্যাদি। বেশ কিছু অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।  

র‌্যাব-৮, বরিশাল কর্তৃক বিশেষ মোবাইল কোর্ট সপ্তাহ ২০২১ পরিচালনা করে বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, এবং পিরোজপুর এলাকার বিভিন্ন খাবার হোটেল, মিষ্টির দোকান ও বেকারী হতে ২১ (একুশ) জন ব্যবসায়ীকে ১৬৭,০০০(এক লক্ষ সাতষট্রি) হাজার টাকা জরিমানা এবং ০১ (এক) জন ভেজাল ব্যাবসায়ী গ্রেফতার।

দীর্ঘদিন যাবৎ বরিশাল মহানগরী, ভোলা, ঝালকাঠি এবং পিরোজপুর জেলায় কিছু অসাধু মিষ্টির দোকান, বেকারী, হোটেল ব্যবসায়ীরা অস্বাস্থ্যকর, মেয়াদ উত্তীর্ণ পঁচা বাশি খাবার, নোংরা পরিবেশে ও নিষিদ্ধ পণ্যের ব্যাবহার করে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এমন তথ্যর ভিত্তিতে র‌্যাব-৮, বরিশালের কয়েকটি আভিযানিক দল উক্ত চারটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অসাধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৬৭,০০০ (এক লক্ষ সাতষট্রি) হাজার টাকা জরিমানা করে এবং ০১(এক) জন মালিকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারান্ড প্রদান করেন। তারা সহজ সরল মানুষকে বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে তাদের মিষ্টির দোকান ও হোটেলে অস্বাস্থ্যকর, মেয়াদ উত্তীর্ণ পঁচা বাশি খাবার, নোংরা পরিবেশে ও নিষিদ্ধ পণ্যের ব্যবহার করে হোটেল ব্যবসা করছে যা মানুষের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর এবং বিপজ্জনক। তাদের হোটেল, বেকারী ও মিষ্টির দোকান পরিদর্শন করে বিভিন্ন মেয়াদ উত্তির্ণ পঁচা ও বাশি খাবার পাওয়া যায়। উক্ত মিষ্টি দোনদার ও হোটেল ব্যবসায়ীরা পঁচা বাশি খাবার রাখার কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি এবং মোবাইল কোর্টের সামনে তারা দোষ স্বীকার করে। মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেটগণ বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালী থানা হতে ০৫(পাঁচ) জন ব্যবসায়ীকে ৮০,০০০ (আশি হাজার) টাকা জরিমানা, ভোলা জেলার সদর থানায় ০৩ (তিন) জন ব্যবসায়ীকে ৪৫,০০০ (পয়তাল্লিশ হাজার) টাকা জরিমানা এবং ০১(এক) জনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। ঝালকাঠি জেলার সদর থানায় ০৬ (ছয়) জন ব্যবসায়ীকে ১৯,০০০ (উনিশ হাজার) টাকা জারিমানা এবং পিরোজপুর জেলায় সদর থানা ০৬ (ছয়) জন ব্যবসায়ীকে ২৩,০০০ (তেইশ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে এরূপ অবৈধ কাজ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন র‌্যাবের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও এলাকা থেকে আনুমানিক ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ৪,৭২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও এলাকায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ ০৭৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী ১। আব্দুস সবুর (৪০), পিতা- মৃত মকবুল আহাম্মদ, ২। মোঃ ইরফাত(২৬), পিতা- মৃত জহুরুল আলম, এবং ৩। মোঃ শাহেদ (২১), পিতা- মোঃ ইলিয়াস, সর্ব সাং-পশ্চিম মোহড়া, থানা- চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম মহানগরী’দের আটক করে।      পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের নিজ হাতে বের করে দেওয়া মতে ৪,৭২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, তারা দীর্ঘ দিন যাবৎ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তী তা চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট বিক্রয় করে আসছে।  

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে প্রচুর পরিমান ভেজাল পণ্যসহ ০১ জন গ্রেফতার।

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ সন্ধ্যা ১৮:৫০ ঘটিকায় র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন পশ্চিম পাইনাদি সাকিনস্থ ধনুহাজী রোড সংলগ্ন জনৈক মোঃ ইয়াসিন আরাফাত এর ভাড়াকৃত অর্ধ পাকা ঘরের ভিতর স্থাপিত  কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রচুর পরিমান ভেজালপণ্য খাদ্য ও নকল পানীয় ফ্রুটি জুস, শিশু খাদ্য, লিচি ড্রিংকস, চিপস, রোবট জুস, ভেজাল সয়াবিন তেল, আইস ললী ড্রিংস, গøাস ক্লিনার, হ্যান্ড ওয়াশ লিকুইডসহ বাদল (৩৫)’কে গ্রেফতার করা হয়।      প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, আটককৃত ভেজাল পণ্য ব্যবসার সাথে জড়িত আসামী ভেজাল পণ্য, উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। অবৈধ ও ভেজাল দ্রব্যের বিরুদ্ধে র‌্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।  

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানাধীন এলাকা হইতে ৫১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ২২:১০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, স্পেশাল কোম্পানী (ইসলামপুর, সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সামিউল আলম এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানাধীন সুরিকান্দি সাকিনস্থ জনৈক মকসুদুর রহমান এর বসতবাড়ির প্রবেশ পথের সামনে একজন মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য নিয়ে ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করিতেছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের আভিযানিক দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সামিউল আলম এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ঘেরাও পূর্বক উক্ত ব্যক্তিকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তির নাম ১। মোঃ মাহবুবুর রহমান (৬৭), পিতা- মৃত মতিউর রহমান, সাং- সুরিকান্দি, থানা-বড়লেখা, জেলা- মৌলভীবাজার। পরবর্তীতে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে তল­াশী করে ধৃত ব্যক্তির হেফাজত হতে ৫১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক ধৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারা মূলে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করতঃ ধৃত আসামী ও জব্দকৃত আলামত সমূহ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে সিলেট এর জৈন্তাপুর থানা এলাকা হইতে বিদেশী মদসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ২২:৫৫ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল মেজর মোঃ মঈনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ সিলেট জেলার জৈন্তাপুর থানাধীন সিলেট টু জাফলং রোড তামাবিল রোডের আর্দশ গ্রাম বাজারের নুরা কাসার দোকানের বিপরীতে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ক।  McDowell’s (750 ml)= ১২ বোতল, খ। Signature(750 ml)= ০২ বোতল, খ। মোবাইল= ০১ টি, গ। সীম= ০২ টি’সহ মোঃ মুনসুর মিয়া (৪২), পিতা- ওহাব আলী, সাং- নলজুরি আমস্বপন, থানা- গোয়ানইঘাট, জেলা- সিলেট’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন; ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ২৪(খ) ধারা মূলে মামলা দায়ের করতঃ ধৃত আসামী ও জব্দকৃত আলামত সমূহ সিলেট এর জৈন্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৮, সিপিসি-২, ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর এবং রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন খাবার হোটেল/রেস্তোরা, মিষ্টি প্রস্তুত ও বিক্রয়কারী দোকান, বেকারী এবং পানির ফ্যাক্টারিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ০৯ ব্যক্তি/দোকান/প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ।

বর্তমানে আমাদের দেশের সহজ-সরল জনসাধারন স্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভাল মানের খাবার গ্রহণ করতে প্রায়ই বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হচ্ছে।  উক্ত বিড়ম্বনার কবল থেকে জন সাধারনের নিরাপদ রাখার জন্য সিপিসি-২, ফরিদপুর ক্যাম্প নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধরাবাহিকতায় অত্র ক্যাম্পের কয়েকটি বিশেষ আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ০৭/০৯/২০২১ ইং ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বাঘাট রাজকুমার, বাঘাট ঘোষ, সুইটস রেস্তোরা এবং খন্দকার চাইনিজ রেস্তোরায়  অভিযান পরিচালনা করে নি¤œ মানের খাদ্য, ওজনে কম প্রদান করার অপরাধে ০৪ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ১, ১৫,০০০/- (এক লক্ষ পনের) হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই ভাবে রাজবাড়ী জেলার রাজবাড়ী সদর থানাধীন ডাবøুউ ডিংকিং ওয়াটার, মেসার্স মিষ্টি বাড়ী, মেসার্স সূয্যবান হোটেল এন্ড রেস্তোরা, মেসার্স ঢাকা বিরিয়ানী হাউজ, মেসার্স হোটেল সালমা এন্ড রেস্তোরায় অভিযান পরিচালনা করে ০৫ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ৪৭,০০০/- (সাতচল্লিশ হাজার) টাকা জরিমানা করেন।

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে এসএমপি-সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকা হইতে ৬৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ১৯:৪০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল মেজর মাহফুজুর রহমান এবং এএসপি সোমেন মজুমদার এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসএমপি-সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন ক্বিন ব্রিজ এর পশ্চিম পার্শ্বে ‘‘তাসলিম এন্টার প্রাইজ’’ এর সামনে ঢালাই জায়গার উপর অভিযান পরিচালনা করে ক। ইয়াবা = ৬৬৫ পিস, খ। মোবাইল = ০২টি, গ। সীম = ০২টি’সহ ১। রিমন আহমদ রিপন (২০), পিতা- ফজলুর রহমান, সাং- ছৈয়া দরবস্ত বাজার, থানা- জৈন্তাপুর, জেলা- সিলেট; ২। মোঃ শরিফ আহমদ (২১), পিতা- আব্দুল করিম, সাং- ভিত্রিখেল চতুল বাজার, থানা- জৈন্তাপুর, জেলা- সিলেট’দ্বয়কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১০(ক)/৪১ ধারা মূলে মামলা দায়ের করতঃ ধৃত আসামীদ্বয় ও জব্দকৃত আলামত সমূহ এসএমপি-সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে এসএমপি-সিলেট এর কোতয়ালী থানা এলাকা হইতে ৩৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

        ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ২১.৫০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল সিনিয়র এএসপি মোঃ লুৎফর রহমান এবং এএসপি সোমেন মজুমদার এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসএমপি-সিলেট এর কোতয়ালী থানাধীন নিউ মেডিক্যাল রোড, কাজলশাহ এলাকাস্থ ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ এর ২নং গেইটের সামনে রজনীগন্ধা আবাসিক হোটেলের সামনের পাঁকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ক। ইয়াবা = ৩৪০ পিস, খ। মোবাইল = ০৪ টি, গ। সীম = ০৪ টি, ঘ। নগদ = ৬০০০/-, ঙ। ০১ টি মানিব্যাগ, চ। ০১ টি হাতঘড়ি সহ ১। মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩০), পিতা- মোঃ আব্দুর রহমান, সাং- মৈশাপুর, পোঃ ধারন বাজার, থানা- ছাতক, জেলা- সুনামগঞ্জ এবং ২। মোঃ নাজমুল হোসেন (২৬), পিতা- মৃত মঈন উদ্দিন, সাং- সাহেবের গাঁও, পোঃ টুকের বাজার, থানা- জালালাবাদ, জেলা- সিলেট’দ্বয়কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১০(ক)/৪১ ধারা মূলে মামলা দায়ের করতঃ ধৃত আসামীদ্বয় ও জব্দকৃত আলামত সমূহ এসএমপি-সিলেট এর কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী হতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ০৬ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১।

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী এলাকায় কতিপয় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে বলে জানা যায়। তারা দিনের বেলায় বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে ভয়ংকর হয়ে উঠে। টঙ্গী এলাকার সাধারণ লোকজন এবং ঐ পথে যাতায়াতকারী গাড়ির আরোহীদের এই চক্রের সদস্যরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এবং বিভিন্নভাবে ভীতি প্রদর্শন করে ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে তাদের নিকটে থাকা মোবাইল, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রীসহ সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়। এই চক্রের ফাঁদে পরে অনেকেই শারিরীকভাবে লাঞ্ছনার স্বীকার হয়েছে বলে জানা যায়। বিষয়টি র‌্যাবের দৃষ্টিগোচর হলে অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-১ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।      এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক ০৫১৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, জিএমপি’র টঙ্গী পূর্ব থানাধীন টঙ্গী ষ্টেশন রোড এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের কতিপয় সদস্য ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি জিএমপি’র টঙ্গী পূর্ব থানাধীন টঙ্গী ষ্টেশন রোড বাসস্ট্যান্ড এর দক্ষিন পাশের্^ উত্তরা টায়ার এন্ড ব্যাটারী শপ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য ১) মোঃ জহিরুল ইসলাম (৪০), পিতা-মোঃ আইয়ুব আলী, জেলা-গাজীপুর, ২) মোঃ শফিকুল ইসলাম @ ইনটেক(৩৪), পিতা-মোঃ সুরুজ মিয়া, জেলা-গাজীপুর, ৩) মোঃ হাসিব (২২), পিতা-মোঃ মোস্তফা কামাল, জেলা-গাজীপুর, ৪) মোঃ রুবেল হোসেন (৩০), পিতা-মৃত হোসেন আলী, জেলা-গাজীপুর, ৫) মোঃ নাজমুল মিয়া (২৩), পিতা-মোঃ স্বপন মিয়া, জেলা-গাজীপুর এবং ৬) মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩২), পিতা-ইউনুছ আলী, জেলা-গাজীপুর’দেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ধৃত আসামীদের নিকট হতে ০১ টি তালোয়ার, ০১ টি চাপাতি, ০১ টি ছোরা, ০৩ টি চাকু ও ০৮ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।      ধৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তারা একে অপরের যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় সাধারণ পথচারী, বাসযাত্রী এবং মোটর সাইকেল আরোহীদের মারধর এবং অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাইভেটকার, মোটর সাইকেল, গাড়ী, টাকা পয়সা, মোবাইল, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি ডাকাতি করে আসছিল মর্মে স্বীকার করে।