সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানাধীন এলাকা হতে অপহরনের ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিম উদ্ধারসহ অপহরনকারী ০৪ জন গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর পল্লবী এলাকা হতে মেট্রো রেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ২ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ঃ চোরাইকৃত মালামালসহ একটি পিকআপ ও সিএনজি জব্দ। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর শ্যামপুর থানা এলাকা হতে ০২ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসহ ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি বিদেশী রিভলবার, ০১ টি ম্যাগাজিন, ০৪ রাউন্ড গুলি এবং ১৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকা হতে চোরাইকৃত ১১,৩১০ লিটার ডিজেল উদ্ধারসহ ০১ জন চোরাকারবারী আটক। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক। ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৯, সলিটে এর অভযিানে মৌলভীবাজার জলোর সদর থানা এলাকা হতে ৫৮৬ পসি ইয়াবা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রফেতার। ✱ র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা হতে ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে ০১ চাঁদাবাজ গ্রেফতার ✱

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

র‌্যাবের অভিযানে নারায়ণগঞ্জ হতে রাজধানীর বনানীতে বহুল আলোচিত তরুণী ধর্ষণ মামলার আসামী বাহাউদ্দিন ইভান (২৮) গ্রেফতার।

১।    গত ০৫ জুলাই ২০১৭ তারিখে এক তরুণী বনানী থানায় বাহাউদ্দিন ইভান নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন; যাহার মামলা নং-০৮ তাং ০৫ জুলাই ২০১৭ ইং। ঘটনাটি বিভিন্ন অনলাইন, প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে ব্যাপক হারে প্রচারিত এবং দেশব্যাপী সমালোচিত হয়। রুজুকৃত মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ আসামীকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে অভিযুক্তের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। ২।    উক্ত চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রেক্ষিতে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাবও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এলক্ষ্যে র‌্যাব অভিযুক্তের পিতা সহ নিকটবর্তী আত্বীয় স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে র‌্যাব কর্তৃক ঢাকার বহির্মুখী রাস্তা, রেল ও বাস স্টেশন, বিমানবন্দর এবং লঞ্চ টার্মিনালে নজরদারী বৃদ্ধির পাশাপাশি চেকপোষ্ট ও টহল পরিচালনা করে এবং একই সাথে র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-১১ কর্তৃক ইভানের বনানীর বাসা, চাঁদপুরের গ্রামের বাড়ি, ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও নারায়ণগঞ্জে তার নিকটবর্তী আত্মীয় স্বজনদের বাসা-বাড়ি এবং পরিচতদের বাসা বাড়ি নজরদারীর আওতায় আনা হয়। ৩।    এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৬ জুলাই ২০১৭ তারিখ বিকাল আনুমানিক ১৬৩০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল¬াস্থ পশ্চিম দেওভোগ (মাসদাইর বাজার) এলাকায় ইভানের খালার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত বাহাউদ্দিন ইভান (২৮)কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার ব্যাপারে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। ৪।    গ্রেফতারকৃত ইভান জানায় যে, পুলিশ কর্তৃক গত ০৫ জুলাই ২০১৭ তারিখ সকালে তার বাড়িতে অভিযান এর সময় গ্রেফতার এড়াতে ইভান বাড়ির ছাদে আত্মগোপন করেছিল। পরবর্তীতে পুলিশ বাড়ি ত্যাগ করলে সে সাধারণ পোষাকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। বাসা থেকে বের হয়ে সে বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করে। ঐদিন সন্ধ্যায় সে উত্তরার কাওলা এলাকায় যায়। এরপরে দক্ষিণখান এলাকায় তার এক আত্বীয়ের বাসায় গমন করে এবং রাত্রী যাপন করে। এরপর গত ০৬ জুলাই ২০১৭ তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে সে উত্তরা হতে নারায়ণগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। প্রথমে উত্তরা থেকে বাসে চড়ে গুলিস্তান হয়ে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া পৌছায়। তারপর সে তার খালার বাসা ২৬০/২ পশ্চিম দেওভোগ (মাসদাইর বাজার) ফতুল¬া নারায়ণগঞ্জে দুপুর আনুমানিক ১৪৩০ ঘটিকায়  আশ্রয় নেয়। ৫।    জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, অভিযুক্ত বাহাউদ্দিন ইভান (২৮), পিতা-মোঃ বোরহান উদ্দিন পেশায় একজন ব্যবসায়ী। গ্রেফতারকৃত ইভান ঢাকার ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করে। এরপর পড়াশুনা ছেড়ে দেয়। তারপর বনানীর ৮নং রোডে পিতার ইলেক্ট্রিক এর দোকানে বসত এবং দোকান দেখাশুনা করত। তার বিভিন্ন অপকর্মের কারনে ২০০৮ সালে অল্প বয়সে পরিবার তাকে বিয়ে করায়। তার পাঁচ বছর এবং দেড় বছর এর দুটি সন্তান রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এবং তার নিকট আত্মীয়দের কাছ থেকে জানা যায় যে, সে ২০০৫ সাল থেকে মাদক সেবন করে। ইতিপূর্বে সে ২ বার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিল বলে জানায়। এছাড়াও সে নারী সংক্রান্ত বিভিন্ন অপকর্মেও জড়িয়ে পড়ে। ৬।    গ্রেফতারকৃত আসামীকে ডিএমপি ঢাকার বনানী থানায় হস্তান্তর ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

র‌্যাবের অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী, বায়েজীদ এবং চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ভিওআইপি সামগ্রীসহ ০৩ জন গ্রেফতার।

১।    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের “ভিশন-২০২১” লক্ষমাত্রা অর্জন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক শক্তি হিসেবে র‌্যাব বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী চক্র অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে এবং ফলশ্রতিতে বাংলাদেশ সরকারও বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সাইবার অপরাধ দমন ও অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা বন্ধ করে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি কল্পে র‌্যাব সদা তৎপর। সূচনালগ্ন হতেই র‌্যাব এই পর্যন্ত বিপুল পরিমান অবৈধ ভিওআইপি সামগ্রী উদ্ধার পূর্বক ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসছে। ২।    এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানাধীন খাগড়াছড়ি রোডস্থ ফটিকছড়ি বাসষ্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে ফটিকছড়ি পৌরসভা, ৮নং ধরুং ওয়ার্ড, ১৫৯নং হোল্ডিং এর দোতলা বিশিষ্ট বিল্ডিং- এ কতিপয় অসাধু ব্যক্তি সরকারী কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভিওআইপি’র ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ০৮ জুলাই ২০১৭ ইং তারিখ ০৮০০ ঘটিকা  হতে ১৩০০ ঘটিকা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিটিআরসি এর সহকারী পরিচালক মোঃ কামরল হাসান ভুঁইয়া এর সহায়তায় বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ সালাউদ্দিন কাদের (৩৫), পিতা-মৃত হাজী শফিকুল ইসলাম, গ্রাম-হোল্ডিং-১৫৯, ৮নং ধুরং ওয়ার্ড, ফটিকছড়ি পৌরসভা, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করে। তাৎক্ষনিক আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী এবং বায়েজীদ থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী ২। মোঃ ইমন উদ্দিন (২১) পিতা- মৃত আফতাব উদ্দিন, গ্রাম-কাঞ্চননগর, থানা-ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রাম। এ/পি গ্রাম-হোল্ডিং-১৫৯, ৮নং ধুরং ওয়ার্ড, ফটিকছড়ি পৌরসভা, থানা ফটিকছড়ি, জেলা, চট্টগ্রাম, ৩। মোঃ আবু তালেব @ ছোটন (২৫), পিতা- মোঃ আমানুল্লাহ, গ্রাম- পূর্ব ডলই, পোষ্ট- খাটিরহাট, থানা- হাটহাজারী, জেলা- চট্টগ্রামদের’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে ঘটনাস্থল সমূহে তল্লাশী করে বিপুল পরিমান অবৈধ ভিওআইপি সামগ্রী উদ্ধার করে। যার মধ্যে ১০ টি চ্যানেল ব্যাংক/গেটওয়ে-১০টি (০১ ী ২৫৬ পোর্ট ,০১ ী ৩২ পোর্ট, ০১ ী ২৮ পোর্ট, ০১ ী ২০ পোট, ০৬ ী ১৬ পোর্ট), ০২টি ফ্লেক্সিলোড সার্ভার,  ০৬ টি টিপি লিংক রাউটার, ০১টি ডি-লিংক রাউটার, ০২টি কী-বোর্ড, ০১টি মাউস, ০৪টি পেনড্রাইভ, ১২টি ইন্টারনেট মডেম, ০৮টি ল্যাপটপ, ১১টি এয়ার কুলার, ০২টি সুইচ, ০১টি ট্যাব, ০৮টি বিভিন্ন ক্যাবল, ১৩টি বিভিন্ন চার্জার,  ১৩৯টি জিএসএম এ্যান্টিনা, ১২টি মোবাইল সেট, এবং বিভিন্ন কোম্পানির সীমকার্র্ড-৮৮১৬টি (গ্রামীণ- ৪৯টি, রবি-৪১৫, এয়ারটেল- ১৯৮৮টি, টেলিটক- ৬৩৬০টি এবং বাংলালিংক-৪) জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা করে আসছেন। উলে¬খ্য যে, উদ্ধারকৃত ভিওআইপি সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৬০,০০,০০০/- (ষাট লক্ষ) টাকা।

র‌্যাবের অভিযানে সাভার ও টাঙ্গাইল হতে টাঙ্গাইলের উত্তর হুগড়া এলাকায় রুবেল হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত ॥ মূল পরিকল্পনাকারীসহ উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ০৩ জন চরমপন্থী গ্রেফতার।

১।    র‌্যাব তার প্রতিষ্ঠালগ্ন হতেই খুন, অপহরণ, জঙ্গি দমন, ছিনতাই, চাঁদাবাজী, চুরি ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করাসহ দুঃষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে অপরাধ নির্মূলে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে এবং র‌্যাব ব্যাপকভাবে সফলতা অর্জন করেছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ সার্বক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব ইতোমধ্যে জনগনের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে দেশের সাম্প্রতিক জঙ্গিবাদ উত্থানরোধে র‌্যাব তার আভিযানিক কার্যক্রম আরো জোরদার করেছে। ২।    এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৮ জুলাই ২০১৭ তারিখ আনুমানিক ১৭০০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অভিযানে টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাধীন উত্তর হুগরার মৃত দুখুর উদ্দিনের ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া (১৯) হত্যা কান্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হয়েছে এবং উক্ত হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মোস্তফাসহ ০৩ চরমপন্থী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ধৃত (১) মোঃ মোস্তফা (৬২), পিতা-মৃত আবুল হোসেন, (২) মাসুদ (৩০), পিতা-মৃত মান্নান, (৩) মোঃ সেলিম (৩৫), পিতা-মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং পলাতক আসামী (৪) মোঃ ময়নাল (৩৫), পিতা-মৃত হোসেন আলী, (৫) মোঃ সাইফুল (২৮), পিতা-মোঃ সায়েদ আলী, সর্বসাং-উত্তর হুগড়া, থানা ও জেলা-টাঙ্গাইলগণ সকলেই অক্টোবর/২০১৫ সালে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত চরমপন্থী আকবর আলী ও মনু মিয়া গ্রুপের সদস্য। ধৃত আসামী মোস্তফা ও সেলিমকে উত্তর হুগড়া ও মাসুদকে শ্রীপুর, সাভার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩।    ঘটনার পারিপার্শি¦কতা, ধৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, রুবেলের পিতা দুখুর উদ্দিন আনুমানিক ৯/১০ বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর পরে রুবেল সংসারের হাল ধরার জন্য ঢাকা শহরে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। রুবেলের বাবার মৃত্যুর পর তার সৎ মা মোছাঃ জুলেখা বেগম (৪০) এর সাথে ০১নং আসামি মোঃ মোস্তফা সম্পর্ক করতে চায় এবং তার মাকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতে থাকে। এক পর্যায়ে মোস্তফা গোপনে রুবেলের মা’কে জোড়পূর্বক নিকাহ করে। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে রুবেলের সাথে ধৃত ০১ নং আসামী মোঃ মোস্তফার মনমালিন্যের সৃষ্টি হয় এবং রুবেল মোস্তফাকে বাড়ী ছেড়ে চলে যেতে বলে। তখন ধৃত ০১ নং আসামী সকলের সামনে ভিকটিম রুবেলকে হুমকি দেয় যে, “আমার এবং জুলেখার মাঝে যে বাধাঁ হয়ে দাড়াঁবে, তাকে আমি এ পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেব।” এরপর ধৃত ০১ নং  আসামি মোস্তফা তার পথের কাঁটা রুবেলকে মেরে ফেলার জন্য বিভিন্ন উপায় খুঁজতে থাকে। এদিকে গত রমজান মাসে রুবেল বাড়ীতে আসে এবং গত ঈদ উল ফিতরের কিছুদিন আগে রাতে উত্তর হুগড়া গ্রামে জনৈক মোঃ খলিল মিয়া (৩৭) এর চায়ের দোকানের সামনে কেরাম বোর্ড খেলাকে কেন্দ্র করে রুবেল এর সাথে একই গ্রামের মাসুদ, সেলিম, ময়নাল ও সাইফুলদের সাথে ঝগড়া হয়। উক্ত ঘটনা জানার পর ধৃত ০১ নং আসামী মোঃ মোস্তফা ২,৩,৪ ও ৫ নং আসামী মাসুদ, সেলিম, ময়নাল ও সাইফুলকে উসকানি দিতে থাকে, যেভাবেই হোক রুবেলকে শায়েস্থা করতে হবে। এরই ধারাবাহকতায় ধৃত ০১ নং আসামী মোঃ মোস্তফার নেতৃত্বে ২,৩,৪ ও ৫ নং আসামী মাসুদ, সেলিম, ময়নাল ও সাইফুলগণ মিলে গত ২৭ জুন ২০১৭ তারিখে উত্তর হুগড়া গ্রামের জনৈক নুর ইসলাম এর পোলট্রি ফার্মের সামনে সন্ধ্যার সময় রুবেলকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে। এসময় রুবেল হুগড়া মৌজাস্থ কাজী বাজারে অবস্থান করছিল। তখন আসামী মাসুদ, ময়নাল ও সাইফুল গত ২৭ জুন ২০১৭ তারিখ রাত্র আনুমানিক ০৯৩০ ঘটিকার সময় রুবেলকে কৌশলে টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাধীন উত্তর হুগড়া গ্রামের ঢোলবাড়ী ইরিদাগ এলাকায় চকের মধ্যে নিয়ে আসে। সেখানে আগে থেকেই ধৃত ০১ নং আসামী মোস্তফা ও ০৩ নং আসামী সেলিম অবস্থান করছিল। ৪।    রুবেলকে চকে নিয়ে আসারপর আসামী মোস্তফা, সেলিম, ময়নাল ও সাইফুল রুবেলকে হাত- পা চেপে ধরে এবং আসামী মাসুদ চাপাতি দিয়ে রুবেল এর দুই হাতে ও গলা কোপ মারে। রুবেল এর মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামিগণ ঢোলবাড়ী ইরিদাগের পাশে অবস্থিত সেলুমেশিনের ঘর হতে পুরাতন বস্তা এনে সেখানে রুবেলকে বস্তায় ভরে চর হুগড়া গ্রামের কাঁচা রাস্তার পশ্চিমে রাস্তার ধারে মাটি খুঁড়ে পুতে রেখে আসামিগণ পালিয়ে যায়। আসামিগণ ধারণা করেছিল মাটিতে পুঁতে রাখলে কেউ কোনদিন আসামিদের সন্ধান পাবেনা। উপরোক্ত হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মোস্তফা ভিকটিমের মা ও ভাই বোনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ফলে অদ্যাবধি ভিকটিমের স্বজনগণ মামলা দায়ের করেননি। ৬।    ধৃত আসামিগণ র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত হত্যাকান্ড কিভাবে সংঘটিত হয়েছে তার বর্ণনা দিয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সত্যতা স্বীকার করেছে। পলাতক অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে টাঙ্গাইল জেলার সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

র‌্যাবের অভিযানে সিলেটের ইসলামপুর বাজার থেকে ভূয়া র‌্যাব কর্মকর্তা গ্রেফতার।

১।    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি অপরাধ দমন, অবৈধ  অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, জঙ্গি দমন, সন্ত্রাস দমন, অপরাধীকে গ্রেফতার, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মানব পাঁচারকারী গ্রেফতার ও ভিকটিম উদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতায় ০৮ জুলাই ২০১৭ ইং তারিখ রাত ১০:৫৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৯, এর একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট জেলার শাহ্পরান থানার ইসলামপুর বাজারস্থ বিলাস হোটেলের সামনে  অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ইসলামপুর বাজার থেকে ০১(এক) জন ভুয়া র‌্যাব কর্মকর্তা পরিচয়দানকারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম ও ঠিকানা- মোঃ সেলিম আহম্মেদ (৩২), পিতা-আঃ ওহাব,মাতা-শাকিরুন আক্তার, গ্রাম-দেবপাড়া থানা-নবীগঞ্জ, জেলা-হবিগঞ্জ ।  বর্তমানে কাপ্তান মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া গার্ডেন ভিউ ৭৫ নং বাসা, থানা-শাহ্পরান(রাঃ), জেলা-সিলেট।  উল্লেখ্য যে, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবৎ র‌্যাবের উর্ধতন কর্মকর্তা পরিচয়ে চবলপুর ও ইসলামপুর এলাকার সাধারন লোকজনের নিকট থেকে প্রতারণামূলক অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। সে গ্রামের সহজ সরল সাধারন মানুষকে চাকুরী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের নিকট থেকে টাকা আতœসাৎ করে আসছিল।  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নিকট হতে ০১ (এক)টি র‌্যাবের ভূয়া আইডি কার্ড,০১ (এক)টি পুলিশের ভূয়া আইডি কার্ড , এবং ০১ (এক) টি সাংবাদিকের ভূয়া আইডি কার্ড পাওয়া যায়।  সেলিম আহম্মেদকে গ্রেফতার করায় স্থানীয় এলাকাবাসি স্বস্তি প্রকাশ করেছে। গ্রেফতারকৃত  আসামীকে  সিলেট জেলার  শাহপরান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ২।    আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

র‌্যাবের অভিযানে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস এলাকা হতে ৩০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ॥ মাদক পরিবহনে ব্যবহƒত লবন বোঝাই ট্রাক জব্দ ।

১।    বর্তমানে আমাদের দেশের যুব সমাজের অধঃপতনের অন্যতম প্রধান কারণ মাদকাসক্তি। দেশের যুবসমাজের একটি বড় অংশ আশংকাজনকভাবে মাদক হিসেবে ব্যবহৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদকের টাকা জোগাড়ের জন্য মাদকাসক্ত যুব সমাজ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষার জন্য র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশব্যাপী বিভিন্ন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে যা দেশের সর্বস্তরের জনসাধারন কর্তৃক ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। ২।    বেশ কিছু দিন ধরে একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা সরবরাহ করে আসছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুলাই ২০১৭ তারিখ ১১০০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকা এর একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, এই চক্রটি ট্রাক নং (ঢাকা মেট্রো-ট, ১৮-৪৮৬২) এ করে লবণ পরিবহনের আড়ালে ইয়াবার একটি বড় চালান কক্সাজার লিংক রোড এলাকা থেকে রাজশাহীতে নিয়ে যাচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে গত ১২ জুলাই ২০১৭ তারিখ সকাল ১০০০ ঘটিকা হতে গাজীপুরের টংগী স্টেশন রোড, ভোগরা বাইপাস ও তুরাগ থানাধীন বেড়ীবাঁধ এলাকায় আভিযানিক দলটি উক্ত ট্রাকটির আগমন ও গতিবিধি অনুসরণ করার লক্ষ্যে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে গতকাল বিকাল অনুমান ১৭০০ ঘটিকার সময় ইয়াবা চালানের কাজে ব্যবহৃত লবন বোঝাই ট্রাকটির অবস্থান ভোগরা বাইপাস এলাকায় সনাক্ত করা সম্ভব হয়। র‌্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল মোগড় খাল হাজী মার্কেট মক্কা হতে নাঈম হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামনে এলাকায় তাৎক্ষনিকভাবে উক্ত ট্রাকটির গতিরোধ করলে মাদক ব্যবসায়ী (১) মোঃ তমিজ উদ্দিন (৪৫), পিতা- মৃত একাব্বর আলী, সাং- ভিন্নাহালী, থানা ও জেলা- টাংগাইল, (২) মোঃ সমুন আলী (৩২), পিতা- রব জাহান আলী, সাং- গোবিন্দপুর, থানা- রাজপাড়া, জেলা- রাজশাহীদের’কে গ্রেফতার করে এবং (৩) মোঃ হায়াত আলী, পিতা- অজ্ঞাত, সাং- কাটাখালী, জেলা- রাজশাহী কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ৩।    গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের দেহ তল্লাশী করে মোঃ তমিজ উদ্দিন এর লুঙ্গির নীচে পরিহিত জাঙ্গিয়ার পকেট হতে নীল রংয়ের ছোট প্যাকেট ভর্তি ২,০০০ (দুই হাজার) পিস ও মোঃ সমুন আলী এর কোমরে লুঙ্গির কুচের ভেতর কৌশলে রক্ষিত নীল রংয়ের প্যাকেট ভর্তি ২,০০০ (দুই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেয়া তথ্যমতে ট্রাক চালকের সীটের নীচে কৌশলে লুকানো অবস্থায় ছোট ছোট নীল রংয়ের প্যাকেট ভর্তি ২৬,০০০ (ছাব্বিশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রির নগদ ১৫,৩০০/- (পনের হাজার তিনশত) টাকা এবং ০৩ টি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য-১,৫০,০০০০০/-( এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা। র‌্যাবের অভিযানে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস এলাকা হতে ৩০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ॥ মাদক পরিবহনে ব্যবহƒত লবন বোঝাই ট্রাক জব্দ । ১।    বর্তমানে আমাদের দেশের যুব সমাজের অধঃপতনের অন্যতম প্রধান কারণ মাদকাসক্তি। দেশের যুবসমাজের একটি বড় অংশ আশংকাজনকভাবে মাদক হিসেবে ব্যবহৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদকের টাকা জোগাড়ের জন্য মাদকাসক্ত যুব সমাজ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষার জন্য র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশব্যাপী বিভিন্ন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে যা দেশের সর্বস্তরের জনসাধারন কর্তৃক ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। ২।    বেশ কিছু দিন ধরে একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা সরবরাহ করে আসছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুলাই ২০১৭ তারিখ ১১০০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকা এর একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, এই চক্রটি ট্রাক নং (ঢাকা মেট্রো-ট, ১৮-৪৮৬২) এ করে লবণ পরিবহনের আড়ালে ইয়াবার একটি বড় চালান কক্সাজার লিংক রোড এলাকা থেকে রাজশাহীতে নিয়ে যাচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে গত ১২ জুলাই ২০১৭ তারিখ সকাল ১০০০ ঘটিকা হতে গাজীপুরের টংগী স্টেশন রোড, ভোগরা বাইপাস ও তুরাগ থানাধীন বেড়ীবাঁধ এলাকায় আভিযানিক দলটি উক্ত ট্রাকটির আগমন ও গতিবিধি অনুসরণ করার লক্ষ্যে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে গতকাল বিকাল অনুমান ১৭০০ ঘটিকার সময় ইয়াবা চালানের কাজে ব্যবহৃত লবন বোঝাই ট্রাকটির অবস্থান ভোগরা বাইপাস এলাকায় সনাক্ত করা সম্ভব হয়। র‌্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল মোগড় খাল হাজী মার্কেট মক্কা হতে নাঈম হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামনে এলাকায় তাৎক্ষনিকভাবে উক্ত ট্রাকটির গতিরোধ করলে মাদক ব্যবসায়ী (১) মোঃ তমিজ উদ্দিন (৪৫), পিতা- মৃত একাব্বর আলী, সাং- ভিন্নাহালী, থানা ও জেলা- টাংগাইল, (২) মোঃ সমুন আলী (৩২), পিতা- রব জাহান আলী, সাং- গোবিন্দপুর, থানা- রাজপাড়া, জেলা- রাজশাহীদের’কে গ্রেফতার করে এবং (৩) মোঃ হায়াত আলী, পিতা- অজ্ঞাত, সাং- কাটাখালী, জেলা- রাজশাহী কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ৩।    গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের দেহ তল্লাশী করে মোঃ তমিজ উদ্দিন এর লুঙ্গির নীচে পরিহিত জাঙ্গিয়ার পকেট হতে নীল রংয়ের ছোট প্যাকেট ভর্তি ২,০০০ (দুই হাজার) পিস ও মোঃ সমুন আলী এর কোমরে লুঙ্গির কুচের ভেতর কৌশলে রক্ষিত নীল রংয়ের প্যাকেট ভর্তি ২,০০০ (দুই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেয়া তথ্যমতে ট্রাক চালকের সীটের নীচে কৌশলে লুকানো অবস্থায় ছোট ছোট নীল রংয়ের প্যাকেট ভর্তি ২৬,০০০ (ছাব্বিশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রির নগদ ১৫,৩০০/- (পনের হাজার তিনশত) টাকা এবং ০৩ টি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য-১,৫০,০০০০০/-( এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা।

র‌্যাবের অভিযানে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা হতে নৌবাহিনীর ভূয়া নিয়োগ প্রতারক চক্রের মূল হোতা মোঃ জসিম উদ্দিন @ আশরাফ (৪২) গ্রেফতার।

১।     বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রান্তিলগ্নে“বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই শ্লোগান নিয়ে জন্ম হয়  র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর । প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র‌্যাব বাংলাদেশের মানুষের কাছে আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক। বিভিন্ন ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধের স্বরূপ উৎঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার কারনেই এই প্রতিষ্ঠান মানুষের কাছে আস্থা ও নিরাপত্তার অন্য নাম হিসেবে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে অপরাধীরা বিভিন্ন অপরাধ করছে তার মধ্যে প্রতারণা ও জাল জালিয়াতি অন্যতম। র‌্যাব তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জঙ্গি, সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্র, অপহরণ,প্রতারণা ও জালিয়াতিসহ  বিভিন্ন প্রকার অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থানে থেকে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে যা দেশের সর্বস্তরের জনসাধারন কর্তৃক ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। ২।     এরই ধারাবাহিকতায় নৌ বাহিনীর ভূয়া নিয়োগ প্রতারক চক্রের মূল হোতা মোঃ জসিম উদ্দিন @ আশরাফ (৪২) কে চট্টগ্রাম পতেঙ্গা থেকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪। চক্রটি ২০১১ সাল থেকে নৌ বাহিনীতে নিয়োগ প্রদানের আশ্বাসে সারাদেশ ব্যাপী তাদের প্রতারনা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার ১০ (দশ)  জন ব্যক্তির কাছ থেকে তারা এক কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নেয়। ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব অনুসন্ধানে নেমে এই প্রতারক চক্র সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করে। ০৮ (আট) সদস্য বিশিষ্ট প্রতারক চক্রটি সারাদেশে তাদের নিয়োগকৃত দালালের মাধ্যমে সাধারণ চাকুরী প্রার্থীদের কাছে চাকুরী প্রদানের বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ও ডকুমেন্ট প্রদর্শনের মাধ্যমে আস্থা অর্জন করত। চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন বিলাসবহুল হোটেল ও স্থাপনায় ভূয়া পরীক্ষাবোর্ড  স্থাপন করে চাকুরী প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগপত্র প্রদান করত। নৌ বাহিনীর বিভিন্ন পদবীর অফিসারের পোষাকে সজ্জিত হয়ে তারা এই প্রতারনা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। সারা বাংলাদেশে শতাধিক চাকুরী প্রার্থীকে বোকা বানিয়ে চক্রটি এ পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এর মূল হোতা ধৃত মোঃ জসিম উদ্দিন @ আশরাফ (৪২), পিতা-মৃত ফজলুল করিম, গ্রাম-কুনিয়ানগর, পোষ্ট-মসলিমাবাদ, থানা ও জেলা-লক্ষীপুর, নৌ বাহিনীর একজন চাকুরিচ্যুত প্রাক্তন এ্যাবল সিম্যান (ল্যান্স কর্পোরাল)। গত বছর অবৈধ অস্ত্র বহন এবং মাদক সেবনের দায়ে নৌ বাহিনী হতে তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়। চক্রটিতে নৌ বাহিনীর চাকুরিচ্যুত আরো একাধিক প্রাক্তন সদস্য আছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। তাদের ধরতে র‌্যাবের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রতারনার আরো একটি মামলা ঢাকা সিআইডি’তে তদন্তাধীন আছে।

পাচারকালে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন নয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫৫ মেট্রিক টন সরকারী চালভর্তি ০৭টি ট্রাক এবং হালিশহর সরকারী খাদ্যগুদামের ম্যানেজার প্রণয়ন চাকমাসহ ০৫ জ গ্রেফতার।

১।    র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। র‌্যাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, ডাকাত, খুনি, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণ ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ২।    এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, হালিশহর সিএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার প্রনয়ন চাকমা এবং সহকারী ম্যানেজার ফকরুল আলম এর যোগসাজশে চট্টগ্রাম সরকারী খাদ্য গুদাম হতে সরকরী চাল পাচার করছে।  উক্ত সংবাদের ভিক্তিতে অদ্য ১৮ জুলাই ২০১৭ ইং তারিখ ০২৪৫ ঘটিকার সময় র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন নয়াবাজার বিশ্বরোডের মোড়, হাক্কানী পেট্রোল পাম্পের সামনে অভিযান চালিয়ে ০৪টি ট্রাকভর্তি ১,১৫২ বস্তা সরকারী চালসহ (ঢাকা মেট্টো-ট-১৪-৪১৫৯, ফেনী ট-০২-০০৫৪, ঝিনাইদ্হ-ট-০২-০১৯০ এবং ঢাকা মেট্টো-ট-১১-৩৬৯৬) আসামী ১। সামছুল হুদা  @ আবুল হোসেন (৪৮), পিতা-মৃত কালা মিয়া, গ্রাম-কৃষ্ণপুর বেলাল মেম্বারের বাড়ি, ইউপিঃ ১১ নং নেমপুর, থানাঃ সদর, জেলাঃ নোয়াখালী, এ/পি সাবের এর বাসা, ৩৬ নং ওয়ার্ড নিমতলা, থানাঃ বন্দর, জেলাঃ চট্টগ্রাম, ২। মিজান (২২), পিতা-মৃত আলী আহম্মদ, গ্রাম-লক্ষ্যারচর, থানাঃ কর্ণফুলী, জেলাঃ চট্টগ্রাম, ৩। শফি আলম (২৭), পিতাঃ মোঃ হারুন, গ্রাম- চরপাড়া, ইউপিঃ ৯নং চরপাড়া, থানাঃ দৌলতপুর, জেলাঃ ভোলা, এ/পি- জাহাঙ্গীর এর ভাড়া ঘর, টিন শেড বিল্ডিং ৩য় রুম, থানাঃ কর্ণফুলী, জেলাঃ চট্টগ্রাম, ৪। মোঃ ওসমান (৪৫), পিতাঃ মৃত আঃ রহিম, গ্রামঃ দক্ষিন কাশীপুর সওদাগার বাড়ী, থানাঃ বেগমগঞ্জ, জেলাঃ নোয়াখালী, এ/পি- মাদার বাড়ী, টিনশেড, থানাঃ সদর ঘাট, জেলাঃ চট্টগ্রাম’দেরকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানাধীন সিটি গেইট সংলগ্ন ঈগল টেক্সটাইল গোডাউনে অভিযান চালিয়ে চাল আনলোড করার সময় আরও ০৩টি ট্রাকে (চট্ট মেট্টো-ট-০২-০৭৫১, চট্ট মেট্টো-ট-১৪-১৯৪০ এবং চট্ট মেট্টো-ট-১৪-৩০৭০) চালভর্তি ৮৪৬ বস্তা এবং গুদাম হতে ইতিমধ্যে আনলোড করা ১,০৯৮ বস্তাসহ সর্বমোট ৩,০৯৬ বস্তা (১৫৫ মেট্রিক টন) সরকরী চাল আটক করা হয়। এসময় পাচারে জড়িত হালিশহর সিএসডি গুদামের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার প্রনয়ন চাকমা @ মনি কৃষ্ণ (৫৭), পিতাঃ বাউবলিচান চাকমা, গ্রামঃ বানছুরা, থানাঃ দীঘিনালা, জেলাঃ খাগড়াছড়ি, এ/পি- সিএসডি সরকারী কোয়ার্টার, ম্যানেজার কোয়ার্টার, বিজিবির হেডকোয়ার্টারের দক্ষিন পার্শ্বে, থানাঃ হালিশহর, জেলাঃ চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করা হয় এবং সহকারী ম্যানেজার ফকরুল আলম পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

র‌্যাবের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমান পাইরেটেড ও অশ্লীল অডিও ভিডিও সিডি এবং সিডি তৈরী ও ভিডিও প্রদর্শনীর সরঞ্জামাদিসহ পাইরেসি চক্রের ১৮ জন সদস্য গ্রেফতার

১।    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আইন শৃংখলা রক্ষা, বিচার বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন কিংবা জনগণের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের সুষ্ঠ বিকাশে অশ্লীলতা ও ভিডিও-অডিও পাইরেসীর মূলোৎপাটনে সদা সচেষ্ট। চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম ও লাভজনক শিল্প। “সমাজের দর্পন’’ এই শিল্প। আমাদের মননশীলতার বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সমাজ ও জাতি গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, চলচ্চিত্র শিল্পের অশ্লীলতা বাংলাদেশের এই ঐতিহ্যমন্ডিত শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। একই সাথে ভিডিও পাইরেসীর ফলে এই শিল্পে লগ্নিকারীরাও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ফলে সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা বহুমুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। অন্যদিকে অডিও পাইরেসির কারনে মিউজিক ইন্ডাষ্ট্রিও মুখ থুবড়ে পড়েছে। গায়ক/গায়িকারা যেমন হারিয়ে ফেলছে তাদের উৎসাহ তেমনি আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ২।    র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও ব্যাটালিয়ন সমূহের তৎপরতায় ইতিপূর্বে র‌্যাব ফোর্সেস কর্তৃক পাইরেসী ও অশ্লীলতার সাথে সম্পৃক্ত ডন বিপ্লব, পাইরেসী তুষার, মোঃ বনি ইসলাম ওরফে নোবেল সহ আড়াই হাজার সংশ্লিষ্ট অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সংক্রান্তে মামলা হয়েছে ৭৯৩টি, উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমান সিডি/ডিভিডি ও একাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি। ৩।    গত ০২ ফেব্রুয়ারি ও ০৫ মার্চ ২০১৭ তারিখ র‌্যাব-১১ কর্তৃক নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা ও সদর থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পর্ণোগ্রাফি ও পাইরেসী চক্রের ১৩ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ২৬ টি মনিটর, ২৬ টি সিপিইউ, ০৪টি কী-বোর্ড, ০২ টি মাউস ও ০১ টি ল্যাপটপ এবং বিপুল পরিমাণ স্যাটেলাইট সম্প্রচারের ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। উক্ত পাইরেসী চক্রটি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্যাবল অপারেটর/ব্যক্তিগত ডিস দ্বারা তাদের সম্প্রচার গ্রাহকদের কাছে পৌছে দিত। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় ও সদ্যপ্রাপ্ত মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর পাইরেটেড কপি সংগ্রহ করতঃ এবং তা প্রচার করত। তাদের অন্যতম ব্যবসা ছিল বিভিন্ন হারবাল সামগ্রীকে মুখরোচক ও কুরুচিপুর্ণ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জনপ্রিয় করা এবং নিরীহ মানুষদের বিভ্রান্ত করা। ৪।    গোয়েন্দা তথ্য হতে র‌্যাব জানতে পারে যে, উপরে বর্ণিত চক্রের পাশাপাশি বাংলাদেশের আরও কয়েকটি সংঘবদ্ধ দল সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা সিনেমার স্বত্ত ক্রয় ছাড়াই পাইরেসি করে সংশ্লিষ্ট সিনেমার নির্মাতা/প্রোযোজক এবং চিত্রশিল্পীদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে আসছে। পাইরেসি ও অশ্লীলতার বিরুদ্ধে চলমান তৎপরতার ধারাবাহিকতায় গত ১৮ জুলাই ২০১৭ তারিখ ২০০০ ঘটিকা হতে ১৯ জুলাই ২০১৭ তারিখ ০৩৩০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব-১১ ও  চলচ্চিত্রে অশ্লীলতা ও পাইরেসি বিরোধী টাস্কফোর্স ৩নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ থানাধীন কাঁচপুর লাভলী সিনেমা হল ও আমন্ত্রণ সিনেমা হলসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পর্ণোগ্রাফি ও পাইরেসী চক্রের সদস্য লাভলী সিনেমা হল এর প্রজেক্টর চালক ১। মনির হোসেন (৪৫), পিতা-মৃত রহিম উদ্দিন, সাং-চনপাড়া, থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ও ১ অন্যান্য সদস্য ২। মোঃ শরীফ (২৭), পিতা-মৃত রাজিউল রহমান, সাং-মানিকদী, থানা-শিবপুর, জেলা-নরসিংদী, এ/পি সাং-সোনাপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ৩। লালচান (২৫), পিতা-রহমান মির্জা, সাং-পূর্ব সৈয়দকাঠি, থানা-বাংরিপাড়া, জেলা-বরিশাল, এ/পি-সাং-সোনাপুর কাঁচপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ৪। আরিফ (২১), পিতা-মোঃ জসিম, সাং-খানপাড়া, থানা-কোতয়ালী, জেলা-কুমিল্লা, এ/পি সাং-সোনাপুর, কাঁচপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ৫। খন্দকার মিজানুর রহমান (৪৯), পিতা-মৃত তোজাম্মেল হক, সাং-হাড়িয়াবাড়ি, থানা-ইসলামপুর, জেলা-জামালপুর,  এ/পি সাং-পশ্চিম বেহাকৈর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ৬। মাসুম (১৯), পিতা-মোঃ সালাম, সাং-সেনপাড়া কাঁচপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ , ৭। সোহাগ ত্রিপুরা (২৩), পিতা-বিপুল ত্রিপুরা, সাং-বহুরিয়া, থানা ও জেলা-চাঁদপুর, এ/পি সাং-সোনাপুর, কাঁচপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ৮। লিমন (২০), পিতা-মৃত আতাব উদ্দিন, সাং-সোনাপুর, কাঁচপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ৯। মোঃ ফয়সাল (২৪), পিতা-মোঃ মোতালেব হোসেন, সাং ও থানা ডামুড্যা, জেলা-শরীয়তপুর, এ/পি সাং-সোনাপুর, কাঁচপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ১০। রানা (২০), পিতা-রবিউল, সাং-সোনাপুর, কাঁচপুর, থানা-সোনারগাঁও, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ১১। আব্দুল্লাহ হাসনাত রাহাত (২৪), পিতা-আব্দুল করিম, সাংÑরাধানগর, থানা-বাঞ্ছারামপুর, জেলা-বি-বাড়িয়া, এ/পি সাং-পশ্চিম সানারপাড় চৌরাস্তা, থানা-ডেমরা, জেলা-ডিএমপি, ঢাকা, ১২। মোঃ জিহাদ (২৭), পিতা-মোঃ আবুল কাশেম, সাং-সরদারপাড়া মাজার রোড, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ১৩। মোঃ সোহেল (২৯), পিতা-জিন্নাত আলী মোল্লা, সাং-পূর্ব বক্স নগর মনু মিয়া মার্কেট, সানারপাড়া, থানা-ডেমরা, জেলা-ডিএমপি, ঢাকা, ১৪। মোঃ রাসেল (২৬), পিতা-মোঃ সামছুল হক, সাং-পশ্চিম রতনপুর, থানা-মেহেদীগঞ্জ, জেলা-বরিশাল, এ/পি সাং-মিজমিজি বাতেন পাড়া, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ১৫। মোঃ জাকির হোসেন (২৬), পিতা-হুমায়ুন কবির, সাং-ছাইলো রোড, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ১৬। শাহ আলম (১৮), পিতা-সালাম, সাং-মিজমিজি নতুন মহল্লা (রহিম মেম্বারের ওয়ার্কশপ), থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ১৭। মোঃ জাকির হোসেন (৪৩), পিতা-মৃত সুলতান আহম্মেদ, সাং-মিনারবাড়ী, থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ১৮। মোঃ রফিকুল ইসলাম (২৪), পিতা-মোঃ এবাদুল্লাহ, সাং-নওহাটা, থানা-হাজীগঞ্জ, জেলা-চাঁদপুর, এ/পি সাং-চিটাগাং রোড শিমরাইল, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে বেশ কয়েকজন সদস্য পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ২৭ টি মনিটর, ৩০ টি সিপিইউ, ১৭ টি বীড বক্স, ৩২ টি স্পীকার, ১৯ টি কীবোর্ড, ১৯ টি মাউস, ০২ টি প্রজেক্টর, ৩৪৮৫ টি সিডি, বেশকিছু পেনড্রাইভ, কার্ড রিডার ও মেমোরী কার্ড উদ্ধার করা হয়। ৫।    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তারা এবং তাদের অন্যান্য সহযোগীরা সিনেমা হলে গোপন ক্যামেরায় সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলো ধারণ করে নকল/কপি করতঃ তা বিক্রির সাথে জড়িত। একাজে কোন কোন সিনেমা হলের কর্মচারী বা মালিকরা তাদের সহায়তাও করে। তারা বিভিন্ন মিউজিক্যাল ষ্টুডিও এবং এ্যাডফার্মের কলাকুশলীদের সাথে যোগাযোগ রাখে এবং তাদের নিকট হতে নতুন মিউজিক ভিডিও সমূহ সংগ্রহ করে। এ সকল ভিডিওর সাথে তারা অশ্লীল ছবির অংশ সংযোগ করে নতুন করে সিডি তৈরী করে বাজারে ছাড়ে। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন নায়ক-নায়িকা ও সাধারণ ফেসবুক ব্যবহার কারীদের ছবি %  

র‌্যাবের অভিযানে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার আহম্মদপুর এলাকা হতে শীর্ষ মাদক স¤্রাট শহীদ ও তার ০৪ সহযোগী গ্রেফতার ॥ ০১টি বিদেশী রিভলবার, ০২ রাউন্ড গুলি, ৭,৬০০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৪৪ গ্রাম হেরোইন এবং মাদক বিক্রির নগদ ৪,৩০,৫০০- টাকা উদ্ধার।

১।    বর্তমানে আমাদের দেশের যুব সমাজের অধঃপতনের অন্যতম প্রধান কারণ মাদকাসক্তি। দেশের যুবসমাজের একটি বড় অংশ আশংকাজনকভাবে মাদক হিসেবে ব্যবহৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদকের টাকা জোগাড়ের জন্য মাদকাসক্ত যুব সমাজ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষার জন্য র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশব্যাপী বিভিন্ন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে যা দেশের সর্বস্তরের জনসাধারন কর্তৃক ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। ২।    এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৯, দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী, “ইয়াবা ও হেরোইন স¤্রাট শহীদ”কে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানা যায় যে, সে ও তার সহযোগীরা সিলেটসহ অন্যান্য এলাকায় বিভিন্ন প্রকারের মাদকদ্রব্য পাইকারী হিসেবে বিক্রি করে আসছিল। যা পর্যায়ক্রমে পুরো সিলেটে ও আশেপাশের জেলায় সরবরাহ করে আসছিল। শহীদের আস্তানায় যুবক থেকে শুরু করে নারীসহ সব বয়সের মাদকসেবীরা মাদক সেবন করতে আসত। মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধের দায়ে সে বেশ কয়েকবার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে জেলে যায়। কিন্তু জেল থেকে সে বের হয়ে এসে পুনঃরায় একইভাবে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। এক্ষেত্রে তার স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও জড়িত। মাদক সংক্রান্ত কলহের জেরে গত ১৮ মার্চ ২০১৭ তারিখে শহীদের শাশুড়ী ললি বেগম খুন হয়। র‌্যাব-৯, সিলেট এর একটি আভিযানিক দল গত ১৮ জুলাই ২০১৭ তারিখ ১৩০০ ঘটিকায় এসএমপি’র দক্ষিণ সুরমা থানার আহম্মদপুরের নিজ বাড়ি থেকে বিপুল পরিমান ইয়াবা, হেরোইন ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা এবং তার স্ত্রীসহ ০৪ সহযোগীকে গ্রেফতার করে। র‌্যাবের হাতে আটক হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে তার কাছে বিদেশী রিভালভার ও গুলি রয়েছে। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক র‌্যাব-৯, এর একটি দল তাকে সঙ্গে নিয়ে রাতে অভিযান চালিয়ে তার নিজ বাসা হতে ০২ রাউন্ড গুলিসহ ০১ টি বিদেশী রিভলবার উদ্ধার করে। সম্পূর্ন অভিযানে ০১টি বিদেশী রিভলবার, ০২ রাউন্ড গুলি, ৭৬০০ পিস ইয়াবা ও ৩৪৪ গ্রাম হেরোইন এবং মাদক বিক্রির নগদ ৪,৩০,৫০০/- (চার লক্ষ ত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা) সহ ০৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত মাদক অভিযানে গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো  (১) মোঃ শহীদুল ইসলাম @ শহীদ (৩৫), পিতা- মোঃ দুলাল মিয়া, গ্রাম-তেলীবাজার, আহম্মদপুর, থানাঃ দক্ষিণ সুরমা, জেলাঃ সিলেট, (২) মোছাঃ শিউলী আক্তার @ বুলু (২৮), স্বামীঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম, গ্রাম-তেলীবাজার, আহম্মদপুর, থানাঃ দক্ষিণ সুরমা, জেলাঃ সিলেট, (৩) মোঃ জালাল মিয়া (৩৫), (৪) মোঃ হেলাল উদ্দিন (৩০), (৫) মোঃ সাগর আহম্মেদ (১৮), সর্ব পিতাঃ মৃত হান্নান মিয়া, গ্রাম-গোপালপুর, থানাঃ নবীনগর, জেলাঃ বি-বাড়িয়া, বর্তমানে-তেলীবাজার, আহম্মদপুর, থানাঃ দক্ষিণ সুরমা, জেলাঃ সিলেট। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামীরা লোকচক্ষুর অন্তরালে দীর্ঘদিন যাবৎ সিলেট জেলায় মাদক ব্যবসা করে আসছে।

র‌্যাবের অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানাধীন বাগানবাড়ি এলাকা হতে সরকারী চাল পাচারকালে ২৭০ বস্তা (১৩.৫ মেট্রিক টন) সরকারী চালভর্তি ০১টি ট্রাক উদ্ধার।

১।    র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। র‌্যাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ডাকাত, খুনি, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ২।    র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, হালিশহর সিএসডি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার প্রনয়ন চাকমা এবং সহকারী ম্যানেজার ফকরুল আলম এর যোগসাজশে চট্টগ্রাম সরকারী খাদ্য গুদাম হতে সরকরী চাল পাচার করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৮ জুলাই ২০১৭ ইং তারিখ চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন নয়াবাজার বিশ্বরোডের মোড়, হাক্কানী পেট্রোল পাম্পের সামনে হতে এবং আকবরশাহ থানাধীন সিটি গেইট সংলগ্ন ঈগল টেক্সটাইল গোডাউন হতে ০৭ টি ট্রাক আটকপূর্বক ৩,০৯৬ বস্তা (১৫৫ মেট্রিক টন) সরকারী চাল উদ্ধার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম আবারও জানতে যে, হালিশহর সিএসডি সরকারী খাদ্য গুদাম হতে ০১টি ট্রাকে করে সরকরী চাল আবারও পাচার করছে। উক্ত সংবাদের ভিক্তিতে অদ্য ১৯ জুলাই ২০১৭ ইং তারিখ ১৭৩০ ঘটিকার সময় র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানাধীন বাগানবাড়ি রোড এলাকায় অভিযান করাকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাকের চালক ট্রাকটি রাস্তার পাশে থামিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় র‌্যাব সদস্যরা ট্রাকটি (যশোর-ট-০২-০১৭৯) আটক করে ২৭০ বস্তা (১৩.৫ মেট্রিক টন) সরকারী চাল উদ্ধার করে।