সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানাধীন এলাকা হতে অপহরনের ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিম উদ্ধারসহ অপহরনকারী ০৪ জন গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর পল্লবী এলাকা হতে মেট্রো রেল প্রকল্পের মালামাল চুরির সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ২ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪ঃ চোরাইকৃত মালামালসহ একটি পিকআপ ও সিএনজি জব্দ। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর শ্যামপুর থানা এলাকা হতে ০২ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসহ ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি বিদেশী রিভলবার, ০১ টি ম্যাগাজিন, ০৪ রাউন্ড গুলি এবং ১৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকা হতে চোরাইকৃত ১১,৩১০ লিটার ডিজেল উদ্ধারসহ ০১ জন চোরাকারবারী আটক। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকা হতে ০১ টি থ্রি কোয়ার্টার এলজি, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১ টি চাকু এবং ০১ টি দা’সহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আটক। ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার। ✱ র‌্যাব-৯, সলিটে এর অভযিানে মৌলভীবাজার জলোর সদর থানা এলাকা হতে ৫৮৬ পসি ইয়াবা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রফেতার। ✱ র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা হতে ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে ০১ চাঁদাবাজ গ্রেফতার ✱

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে ০২ জন চাঁদাবাজ গ্রেফতার।

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ রাত ২১:০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাহেবপাড়া এলাকায় চাঁদাবাজ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১। মোঃ জসীম উদ্দীন (৪৫) এবং ২। মোঃ মামুন মোল্লা (২৪) কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির নগদ ১১,৬০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।     প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবত নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাহেবপাড়া সাকিনস্থ বাংলাদেশ ফার্নিচার মার্কেট এলাকায় বিভিন্ন দোকানদারদেরকে বলপূর্বক গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক দোকান প্রতি দৈনিক ২৫০/- থেকে ৩০০/- টাকা করে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছিল। চাঁদাবাজ দমনে র‌্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।     উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে ১৭৮৫ পিস ইয়াবা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ ১৩:১৫ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল অতিঃ পুলিশ সুপার বসু দত্ত চাকমা এবং সিনিয়র এএসপি মোঃ লুৎফুর রহমান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানাধীন কুলাউড়া পৌরসভাস্থ মনসুর রোড সংলগ্ন ‘‘মা ফানিচার‘‘ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে ক। ১৭৮৫ পিস ইয়াবাসহ মোঃ লুৎফুর রহমান (৩৫), পিতা- মৃত লতিব আলী, সাং- পূর্বসাতকরা কান্দি, থানা- বড়লেখা, জেলা-মৌলভীবাজার’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের লক্ষ্যে জব্দকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) এর ১০ (খ)/ ৪১ ধারা মূলে মামলা দায়ের পূর্বক হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জ হতে ০১ চাঁদাবাজ গ্রেফতার

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে সন্ধ্যায় র‌্যাব-১১, সিপিএসসি এর বিশেষ অভিযানে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় ফুটপাতে ভাসমান দোকানে চাঁদাবাজি করার সময় ০১ জন চাঁদাবাজ’কে হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত চাঁদাবাজ হলো ১। মোঃ আলাউদ্দিন হাওলাদার (৬১)। এ সময় তার দখল হতে চাঁদাবাজির নগদ ১,৭৬০/- টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ আলাউদ্দিন হাওলাদার পটুয়াখালী জেলার দুমকি থানাধীন লেবুয়াখালী এলাকার মৃত আঃ রহমান এর ছেলে।     উপস্থিত স্বাক্ষী, একাধিক দোকান মালিক এবং গ্রেফতারকৃতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী চাঁদাবাজ চক্রের সক্রিয় সদস্য। সে দীর্ঘদিন যাবৎ নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় ফুটপাতে ভাসমান দোকান মালিকদের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক দোকানপ্রতি ১০০/- টাকা থেকে ১৫০/-টাকা করে চাঁদা আদায় করে আসছিল। একাধিক দোকান মালিকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ও স্থানীয় জনসাধারণের কাছ থেকে জানা যায়, কোন দোকান মালিক চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাদের মারধরসহ জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে আসছিল। চাঁদাবাজি বন্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।      উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।   

র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্প কর্তৃক ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা হতে ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

র‌্যাব-৮, সিপিসি-২, ফরিদপুর ক্যাম্প গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ০১ জন  মাদক ব্যবসায়ী মাগুরা- ফরিদপুর মহাসড়ক ব্যবহার করে সোহাগ পরিবহন যোগে মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট এর একটি চালান নিয়ে ফরিদপুর এর উদ্দেশ্যে গমন করেছে। এ বিষয়ে ফরিদপুর র‌্যাব ক্যাম্প গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গভীর অনুসন্ধান করে ঘটনার সত্যতা পায়। তদ্প্রেক্ষিতে ১৮/০৯/২০২১ইং তারিখ দুপুরে র‌্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্পর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বদরপুর গ্রামস্থ মাগুরা-ফরিদপুর মহাসড়কের উপর চেক পোস্ট স্থাপন করে সোহাগ পরিবহন নামক বাস থামিয়ে মাদক ব্যবসায়ী আসামী ০১। রবিন আহম্মেদ সোহেল(৩২), পিতা- ইব্রাহিম আহম্মেদ, সাং-ভাল্লাকান্দা, থানা-শিবপুর, জেলা-নরসিংদী’কে গ্রেফতার করেন। এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামীর হেফাজতে থাকা ১,০০৫ (এক হাজার পাঁচ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ০৪ টি সীমকার্ডসহ ০২টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রিত ৩,০০০/- টাকা জব্দ করা হয়। ধৃত আসামীর স্বীকারোক্তি এবং স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানা যায় যে, সে একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী সে দীর্ঘদিন যাবৎ মাগুরা-ফরিদপুর মহাসড়ক ব্যবহার করে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।     উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত সহ গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।   

র‌্যাব-৯, সলিটে এর অভযিানে মৌলভীবাজার জলোর সদর থানা এলাকা হতে ৫৮৬ পসি ইয়াবা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রফেতার।

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ দুপুর ১৪ : ০৫ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল অতিঃ পুলিশ সুপার বসু দত্ত চাকমা এবং সিনিঃ এএসপি মোঃ লুৎফুর রহমান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ মৌলভীবাজার সদর মডেল থানাধীন ১২ নং গিয়াসনগর ইউপিস্থ ঘরষ অশধংয ইঁৎমবৎ ঐড়ঁংব এর সামনের রাস্তা মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল গামী রাস্তার উপর হইতে ক। ৫৮৬ পিস ইয়াবা’সহ আলাল মিয়া (৩২), পিতা- মৃত মানিক মিয়া, সাং- নিতেশ^র মোকাম বাজার, থানা- মৌলভীবাজার সদর, জেলা- মৌলভীবাজার’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন; ২০১৮ এর ৩৬(১) এর টেবিল ১০(ক)/৪১ ধারায় মামলা দায়ের করে মৌলভীবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের বন্দর হতে ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি, আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জের একটি আভিযানিক দল ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন ত্রিবেনী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ০৬ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল মান্নান (২৮), পিতা- মোঃ আজিম @ দুদু মিয়া’কে হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়।      প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ আব্দুল মান্নান এর বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন চাঁনমারী এলাকায়। গ্রেফতারকৃত আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে নিয়ে এসে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা ও এর আশেপাশের এলাকায় ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।     উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। 

প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইভ্যালি’র সিইও মোঃ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন র‌্যাব কর্তৃক গ্রেফতার।

সাম্প্রতিক সময়ে ইভ্যালি’র ব্যবসায়িক কারসাজি দেশব্যাপী একটি বহুল আলোচিত বিষয়। কারসাজির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে পণ্য ডেলিভারী না দেওয়ার বিষয়টি দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়। ইভ্যালি প্লাটফর্মে প্রতারিত হয় সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন লোভনীয় গগনচুম্বী অফার দেখিয়ে প্রলুব্ধ করে সাধারণ জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বেশ কয়েকটি সংস্থা ইভ্যালি’র ব্যবসায়িক কাঠামো নিয়ে পর্যালোচনা ও অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। অনিয়মের অভিযোগ উঠায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বানিজ্য মন্ত্রণালয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন আলোচনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি উঠে আসে। এই প্রতিষ্ঠানটির ই-কমার্সের নামে নেতিবাচক ব্যবসার ফলে আজ দেশব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতারিত।      গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে গুলশান থানায় এক ভ‚ক্তভোগী প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইভ্যালির সিইও মোঃ রাসেল (৩৭) এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন (৩৫) এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং গুলশান থানা ১৯ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ও ধারা ৪০৬/৪২০/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০। এছাড়া আরো বেশ কিছু ভ‚ক্তোভূগির অভিযোগ রয়েছে। জানা যায় তারা বিভিন্ন সময়ে ইভ্যালির অফিসে অপমান হেনস্থা ও ভয়ভীতির স্বীকার হয়েছেন।      এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ বিকেলে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-২ এর অভিযানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা হতে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইভ্যালির সিইও মোঃ রাসেল (৩৭) এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন (৩৫), ঢাকাদ্বয়’কে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রাহকদের প্রতারিত হওয়ার বিভিন্ন বিষয়াদি ও কৌশল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।     প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ইভ্যালির কারসাজির মূলহোতা গ্রেফতারকৃত মোঃ রাসেল যিনি প্রতিষ্ঠানটির সিইও এবং তার স্ত্রী গ্রেফতারকৃত শামীমা নাসরিন (চেয়ারম্যান) তার অন্যতম সহযোগী। গ্রেফতারকৃত মোঃ রাসেল ২০০৭ সালে একটি বিশ্ববিদ্যালয় হতে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে তিনি ২০১৩ সালে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন বলে জানান। তিনি ২০০৯ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করেন। ২০১১ সালে তিনি ব্যাংকিং সেক্টরে চাকুরী শুরু করেন। তিনি প্রায় ৬ বছর ব্যাংকে চাকুরী করেন। তিনি ২০১৭ সালে ব্যাংকের চাকুরী ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। তিনি প্রায় এক বছর শিশুদের ব্যবহার্য একটি আইটেম নিয়ে ব্যবসা করেন এবং অতঃপর তিনি উক্ত ব্যবসা বিক্রি করে দেন। ২০১৮ সালে পূর্বের ব্যবসালব্ধ অর্জিত অর্থ দিয়ে ইভ্যালি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ইভ্যালি কার্যক্রম শুরু হয়। কোম্পানীতে তিনি সিইও এবং তার স্ত্রী চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হন।     ইভ্যালির ব্যবসায়িক অবকাঠামো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভাড়াকৃত স্পেসে ধানমন্ডিতে প্রধান কার্যালয় এবং কাষ্টমার কেয়ার স্থাপিত হয়। একইভাবে ভাড়াকৃত স্পেসে আমিন বাজার ও সাভারে ২টি ওয়ার হাউজ চালু করা হয়। কোম্পানীতে একপর্যায়ে প্রায় ২০০০ ব্যবস্থাপনা স্টাফ ও ১৭০০ অস্থায়ী কর্মচারী নিয়োগ ছিল। যা ব্যবসায়িক অবনতিতে বর্তমানে যথাক্রমে স্টাফ ১৩০০ জনে এবং অস্থায়ী পদে প্রায় ৫০০ জন কর্মচারীতে এসে দাঁড়িয়েছে। কর্মচারীদের একপর্যায়ে মোট মাসিক বেতন  বাবদ দেয়া হতো প্রায় ৫ কোটি টাকা; যা বর্তমানে ১.৫ কোটিতে দাড়িয়েছে বলে গ্রেফতারকৃতরা জানান। গত জুন থেকে অনেকের বেতন বকেয়া রয়েছে। তিনি ও তার স্ত্রী পদাধিকারবলে নিজেরা মাসিক ৫ লক্ষ টাকা করে বেতন নিয়ে থাকেন। তারা কোম্পানীর অর্থে ব্যক্তিগত ২টি দামী গাড়ী (রেঞ্চ রোভার ও অডি) ব্যবহার করেন। এছাড়া কোম্পানীর প্রায় ২৫-৩০টি যানবাহন রয়েছে। ব্যক্তি পর্যায়ে সাভারে গ্রেফতারকৃত রাসেলের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জায়গা-জমিসহ অন্যান্য সম্পদ রয়েছে বলে তিনি জানান। গ্রেফতারকৃতরা জানান ইভ্যালির বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে বর্তমানে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি গেটওয়েতে ৩০-৩৫ কোটি গ্রাহকের টাকা আটক হয়ে আছে বলে গ্রেফতারকৃতরা উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ উক্ত অর্থ কোম্পানীর নয়।      গ্রেফতারকৃতদের কোম্পানীর দায় ও দেনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত দেনা দাঁড়ায় ৪০৩ কোটি টাকা; চলতি সম্পদ ছিল ৬৫ কোটি টাকা, বিভিন্ন পণ্য বাবদ গ্রাহকদের নিকট থেকে অগ্রিম নেয়া ২১৪ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন গ্রাহক ও কোম্পানীর কাছে বকেয়া প্রায় ১৯০ কোটি টাকা। বিভিন্ন সংস্থার সূত্রে প্রকাশিত বিপুল পরিমান দায়ের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রেক্ষিতে গ্রেফতারকৃতরা কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায় প্রতিষ্ঠানটির আরও দায় দেনা রয়েছে। সর্বমোট পরিমান ১০০০ কোটি টাকার বেশী বলে গ্রেফতারকৃতরা জানায়। কোম্পানীটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে লোকসানী কোম্পানী; কোন ব্যবসায়িক লাভ করতে পারেনি। গ্রাহকের অর্থ দিয়েই যাবতীয় ব্যয় ও খরচ নির্বাহ করা হত। ফলে দেনা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।     জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মোঃ রাসেল আরও জানান, ইভ্যালি ছাড়াও তার আরও কয়েকটি ব্যবসায়িক প্লাটফর্ম রয়েছে তন্মধ্যে, ই-ফুড, ই-খাতা, ই-বাজার ইত্যাদি। ইভ্যালি’র ব্যবসায়িক কাঠামো শুরু হয়েছিল যতসামান্য নিজস্ব ইনভেস্টমেন্ট দিয়ে। তার ব্যবসায়িক স্টাটিজি ছিল তৈরীকারক ও গ্রাহক চেইন বা নেটওয়ার্ক থেকে বিপুল অর্থ তুলে নেওয়া। তিনি বিশাল অফার, ছাড়ের ছড়াছড়ি আর ক্যাশব্যাকের অফার দিয়ে সাধারণ জনগণকে প্রলুব্ধ করতেন। যাহাতে দ্রæততম সময়ে ক্রেতা বৃদ্ধি সম্ভবপর হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় ইভ্যালির গ্রাহক সংখ্যা ৪৪ লাখের ও অধিক। তিনি বিভিন্ন লোভনীয় অফারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে এত সংখ্যক গ্রাহক সৃষ্টি করেছেন। ইভ্যালি’র বিভিন্ন লোভনীয় অফারগুলো হলোঃ সাইক্লোন অফার (বাজার মূল্যের অর্ধেক মূল্যে পণ্য বিক্রয়); ক্যাশব্যাক অফার (মূল্যের ৫০-১৫০% ক্যাশব্যাক অফার); আর্থকুয়েক অফার, প্রায়োরিটি স্টোর, ক্যাশ অন ডেলিভারী। এছাড়া বিভিন্ন উৎসবেও ছিল জমজমাট অফার; যেমন-বৈশাখী, ঈদ অফার ইত্যাদি। তাছাড়া আরও রয়েছে টি-১০, ৫ ও ৩ অফার। এভাবে বিভিন্ন অফারে প্রলুব্ধ হন সাধারণ জনগন।  ব্যবসায়িক বিক্রি বাড়াতে গ্রাহকদের প্রতিনিয়ত চাহিদা তৈরী হয় এ ধরণের পণ্যকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। যেমন- মোবাইল, টিভি, ফ্রিজ, এসি, মোটরবাইক, গাড়ী, গৃহস্থলীপণ্য, প্রসাধনী, প্যাকেজ ট্যুর, হোটেল বুকিং, জুয়েলারী, স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী ও ফার্নিচার ইত্যাদি। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা  যায়, এহেন পণ্যের মূল্য ছাড়ের ফলে ব্যাপক চাহিদা তৈরী হয়। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানের বিশাল আকারে দায় (খরধনরষরঃরবং) তৈরী হয়। গ্রেফতারকৃতরা জানায়  ব্যবসায়িক অপকৌশল ছিল নতুন গ্রাহকের উপর দায় চাপিয়ে দিয়ে পুরাতন গ্রাহক ও সরবরাহকারীর দায়ের (খরধনরষরঃরবং) আংশিক আংশিক করে পরিশোধ করা। অর্থাৎ “দায় ট্রান্সফার” এর মাধ্যমে দুরভিসন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে যাচ্ছিল ইভ্যালি। প্রতিষ্ঠানটির নেওয়ার্কে যত গ্রাহক তৈরী হত, দায় (খরধনরষরঃরবং) তত বৃদ্ধি পেত। গ্রেফতারকৃত রাসেল জেনেশুনে এই নেতিবাচক স্টাটিজি গ্রহণ করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।      গ্রেফতারকৃত মোঃ রাসেল’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, একটি বিদেশী ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের লোভনীয় অফার (১ঃ২) এর আলোকে ইভ্যালির ব্যবসায়িক স্টাটিজি তৈরী করেছেন। ব্যবসায়িক ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনা সম্পর্কে গ্রেফতারকৃতরা জানায় যে, প্রথমত একটি ব্রান্ড ভ্যালু তৈরীর পরিকল্পনা করা হয়। অতঃপর দায়সহ কোন প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোম্পানীর নিকট বিক্রি করে লভ্যাংশ নিয়ে নেওয়া। এ উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন দেশও ভ্রমণ করেছেন। অন্যান্য পরিকল্পনা সমূহের মধ্যে ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর নিকট কোম্পানী শেয়ারের অফার দিয়ে প্রলুব্ধ করে দায় চাপিয়ে দেওয়া। এছাড়া তিন বছর পূর্ণ হলে শেয়ার মার্কেটে অন্তভর্‚ক্ত হয়ে দায় চাপানোর পরিকল্পনা নেন। তিনি জানান যে, দায় মেটাতে বিভিন্ন অজুহাতে সময় বৃদ্ধি করার আবেদন একটি অপকৌশল মাত্র। সর্বশেষ তিনি দায় মেটাতে ব্যর্থ হলে “দেওলিয়া ঘোষণার” পরিকল্পনা করেছিলেন।      জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ইভ্যালির অন্যতম কর্ণধার গ্রেফতারকৃত মোঃ রাসেল ও তার পতœী। ইভ্যালি পরিকল্পিতভাবে একটি পরিবার নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়িক গঠনতন্ত্র। একক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বেচ্ছাচারিতা করার অবকাশ রয়েছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি রয়েছে। ফলে ক্রমান্বয়ে প্রতিষ্ঠানের দায় বৃদ্ধি হতে হতে বর্তমানে প্রায় অচলাবস্তায় উপনীত হয়েছে। এই অচলাবস্তা হতে উত্তরণে দিশেহারা গ্রেফতারকৃতরা। বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট দায়; গ্রাহকদের নিকট দায় নিয়ে বিচলিত প্রতিষ্ঠানটি। ইভ্যালির নেতিবাচক ব্যবসায়িক স্ট্যাটিজি উন্মোচিত হওয়ায় অনেক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও অর্থ ট্রানসিশন গেটওয়ে ইভ্যালি থেকে সরে এসেছে। ব্যবসায়িক উত্তরণ নিয়ে সন্ধিহান গ্রেফতারকৃতরা। এখন পর্যন্ত উত্তরণের কোন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি গ্রেফতারকৃতারা।     গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।          

রাজধানীর শ্যামপুর এলাকা হতে শিশু ও নারী পাচারকারী চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

অদ্য ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপার যুক্তিবাদি গলি এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে শিশু ও নারী পাচারকারী চক্রের মূল হোতা নাজমা সুলতানা @ হাসনাহেনা (৪২)কে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের নিকট থেকে ০৫টি পাসপোর্ট, ১৫০ কপি পাসপোর্টের ফটোকপি, ০৩টি আকামা (০২টি কাতার ও ০১টি মালোয়েশিয়া), ১৫টি ঊসরমৎধঃরড়হ পষবধৎধহপব পধৎফ, ১১টি ইগঊঞ পধৎফ (১০টি নকল), ১৫টি জন্ম সনদ, ০১টি এনআইডি কার্ড ও ০২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।     বাংলাদেশ হতে মধ্যপ্রাচ্যে পাচারকৃত ০১ জন মহিলা মারাতœক নির্যাতনের শিকার হওয়ার সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার পর র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল অনুসন্ধান ও খোঁজখবর করার পর প্রচারিত সংবাদটির সত্যতা খুঁজে পেয়ে শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপার এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে নাজমা সুলতানা @ হাসনাহেনা, স্বামী- নাজমুল, সাং- ৪১/০১ স্বর্ণকুটি ধোলাইপার যুক্তিবাদির গলি, থানা শ্যামপুর, ঢাকাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী নাজমা সুলতানা @ হাসনাহেনা ২০ বছরের ০১ জন মহিলা ভিকটিমকে গৃহকর্মীর কাজের জন্য গত ১৫/০৭/২০২১ খ্রিঃ তারিখ মধ্যপ্রাচ্যে প্রেরণ করেন। সেখানে কাজ করা অবস্থায় ভিকটিমকে পায়ে, পিঠেসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গরম ইস্ত্রি (আয়রন মেশিন) দ্বারা ছেকা দিয়ে মারাতœক জখম করে। গরম ইস্ত্রির (আয়রন মেশিন) ছেকায় ভিকটিম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ০৮/০৯/২০২১ খ্রিঃ তারিখ বাংলাদেশে ফিরে আসে এবং অসুস্থ অবস্থায় মিডফোর্ড স্যার সলিমুল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করে বর্তমানে নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।      প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত মহিলা পেশাদার নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। বেশ কিছুদিন যাবত সে ও তার স্বামী মোঃ নাজমুল পরস্পর যোগসাজসে সংঘবদ্ধভাবে পতিতাবৃত্তি ও যৌন কাজে নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বয়সের নারী ও শিশুদের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশ হতে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গৃহকর্মীর নামে পাচার করে আসছিল। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় যে গ্রেফতাকৃত আসামী ও তার স্বামী বাংলাদেশ হতে বিভিন্ন বয়সের মেয়েদের ৭০-৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন দেশে বিক্রি করত এবং সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের নিকট থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিত। পাচারকৃত নারীরা সেখানে গিয়ে বিভিন্নভাবে যৌন ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল বলে জানা যায়।          গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

র‌্যাব - ৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানাধীন এলাকা থেকে ১০ (দশ) কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখ সকাল ০৮:২০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-১ (হবিগঞ্জ ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এবং সিনিঃ এএসপি এ,কে,এম কামরুজ্জামান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০ কেজি গাঁজা ধৃত ব্যক্তির হেফাজত হইতে উদ্ধার পূর্বক জব্দকরে আহমদ শফি (৩০), পিতা- মৃত মোঃ ইছমাইল মিয়া, সাং- লম্বাবগি, থানা- বানিয়াচং, জেলা- হবিগঞ্জ’কে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানাধীন ১নং বানিয়াচং ইউনিয়নের বড় বাজার এর ব্রাক ব্যাংকের এটিএম বুথের সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১৯(খ) ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেফতারকৃত আসামী ও জব্দকৃত মাদকদ্রব্য গাঁজা হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে ০৪ জন চাঁদাবাজ গ্রেফতার।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ বিকাল ১৮:৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোড ডেমড়া মোড় হাজী এ রহমান সুপার মার্কেট  এলাকায় চাঁদাবাজ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১। মোঃ মনোয়ার হোসেন (৩৬), ২। মোঃ আরিফ (৩২), ৩। মোঃ হানিফ মিয়া (৪০), ৪। মোঃ সোহেল (৪১), কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির নগদ ৩,৯০০/- টাকা এবং মোবাইল ফোন ০৪টি উদ্ধার করা হয়। ৩।    প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবত নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোড ডেমড়া মোড় হাজী এ রহমান সুপার মার্কেটস্থ অটো স্ট্যান্ড এলাকায় সিএনজি,অটোসহ ঢাকা-চট্রগ্রাম গামী চলাচলরত পরিবহনের চালক ও হেলপারদের গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক পরিবহন প্রতি দৈনিক ১০০/- থেকে ২০০/- টাকা করে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছিল। চাঁদাবাজ দমনে র‌্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। ৪।    উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।