সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানাধীন এলাকা হতে অপহরনের ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিম উদ্ধারসহ অপহরনকারী ০৪ জন গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর পল্লবী এলাকা হতে মেট্রো রেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ২ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ঃ চোরাইকৃত মালামালসহ একটি পিকআপ ও সিএনজি জব্দ। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর শ্যামপুর থানা এলাকা হতে ০২ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসহ ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি বিদেশী রিভলবার, ০১ টি ম্যাগাজিন, ০৪ রাউন্ড গুলি এবং ১৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকা হতে চোরাইকৃত ১১,৩১০ লিটার ডিজেল উদ্ধারসহ ০১ জন চোরাকারবারী আটক। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক। ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৯, সলিটে এর অভযিানে মৌলভীবাজার জলোর সদর থানা এলাকা হতে ৫৮৬ পসি ইয়াবা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রফেতার। ✱ র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা হতে ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে ০১ চাঁদাবাজ গ্রেফতার ✱

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

র‌্যাব - ৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানা এলাকা থেকে যৌতুকের জন্য মারপিট এর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী মোঃ মানিক মিয়া (২৮) গ্রেফতার।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ১৮:২০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার সিঞ্চন আহমেদ এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ সুনামগঞ্জ জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা নং- ১৮২/২০২১ (কোর্ট পিটিশন), সিপি-৩৮৭/২০২১, ধারাঃ- ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/০৩) এর ১১(গ) মূলে সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন টুকের বাজার এলাকা হইতে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী ১। মোঃ মানিক মিয়া (২৮), পিতাঃ মোঃ শুকুর আলী, সাং- টুকেরগাঁও হাসনাবাদ, থানা- সদর, জেলা- সুনামগঞ্জ’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত পলাতক আসামীকে সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব - ৯ এর অভিযানে এসএমপি-সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকা থেকে ০২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এবং অর্থদন্ডে দন্ডিত মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৫০) গ্রেফতার।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ১৯:০৫ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, ব্যাটালিয়ন সদর (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসএমপি-সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দায়রা নং-৬৭/১৪ এবং জকিগঞ্জ থানার জিআর মামলা নং- ১৬৫/২০১৩ মূলে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯ (১) এর ৩ (ক) ধারা মোতাবেক ০২ (দুই) বছরের সাজাপ্রাপ্ত এবং ৫০০০/- টাকা জরিমানা প্রাপ্ত পলাতক আসামী@মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদ (৫০), পিতা- আলা উদ্দিন @ আলাই, সাং-পশ্চিম লোহার মহল, থানা- জকিগঞ্জ, জেলা- সিলেটকে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত সাজাপ্রাপ্ত এবং অর্থদন্ডে দন্ডিত আসামীকে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ১৯,৬৪৫ পিস ইয়াবা, বিদেশী মদ ও ৭২০ ক্যান বিয়ারসহ ০৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক ১৬:৪৬ ঘটিকায় র‌্যাব- ১০ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন বন্দডাকপাড়া এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে ১০,০২০ (দশ হাজার বিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম মোঃ নাসির উদ্দিন (২৮) বলে জানা যায়। এসময় তার নিকট থেকে ০২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।     এছাড়া গত ০৯ সেপ্টেম্বর ২১ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক ১৬:৪৫ ঘটিকায় উক্ত র‌্যাব- ১০ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার দক্ষিন কেরাণীগঞ্জ থানা এলাকায় অপর একটি অভিযান পরিচালনা করে ৯৬২৫ (নয় হাজার ছয়শত পঁচিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর নাম মোঃ মফিজুল ইসলাম @ কুট্টি (২৮) বলে জানা যায়। এসময় তার নিকট থেকে ০২টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১,৬২০/-(এক হাজার ছয়শত বিশ) টাকা উদ্ধার করা হয়।     এছড়িা তারিখ আনুমানিক ২০.০৫ ঘটিকা হতে ২০.৪৫ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব- ১০ এর অপর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ব্রা²ণকেত্তা কালিন্দি ইউনিয়ন দেউশোর প্রজেক্টের গলি এলাকায় অপর একটি অভিযান পরিচালনা করে ৭২০ (সাতশত বিশ) ক্যান বিয়ার, ০৪ (চার) লিটার বিদেশী মদসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের নাম ১। মোঃ হাসান আলী (৪৫), ২। মোঃ জুয়েল (৩৫) ও ৩। মোঃ সগির (৩৮) বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে নিকট ০৩টি মোবাইল ফোন ও নগদ- ১০,০০০/-(দশ হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়।     প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ কেরাণীগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা, বিদেশী মদ ও বিয়ারসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে জানা যায়।   

র‌্যাব-৮, সিপিসি-২, ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক রাজবাড়ী জেলার রাজবাড়ী সদর থানা হতে ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক ।

র‌্যাব-৮, সিপিসি-২, ফরিদপুর ক্যাম্প গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ০১ জন  মাদক ব্যবসায়ী রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দঘাট থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করে আসছে। এ বিষয়ে ফরিদপুর র‌্যাব ক্যাম্প গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গভীর অনুসন্ধান করে ঘটনার সত্যতা পায়। তদ্প্রেক্ষিতে ১০/০৯/২০২১ইং তারিখ রাতে র‌্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উক্ত মাদক ব্যবসায়ী মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রাজবাড়ী জেলার রাজবাড়ী সদর থানাধীন বিনোদপুর গ্রাম এলাকায় বিক্রয়ের জন্য অবস্থান  করছে। এ প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৮, সিপিসি-২, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১০/০৯/২০২১ ইং তারিখ রাতে রাজবাড়ী জেলার রাজবাড়ী সদর থানাধীন বিনোদপুর গ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী আসামী ০১। মোঃ নায়েব শেখ(৩৮), পিতা-মৃত বলাই শেখ, সাং-বড়চর বেনিনগর, থানা- রাজবাড়ী সদর, জেলা- রাজবাড়ীকে আটক করেন। এ সময় আটককৃত আসামীর হেফাজতে থাকা ১৮৫ (একশত পঁচাশি) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০১ টি সীমকার্ডসহ ০১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। 

ঢাকা মহানগরীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন এলাকা হতে ৯৫.৭৬ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদসহ ০২ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

০৯/০৯/২০২১ইং তারিখ সকাল ১০.০৫ ঘটিকার সময় র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা মহানগরীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ২৭৯/৩- জি, মানিকদি, কালসি রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৯৫.৭৬ লিটার দেশীয় তৈরি বাংলা চোলাইমদসহ নিম্নোক্ত ০২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়ঃ (ক) মোঃ মামুন মিয়া (৩৪), জেলাঃ ঢাকা। (খ)  মোঃ নাদিম (৪০), জেলাঃ ঢাকা।      প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ধৃত আসামীরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। জিজ্ঞাসাবাদে আসামীদ্বয় আরো জানায় যে, ধৃত আসামীদ্বয় ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা হতে পরস্পরের যোগসাজসে দেশীয় তৈরী চোলাইমদ তৈরী করে দীর্ঘদিন যাবত লোকচক্ষুর আড়ালে ঘটনাস্থল সহ আশপাশ এলাকায় খুচরা দরে বিক্রয় করে আসছিল।

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় নকল স্টিল রড / রি-রোলিং স্টিল উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রি করায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা।

০৯ সেপ্টেম্বর খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক ১০:০০ ঘটিকা হতে ১৬:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাবের র‌্যাব এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ মাজহারুল ইসলাম ও র‌্যাব-১০ এর সমন্বয়ে একটি আভিযানিক দল রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এসময় বিএসটিআই এর প্রতিনিধির উপস্থিতিতে উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানী ঢাকার কদমতলী এলাকায় নকল স্টিল রড / রি-রোলিং স্টিল উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রি করার অপরাধে এইচ আর রি-রোলিং মিলসকে নগদ- ৯,০০,০০০/- (নয় লক্ষ) টাকা, এসিয়া মোলডিং প্রাইভেট লিমিটেডকে নগদ- ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা, এইচ আলী রি-রোলিং মিলস লিমিটেডকে নগদ- ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা  এবং কদমতলী স্টিল মিলস লিমিটেডকে নগদ- ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা করে  ০৪টি স্টীল এন্ড রি-রোলিংপ্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট নগদ- ২৫,০০,০০০/- ( পঁচিশ লক্ষ) টাকা জরিমানা প্রদান করেন।

র‌্যাব - ৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানাধীন এলাকা থেকে বিদেশী মদসহ ০১ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ ০২:১০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার সিঞ্চন আহমেদ এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানাধীন পশ্চিম কাছিরগাতি গ্রামস্থ মোঃ রুহুল আমিন এর বসত ঘরের বারান্দায়  অভিযান পরিচালনা করে ক। বিদেশী মদ =১০ (দশ) বোতল, খ। মোবাইল = ০১টি, গ। সীমকার্ড = ০১টি, ঙ। নগদ- ২,৯৮০/- টাকা জব্দসহ ধৃত আসামী ১। মোঃ রুহুল আমিন (৩৫), পিতা- আতাব মিয়া, সাং- রনবিদ্যা, ইউপি- পলাশ, থানা- বিশ্বম্ভরপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ (বর্তমান ঠিকানাঃ সাং- পশ্চিম কাছিরগাতি, থানা- বিশ্বম্ভরপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ)’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন; ২০১৮ এর ৩৬(১) এর সারণী ২৪(ক) ধারায় মামলা দায়ের করে আসামী ও জব্দকৃত আলামত সমূহ সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর মিরপুর ও উত্তরা এলাকা হতে সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা লিটন @ কথিত ডাঃ লিটন ও আজাদকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব \ মাদক, পাসপোর্ট, অন্যান্য নথি ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার।

১।    এলিট ফোর্স হিসেবে র‌্যাব আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষে অপরাধ চিহ্নিতকরণ, প্রতিরোধ, শান্তি ও জনশৃংখলা রক্ষায় কাজ করে আসছে। সাম্প্রতিককালে প্রতারণামূলক ফাঁদে ফেলে উচ্চ বেতনে লোভনীয় চাকুরীর প্রলোভনে নারী পাচারে জড়িত রয়েছে কয়েকটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট। জঙ্গিবাদ, খুন, ধর্ষণ, নাশকতা এবং অন্যান্য অপরাধের পাশাপাশি এসব ঘৃণিত মানবপাচারকারী চক্রের সাথে সম্পৃক্ত অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য র‌্যাব সদা সচেষ্ট।  ২।    গত মে ২০২১ মাসে পার্শ্ববর্তী দেশে বাংলাদেশের এক তরুণীর পৈশাচিক নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রেক্ষিতে র‌্যাব পার্শ্ববর্তী দেশে মানব পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা বস রাফিসহ চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করে। এছাড়াও দেশী/বিদেশী গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে একজন মহিয়সী “মা” সম্পর্কে জানা যায়। যে “মা” নিজ জীবন বিপন্ন করে, জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে পাচার হওয়া মেয়েকে উদ্ধার করে। উক্ত ঘটনায় কাল্লু-নাগিন চক্রের মূল হোতাসহ ০৩ জন পাচার চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন নারী ভিকটিম মধ্যপ্রাচ্যে মানবপাচার সংক্রান্ত অভিযোগ র‌্যাবকে জানায়। ফলশ্রæতিতে র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।  ৩।    এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং তারিখ সকালে রাজধানীর মিরপুর এবং উত্তরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা (১) মোঃ লিটন মিয়া @ কথিত ডাঃ লিটন (৪৪), জেলা-গাইবান্ধা ও তার অন্যতম সহযোগী (২) আজাদ রহমান খান (৬৫), জেলা-লক্ষীপুর’কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের নিকট হতে উদ্ধার করা হয় প্রাইভেটকার, পাসপোর্ট, বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই, ল্যাপটপ, ৪০৭ পিস ইয়াবা, ১২ ক্যান বিয়ার ইত্যাদি। গ্রেফতারকৃতরা মধ্যপ্রাচ্যে মানব পাচার সংক্রান্ত সংশ্লিষ্টতার বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে। ৪।    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের কর্ণধার। চক্রে দেশে বিদেশে ১৫-২০ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে। এই চক্রটি বিভিন্ন প্রতারণামূলক ফাঁদে ফেলে উচ্চ বেতনের লোভনীয় চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মানব পাচার করে। পুরুষদের পাশাপাশি চক্রটি নারীদেরও পাচার করে থাকে। বিভিন্ন পেশায় দক্ষ নারী যেমন নার্স, পার্লার ও বিক্রয় কর্মীদের টার্গেট করে এই চক্রটি। চক্রটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক, মার্কেট, সুপারশপ, বিউটি পার্লারসহ বিভিন্ন চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমদের আকৃষ্ট করত। তাদের মূল টার্গেট ছিল বিদেশে চাকুরীচ্ছুক দক্ষ নারীদের প্রলব্ধু করা। প্রতারণার কৌশল হিসেবে চক্রের মূল হোতা গ্রেফতারকৃত লিটন নিজেকে ঢাকা মেডিকেল থেকে পাস করা এমবিবিএস ডাক্তার হিসেবে ভ‚য়া পরিচয় দিত। সে আরও জানাত যে, বর্তমানে গ্রেফতারকৃত লিটন ইরাকের বাগদাদে একটি স্বনামধন্য হাসপাতালে কর্মরত। অপর সহযোগী গ্রেফতারকৃত আজাদ একটি এজেন্সির আড়ালে নারী পাচারের সাথে যুক্ত। এই চক্রটি বিদেশে পাচারের পর ভিকটিমদের অনৈতিক কাজের জন্য বিক্রি করে দিত। ভিকটিমদের প্রথমে বাংলাদেশ হতে টুরিস্ট ভিসায় মধ্য প্রাচ্যের একটি দেশে নেওয়া হত। অতঃপর উক্ত দেশে ১-২ দিন অপেক্ষা করিয়ে ভিজিট/টুরিস্ট ভিসায় ইরাকসহ অন্যান্য দেশে পাচার করত। গ্রেফতারকৃত লিটন ইরাকে কয়েকটি সেফ হাউজে ভিকটিমদের অবস্থান করাত। অতঃপর সুবিধাজনক সময়ে ভিকটিমদের বিক্রি করে দেওয়া হত। উল্লেখ্য, গমনাগমনের জন্য ভিকটিমদের নিকট হতে ৩-৪ লক্ষ টাকা নেয়া হত। আবার তাদেরকে প্রায় বাংলাদেশী সমমূল্যের তিন লক্ষাধীক টাকায় বিক্রি করা হত। চক্রটি রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। এ চক্রটি ২০০/২৫০ জন মানব পাচার করেছে; তন্মধ্যে ৩৫-৪০ জন নারী রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়।   ৫।    গ্রেফতারকৃত লিটন @ কথিত ডাঃ লিটন সরকারি একটি সংস্থায় মেডিক্যাল এ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে চাকুরী করত। ২০১০ সালে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সে চাকুরীচ্যুত হয়। চাকুরীচ্যুত হওয়ার পর সে ২০১৩ সালে ইরাকে গমন করে। অতঃপর ইরাকে সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তোলে। ইরাকে অবস্থানকালীন সময়ে ২০১৬ সালে সে গ্রেফাতারকৃত আজাদ সম্পর্কে জানতে পারে ও পরবর্তীতে তার সাথে সখ্যতা তৈরী হয়। বাংলাদেশ থেকে নারীদেরও মধ্যপ্রাচ্যে পাচারের কাজে গ্রেফতারকৃত আজাদ সহযোগীতা করত। প্রতারনামূলকভাবে এই মানব পাচারের নামে অনৈতিক কর্মকান্ডে যুক্ত থাকায় সে ইরাকে গ্রেফতার এড়াতে বাংলাদেশে ফিরে আসে। সে দুইবার ইরাকে গ্রেফতার হয়েছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে সে বালুর ব্যবসার সাথে জড়িত। গ্রেফতারকৃত লিটন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে নিয়ে নারীদের পাচার করত। গ্রেফতারকৃত লিটনের নামে বিভিন্ন থানায় মানবপাচার ও প্রতারণাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ৬।    গ্রেফতারকৃত আজাদ ২০১৬ সাল হতে এই চক্রের সাথে জড়িত হয়। সে গ্রেফতারকৃত লিটনের সাথে যোগসাজসে মধ্যপ্রাচ্যে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক অবৈধ মানব পাচারে যুক্ত হয়। সে এই চক্রের পাসপোর্ট ও অন্যান্য নথিপত্রের ব্যবস্থা করত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় প্রতারণা ও মানবপাচার সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলা রয়েছে।  ৭।    গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।   

বগুড়ায় জেলা প্রশাসন, র‌্যাব ও বিএসটিআই এর যৌথ মোবাইল কোর্টে ৫০,০০০/- জরিমানা এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ কসমেটিকস জব্দ ও ধ্বংসকরণ

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব-১২) এবং জেলা প্রশাসন, বগুড়া এর যৌথ অভিযানে অদ্য বগুড়া সদরে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এতে গুণগত মানসনদ গ্রহণ না করে অবৈধভাবে স্কিন ক্রিম, স্কিন পাউডার, স্কিন লোশন সহ বিদেশী কিছু নামীদামী ব্রান্ডের কসমেটিকস নকল করে উৎপাদন ও বিক্রয়-বিতরণ করায় নারুলী এলাকার মেসার্স কলিন্স কসমেটিকসকে ৫০,০০০/- জরিমানা এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ কসমেটিকস জব্দ ও ধ্বংস করা হয়।  বগুড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রূপম দাস এর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-১২ এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোঃ সোহরাব হোসেন এবং বিএসটিআই জেলা অফিস, বগুড়া এর পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা (সিএম উইং) প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ। জব্দকৃত মালামাল ধ্বংস করতে তথা মোবাইল কোর্টকে সার্বিকভাবে সহগোগিতা করেন বগুড়া পৌরসভা, এপিবিএন এবং র‌্যাব-১২ এর সদস্যবৃন্দ।

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল রাত ০২:৫০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোড এলাকায়  মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলোঃ ১। দুলাল (৩৫), ২। ইব্রাহিম হৃদয় (২১)  এবং জুনায়েত আক্তার @ সুমন (১৯)। এ সময়   আসামীদের হেফাজত হতে ২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।    ৩।    প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় অভিনব পন্থায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল। তারা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।   ৪।    গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।