সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানাধীন এলাকা হতে অপহরনের ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিম উদ্ধারসহ অপহরনকারী ০৪ জন গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর পল্লবী এলাকা হতে মেট্রো রেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ২ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ঃ চোরাইকৃত মালামালসহ একটি পিকআপ ও সিএনজি জব্দ। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর শ্যামপুর থানা এলাকা হতে ০২ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসহ ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি বিদেশী রিভলবার, ০১ টি ম্যাগাজিন, ০৪ রাউন্ড গুলি এবং ১৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকা হতে চোরাইকৃত ১১,৩১০ লিটার ডিজেল উদ্ধারসহ ০১ জন চোরাকারবারী আটক। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক। ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৯, সলিটে এর অভযিানে মৌলভীবাজার জলোর সদর থানা এলাকা হতে ৫৮৬ পসি ইয়াবা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রফেতার। ✱ র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা হতে ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে ০১ চাঁদাবাজ গ্রেফতার ✱

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

র‌্যাব-৮, বরিশাল কর্তৃক বিশেষ মোবাইল কোর্ট সপ্তাহ ২০২১ পরিচালনা করে বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, এবং পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ১৯ (উনিশ) টি ফার্মেসিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয়ের দায়ে ১৩১,৫০০(এক লক্ষ একত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা ।

এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন যাবৎ বরিশাল মহানগরী, ভোলা, ঝালকাঠি এবং পিরোজপুর জেলায় কিছু অসাধু ফার্মেসি মেয়াদত্তীর্ণ ও অধিক মূলে ঔষধ বিক্রয় করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এমন তথ্যর ভিত্তিতে র‌্যাব-৮, বরিশালের কয়েকটি আভিযানিক দল উক্ত চারটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অসাধু ফার্মেসিগুলোতে ১৩১,৫০০ (এক লক্ষ একত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আদায় করে। তারা সহজ সরল মানুষকে বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে তাদের ফার্মেসিতে মেয়াদত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় করে তারা ব্যবসা করছে যা মানুষের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর এবং বিপজ্জনক। তাদের ফার্র্মেসিগুলো পরিদর্শন করে বিভিন্ন মেয়াদত্তীর্ণ ঔষধ পাওয়া যায়। উক্ত ফার্মেসী ব্যবসায়ীদের মেয়াদত্তীর্ণ ঔষধ রাখার কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি এবং মোবাইল কোর্টের সামনে তারা তাদের দোষ স্বীকার করে। মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেটগণ বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালী থানা হতে ০৬ টি ফার্মেসিকে ২৭,০০০ (সাতাশ হাজার) টাকা জরিমানা, ভোলা জেলার সদর থানায় ০৬ টি ফার্মেসিকে ৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা জরিমানা, ঝালকাঠি জেলার সদর থানায় ০৪ টি ফার্মেসিকে ১৮,৫০০ (আঠারো হাজার পাঁচশত) টাকা জারিমানা এবং পিরোজপুর জেলায় সদর থানায় ০৩ টি ফার্মেসিকে ২৬,০০০ (ছাব্বিশ হাজার) টাকা জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে এরূপ অবৈধ কাজ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন র‌্যাবের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।      র‌্যাবের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা হতে ০১ জন ভূয়া এনএসআই সদস্য গ্রেফতার, ০১ টি ওয়াকিটকি সেট জব্দ।

বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে যে, প্রতারক মোহাম্মদ সোমেল হোসেন মজুমদার দীর্ঘদিন যাবত পূর্ব গোড়ান, খিলগাঁও ও আশপাশ এলাকায় এনএসআই এর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক লোকের নিকট হতে  প্রতারণার মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে র‌্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল ০৮/০৯/২০২১ তারিখ ২২৪০ ঘটিকার সময় রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এনএসআই পরিচয় প্রদানকারী প্রতারক মোহাম্মদ সোমেল হোসেন মজুমদার (৩৮), সাং-বাসা নং-১৪০/১২৭ মাদ্রসা রোড, থানা+জেলা-চাঁদপুরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর হেফাজত হতে ০১ টি ওয়াকিটকি সেট এবং ০১ টি মোবাইলফোন জব্দ করা হয়।  ৩।    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী জানায় যে, কেউ বিপদে পড়লে সে এনএসআই কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসতো। তারপর বিভিন্ন অজুহাতে ভোক্তভোগীদের নিকট থেকে টাকা আদায় করত। এছাড়াও সে এনএসআই কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোকের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতো। একপর্যায়ে সে তাদেরকে ভয় দেখতো যে, আপনার নামে গোয়েন্দা সংস্থায় খারাপ রিপোর্ট হয়েছে, আপনার গুরুত্বর ক্ষতি হবে। তবে তাকে টাকা দিলে সে সব ঠিক করে দিতে পারবে। তাছাড়াও সে বিভিন্ন সরকারী সংস্থায় চাকুরী দেওয়ার নাম করে ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে অর্থ আত্মসাৎ করত। এভাবে সে শতাধিক লোকের সাথে প্রতারণা করে পঞ্চাশ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়। ৪।    ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে অভিনব কায়দায় জুতার ভিতরে ইয়াবা পাচারকালে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে ০২ জন গ্রেফতার\ ১ হাজার ৯ শত ২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার\

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি, আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জের একটি আভিযানিক দল ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাইনবোর্ড এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে অভিনব কায়দায় জুতার ভিতর করে ইয়াবা পাচারকালে ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলোঃ ১। মোঃ আলমগীর (৩৬) এবং ২। মোঃ রাশেদ (১৯)। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে ১৯২৫ পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।  ৩।    প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ আলমগীর কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার সদর থানাধীন দক্ষিণ মুহুরীপাড়া এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে এবং মোঃ রাশেদ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন জাদিমুড়া এলাকার মৃত হারুনের ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন অভিনব কৌশলে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা পাচার করে নিয়ে এসে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে। ৪।    উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। 

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের রেলওয়ে কলোনী হতে ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি, আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জের একটি বিশেষ আভিযানিক দল ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন রেলওয়ে কলোনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ নুরুল হক (৫৫) নামীয় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামীর হেফাজত হতে ০৯ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯০ হাজার টাকা।  ৩।    প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ নুরুল হক নারায়ণগঞ্জ জেলার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন নতুন জিমখানা রেলওয়ে কলোনী এলাকার মৃত কালু বেপারীর ছেলে। গ্রেফতারকৃত আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ অভিনব কৌশলে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য হেরোইন সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিভক্ত জেএমবি’র একটি গ্রæপের কর্ণধার জঙ্গি নেতা এমদাদুল হক @ উজ্জল মাষ্টার (৫৫)’কে রাজধানীর বসিলা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। অস্ত্র, গুলি, নগদ অর্থ, রাসায়নিক দ্রব্য ও বুলেট প্রæফ জ্যাকেট উদ্ধার।

গত মধ্যরাত হতে অদ্য সকাল পর্যন্ত র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-২ এর অভিযানে রাজধানীর বসিলা হতে জেএমবি’র একটি গ্রæপের কর্ণধার মোঃ এমদাদুল হক @ উজ্জল মাষ্টার (৫৫), ময়মনসিংহ’কে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত অভিযানে জব্দ করা হয় ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০৫ রাউন্ড গোলাবারুদ, নগদ তিন লক্ষাধিক টাকা, রাসায়নিক দ্রব্য, অভিনব পদ্ধতিতে তৈরীকৃত দেশীয় বুলেট প্রæফ জ্যাকেট, উগ্রবাদী বই ও লিফলেট ইত্যাদি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গেফ্র তারকত মোঃ এমদাদুল হক @ উজ্জল মাষ্টার নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি ৃ সংগঠন জেএমবি’র সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।  ৬। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, গ্রেফতারকৃত জঙ্গি মোঃ এমদাদুল হক @ উজ্জল মাষ্টার (৫৫), ১৯৯৩ সালে ময়মনসিংহের একটি কলেজ থেকে বিএ পাশ করে। ১৯৯৫ সালে স্থানীয় একটি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করে। জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কারণে অপরাধী সাব্যস্ত হওয়ায় সে চাকুরীচ্যুত হয়। সে ২০০২ সালে মুক্তাগাছায় সফররত এক জঙ্গি নেতার বয়ান শুনে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়। পরবর্তীতে সে শায়েখ আব্দুর রহমান এর নিকট হতে বায়াত প্রাপ্ত হয়। অতঃপর সে সহ বেশ কয়েকজন জামালপুরে একটি আস্তানায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। জঙ্গি তৎপরতায় সে অতি দ্রæত ময়মনসিংহের একজন আঞ্চলিক নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সে শীর্ষ জঙ্গি নেতা শায়খ আব্দুর রহমান, বাংলা ভাই ও সালাহউদ্দিন সালেহীন এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহচর ছিল। গ্রেফতারকৃত এমদাদুল হক @ উজ্জল মাষ্টার জেএমবি শীর্ষ নেতাদের ময়মনসিংহে অবস্থানের সফরকালীন সময়ে বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত থাকত। উপরোক্ত নেতাদের গোপন আস্তানায় অবস্থান, মিটিং ও বয়ান আয়োজনে ভূিমকা রাখত। সে জানায়, সম্প্রতি ময়মনসিংহের অভিযানে গ্রেফতারকৃত জেএমবি সদস্য জুলহাসসহ ১০ জন জেএমবি সদস্য ২০০৩ সালে তার নিকট বায়াত নেয়। উক্ত বায়াতে অংশগহ্র ণকৃ ত ১০ জেএমবি সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃ ঙ্খলা বাহিনী দ্বারা গ্রেফতারও হয়েছে। কেউ কেউ এখনও আত্মগোপনে রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে র‌্যাব অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গ্রেফতারকৃত জঙ্গি ২০০২ পরবর্তী সময়ে ময়মনসিংহ এলাকায় জঙ্গি কাযর্ক্র মের জন্য অর্থ সংগহ্র করত। সে ধর্মীয় আবেগ অনুভতিকে অপব্যবহারের ‚ মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে জঙ্গি কার্যক্রমে ব্যয় করত। ৭। গ্রেফতারকৃত জঙ্গি এমদাদুল হক আরও জানায় যে, সে ২০০৩ সালে মুক্তাগাছা এলাকায় একটি ব্রাক অফিস ডাকাতির সঙ্গে তার সংশিষ্টø তা রয়েছে। এছাড়া গ্রেফতারকৃতের নাশকতা ও জঙ্গি সংশিষ্টø তার অভিযোগে ঢাকা ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন থানায় ২০০৭ ও ২০১২, ২০১৫ এবং ২০২০ সালে মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যায়। সে মুক্তাগাছায় ২০০৭ সালের স্থানীয় জঙ্গি নেতাদের সাথে নাশকতার গোপন বৈঠক চলাকালীন সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সম্মুখীন হয়। সে সময় সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এছাড়া ২০০৭ সালে তার নিকটাত্মীয় রফিক মাস্টার হত্যাকান্ডে সে জড়িত ছিল। সে জানায় রফিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তাদের বেশ কয়েকজন জঙ্গি সদস্যকে ধরিয়ে দেয় মর্মে তারা জানতে পারে। ফলশ্রæতিতে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে রফিক মাস্টারকে হত্যা করা হয়। ৮। গ্রেফতারকৃত জঙ্গি এমদাদ জানায়, ২০০৭ সালের মামলার পর গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়। সে ২০০৮ হতে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়নগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ছদ্মবেশেও নাম পরিবর্তন করে অবস্থান নেয়। আত্মগোপনে থাকাকালীন সময়ে সে কাপড়ের দোকানের কর্মচারী, খেলনা বিক্রি, ফেরি ব্যবসা, রিক্সা ও রাজমিস্ত্রী ইত্যাদির ছদ্মবেশ ধারণ করত। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ২০১২ সালে সে রাজধানীর উত্তরা হতে গ্রেফতার হয়। অতঃপর সে “গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা” এর মামলায় ২ বছর কারা অন্তরীণ ছিল। জেল থেকে বের হয়ে ২০১৫ সালে পুনরায় আবার বিস্ফোরকসহ গ্রেফতার হয়। পুনরায় ২০১৬ সালে জামিন প্রাপ্ত হয়ে সে পুনরায় আত্মগোপনে চলে যায়। এসময়ও সে পূবের্র ন্যায় বিভিন্ন ছদ্মবেশে রাজবাড়ী, রংপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, নারায়নগঞ্জ ও ঢাকায় অবস্থান করে, সেখানে সে জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্টতা বজায় রাখে। ৯। সাম্প্রতিক সময়ে জেএমবি নেতৃত্বহীন হয়ে পড়লে সাংগঠনিক দূবর্ল তা তৈরী হয়। ফলে তারা বিচ্ছিন্নভাবে স্বতন্ত্র কয়েকটি গæ্র পে বিভক্ত হয়ে পড়ে। গেফ্র তারকৃ ত জঙ্গি এমদাদ তার বিশ্ব¯ ও পুরাতন জেএমবি সহযোগীদের Í সংগঠিত করে একটি গ্রæপ তৈরীর চেষ্টা চালায়। সে উক্ত গ্রæপের মূল কর্ণধার ও সমন্বয়ক। তার গ্রæপে অর্ধশতাধিক অনুসারী রয়েছে বলে সে জানায়। গ্রæপটির নেটওয়ার্ক ময়মনসিংহ, জামালপুর, উত্তরবঙ্গসহ কয়েকটি জেলায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। সংগঠনের বিভিন্ন বিষয়াদি দেখার জন্য দায়িত্বশীল নিযুক্ত করা হয়েছে। অধিকাংশ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা মূলধারার জেএমবি এর পুরাতন সদস্য বলে সে জানায়। এ ধরণের কয়েকজন দায়িত্বশীল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এ বিষয়ে আমরা গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করেছি। দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা গ্রæপের প্ির শক্ষণ, দাওয়াত, রশদ ইত্যাদি বিষয় দেখভাল করে। তবে গ্রেফতারকৃত জঙ্গি নিজে প্রত্যক্ষভাবে অপারেশন কার্যক্রম তদারকি করে থাকে। তাদের আইটি সেক্টরকে সমৃদ্ধ করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে গেফ্র তারকত জানায়। অপারেশন ৃ দলের পাশাপাশি তারা “সাইবার ফোর্স” গঠনকে প্রাধান্য দিচ্ছে। পথ্র াগত দাওয়াতের পাশাপাশি সদস্য সংখ্যা বদ্ধিতে ৃ তারা করোনাকালীন অনলাইনে সক্রিয় রয়েছে। সংগঠনের অর্থের যোগান দেওয়ার জন্য গ্রেফতারকৃত জঙ্গি এমদাদুল হক নাশকতা, ডাকাতি, ছিনতাই এ অংশগ্রহণ করতে তার সদস্যদের নির্দেশ দেয়। ১০। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। 

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে এসএমপি-সিলেট এর কোতোয়ালী থানাধীন এলাকা থেকে গাঁজা সহ ০১ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

০৭ সেপ্টে¤¦র ২০২১ ইং তারিখ ২২:১০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিএসসি (ইসলামপুর ক্যাম্প, সিলেট) এর একটি আভিযানিক দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সামিউল আলম এবং এএসপি এএসপি তুহিন রেজা এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসএমপি-সিলেট এর কোতোয়ালী থানাধীন কাষ্টঘর রোড, সুইপার কলোনীস্থ জনৈক রাধারানী এর বসতঘরের ভিতর অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামী ১। মোঃ রিপন (২৫), পিতা-মোঃ কিতাব আলী, সাং- উসমানপুর,  থানা- অষ্টগ্রাম, জেলা- কিশোরগঞ্জ এর হেফাজত থেকে ক। গাঁজা=৭০০ গ্রাম, খ। মোবাইল= ০১টি, গ। সীমকার্ড=০১টি উদ্ধার পূর্বক আসামী’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(ক)/৪১ ধারা মূলে মামলা দায়ের পূর্বক আসামী ও জব্দকৃত আলামত সমূহ এসএমপি-সিলেট এর কোতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর অভিযানে কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট এলাকা হতে ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০২ টি ওয়ানশুটারগান, ০১ টি এলজি এবং ০১ টি ম্যাগাজিন উদ্ধারসহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে আটক।

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ২২৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০২ টি ওয়ানশুর্টারগান, ০১ টি এলজি এবং ০১ টি ম্যাগাজিন উদ্ধারসহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম ১। মোঃ মহিন উদ্দিন (৩০) পিতা- মৃত আনু মিয়া, সাং- দামুরপাড়া, থানা- নাঙ্গলকোট, জেলা- কুমিল্লা বলে জানা যায়।      প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়সহ অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম করে আসছে।   

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও চকবাজার এলাকায় অনুমোদনহীন ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাবার উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রি করায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২১ লক্ষ টাকা জরিমানা।

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ তারিখ ১০:৩০ ঘটিকা হতে ১৭:০০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ মাজহারুল ইসলাম ও র‌্যাব-১০ এর সমন্বয়ে একটি আভিযানিক দল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও চকবাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এসময় বিএসটিআই এর প্রতিনিধির উপস্থিতিতে উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত অনুমোদনহীন ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাবার উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রি করার অপরাধে যাত্রাবাড়ী এলাকায় ০৭টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭,২০,০০০/- (সাত লক্ষ বিশ হাজার) টাকা, শ্যামপুর এলাকায় ০৬টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১১,০০,০০০/- (এগারো লক্ষ) টাকা ও চকবাজার এলাকায় ০৩টি প্রতিষ্ঠাকে মোট ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা করে সর্বমোট ২১,২০,০০০ ( একুশ লক্ষ বিশ হাজার) টাকা জরিমানা প্রদান করেন। 

র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ঢাকার খিলগাঁও ও কেরাণীগঞ্জ এলাকা হতে ৩০৭ বোতল ফেনসিডিল ও ৫২ কেজি গাঁজাসহ ০৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; ০২টি প্রাইভেটকার জব্দ।

০৭ সেপ্টেম্বর ২১ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক সকাল ০৭.৩৫ ঘটিকা হইতে ০৮.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব- ১০ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও থানাধীন গুড়নগর বাগপাড়া এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে ১০৭ (একশত সাত) বোতল ফেনসিডিল ও ২২(বাঁইশ) কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম বিউটি @ মালেকা (৪০) বলে জানা যায়।      এছাড়া গত ০৬ সেপ্টেম্বর ২১ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক ১৫:৪৫ ও ২০:৩০ ঘটিকায় র‌্যাব- ১০ এর অপর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার দক্ষিন কেরাণীগঞ্জ থানাধীন নতুন রাস্তা এলাকায় ও কেরাণীগঞ্জ মডেল থানাধীন জিনজিরা এলাকায় পৃথক দুইটি অভিযান পরিচালনা করে ২০০ (দুইশত) বোতল ফেনসিডিল ও ৩০(ত্রিশ) কেজি গাঁজাসহ ০৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের নাম ১। মোঃ নুরে আলম (২৭), ২। মোঃ হাবিবুল্লাহ্ (৩৫) ও ৩। মোঃ রাসেল রানা (৩৮), ৪। মোঃ মানিক (৫৩), ৫। মোঃ সজিব (২৫) ও ৬। মোঃ নাইম (২৫) বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ০২টি প্রাইভেটকার, ০৬টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৫৩৫/- টাকা উদ্ধার করা হয়।     প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ খিলগাঁও ও কেরাণীগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে জানা যায়।   

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে এসএমপি-সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকা হইতে পৌনে এক কেজি হেরোইন উদ্ধার।

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ১৩:১৫ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কর্ণেল আবু মুসা মোঃ শরীফুল ইসলাম, (অধিনায়ক, র‌্যাব-৯, সিলেট) ও মেজর মাহফুজুর রহমান এবং এএসপি সোমেন মজুমদার এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসএমপি-সিলেট-এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন ক্বিন ব্রীজের দক্ষিণ পার্শ্বে অবস্থিত চাঁদনীঘাট মাজার বাড়ী এলাকার খেয়াঘাটে অভিযান পরিচালনা করে ০.৭৩০ কেজি হেরোইন উদ্ধার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে উদ্ধারকৃত আলামত সমূহ এসএমপি-সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানায় সাধারণ ডায়রী মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।