সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
র‌্যাবের অভিযানে ঃ বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় অভিযুক্ত ময়ূর-০২ লঞ্চ এর মাষ্টার গ্রেফতার । ✱ র‌্যাবের অভিযানে ঢাকা মহানগরীর শাহবাগ থানা এলাকা হতে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১ রাউন্ড গুলি ও ০১টি ম্যাগাজিনসহ ০১ জন কুখ্যাত সন্ত্রাসী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানাধীন কুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান উগ্রবাদী বই ও লিফলেটসহ ০৫(পাঁচ) জন নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি(জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ )এর সক্রিয় সদস্য আটক। ✱ র‌্যাব-৮, বরিশাল এর অভিযানে ০১(এক) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর আদাবর থানা এলাকা হতে ১১ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ✱ র‌্যাবের অভিযানে ঢাকা মহানগরীর ডেমরা এলাকা হতে আর্ন্তজাতিক অপহরণকারী চক্রের বাংলাদেশী সহযোগী ০১ জন সদস্য গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় সমীর ঘোষ এর তৈরীকৃত ‘ঘি’ বাঘাবাড়ী ‘ঘি’ প্রস্তুতকারী ও লেবেল ব্যবহার করে বিক্রয় করার অপরাধে ০১ জনকে ১০,০০,০০০/- টাকা জরিমানা। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল এলাকা হতে শিশু সন্তানকে হত্যাকারী বাবাসহ ০২ জন গ্রেফতার \ ✱ গাজীপুর কালিয়াকৈরে মাইক্রোবাসে গুলি করে ইনক্রেডিবল ফ্যাশনস্ লিঃ গার্মেন্টস এর প্রায় ৮০ লক্ষ ২২ হাজার টাকা ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী সহ ০৫ জন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব \ নগদ ৩০ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা, ১১০০ ইউএস ডলার, ডাকাতির কাজে ব্যবহƒত মোটর সাইকেল, গাড়ি এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার। ✱ গাজীপুর কালিয়াকৈরে মাইক্রোবাসে গুলি করে ইনক্রেডিবল ফ্যাশনস্ লিঃ গার্মেন্টস এর প্রায় ৮০ লক্ষ ২২ হাজার টাকা ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী সহ ০৫ জন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব \ নগদ ৩০ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা, ১১০০ ইউএস ডলার, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মোটর সাইকেল, গাড়ি এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার। ✱

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

র‌্যাবের অভিযানে ঃ বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় অভিযুক্ত ময়ূর-০২ লঞ্চ এর মাষ্টার গ্রেফতার ।

গত ২৯ জুন ২০২০ ইং তারিখ আনুমনিক ০৯.৩০ ঘটিকায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন ফরাশগঞ্জ ঘাট সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে ময়ূর-২ নামক একটি লঞ্চ এর ( ঢাকা-চাঁদপুরগামী) ধাক্কায় মর্নিংবার্ড নামক একটি লঞ্চ যাত্রীসহ ডুবে যায়। এতে ৩২ জনের প্রানহানি ঘটে। মর্নিংবার্ড লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে সদরঘাট আসছিল। মর্মান্তিক এই লঞ্চ ডুবির ঘটনায় গত ৩০/০৬/২০২০ইং তারিখ দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। এরই প্রেক্ষিতে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় দোষীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-১০ তৎপর হয়।       অদ্য ১৩/০৭/২০২০ ইং তারিখ ০০.৪০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১০ এর উপ-অধিনায়ক মেজর শাহরিয়ার জিয়াউর রহমান, পিএসসি এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ এলাকা থেকে ময়ূর-০২ লঞ্চের মাষ্টার মোঃ আবুল বাসার (৫৭), পিতা- মৃত সিরাজুল হক মোল্লা, সাং-কলাগাছি, পোঃ- মন্ডলগাতি, থানা-মহম্মদপুর ও জেলা-মাগুরা’কে গ্রেফতার করে। উল্লেখ্য যে, ধৃত আসামী উক্ত লঞ্চ ডুবির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ০২নং এজাহারভূক্ত আসামী। ঘটনার পর থেকে মোঃ আবুল বাসার আত্মগোপনে চলে যায়। সে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপন করে আসছিল। ঘটনার দিন সে মাগুরাতে নিজ গ্রামে চলে যায় এবং রাতের খাবার খেয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের একটি বাড়ীতে রাত্রীযাপন করে। পরেরদিন ফরিদপুরে আলফাডাংগা যায় এবং সেখানে দুই দিন অবস্থান করার পর ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার আখালিপাড়া তার ভায়রার ভগ্নীপতির বাড়ীতে অবস্থান করে। এরপর স্থান পরিবর্তন করার জন্য ঢাকার দিকে আসছিল। অবশেষে র‌্যাব-১০ এর আভিযানিক দলটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান জানতে পেরে তাকে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।  

র‌্যাব-৮, বরিশাল এর অভিযানে ০১(এক) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

র‌্যাব-৮, বরিশাল সিপিএসসি কোম্পানী এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ১২ জুলাই ২০২০ তারিখ ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানা এলাকায় একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনাকালে আনুমানিক ১৩.৪০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানাধীন পারগোপালপুর গ্রামস্থ ঝালকাঠি টু পিরোজপুরগামী মহাসড়কের মধ্য মনোহরপুর ব্রীজের উপর বামপামে মাদক জাতীয় দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় চলছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের আভিযানিক দলটি আনুমানিক ১৪০৫ ঘটিকায় কৌশলগতভাবে ঘটনাস্থলের সন্নিকটে পৌঁছলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ঘেরাও পূর্বক ০১ (এক) জন ব্যক্তিকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম (১) মোঃ মেহেদী হাসান@সোহেল(১৯), পিতাঃ মৃত রুস্তম আলী খান, সাং-পূর্ব ফুলহার, থানাঃ রাজাপুর, জেলাঃ ঝালকাঠি বলে জানায়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে ধৃত আসামী মোঃ মেহেদী হাসান@সোহেল(১৯) এর নিকট থেকে ১৯৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়ের নগদ ৪,০০০/- (চার হাজার) টাকা উদ্ধার করে। 

র‌্যাবের অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানাধীন কুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান উগ্রবাদী বই ও লিফলেটসহ ০৫(পাঁচ) জন নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি(জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ )এর সক্রিয় সদস্য আটক।

ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা এলাকায় দীর্ঘদিন  যাবৎ জেএমবির বিভিন্ন সক্রিয় সদস্য তাদের উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তাদের কার্যক্রমের উপর র‌্যাবসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার নিবিড় নজরদারি অব্যহত আছে। অত্র এলাকায় পূর্বে বাংলা ভাই ও শায়খ আব্দুর রহমান এর ঘাটি হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমান সময়েও জেএমবির সদস্যরা অত্র এলাকায় উগ্রবাদী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার জন্য তাদের দাওয়াতি ও নাশকতামূলক কর্মকান্ডের পরিকল্পনা করে আসছিল। সম্প্রতি অত্র এলাকা থেকে জেএমবি’র কিছু সক্রিয় সদস্যকে র‌্যাব কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৪ এর ব্যাটালিয়ন সদর এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানাধীন কুড়িপাড়া গ্রামের জনৈক মোঃ রুবেল এর মালিকানাধীন পুকুরের দক্ষিণ পাশে এবং কুড়িপাড়া জামে মসজিদ হতে ১০০ গজ পূর্বে চালী ঘরের ভেতরে কতিপয় নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি’র সদস্যগণ একত্রিত হয়ে নাশকতা করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছে। উক্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৪, ব্যাটালিয়ন সদর এর আভিযানিক দল অদ্য ১২ জুলাই ২০২০ তারিখ ০২.০০ ঘটিকার সময়  ঘটনাস্থলে পৌঁছলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর সময় আসামী ১। মোঃ আসাদ আলী (৪৫), পিতা- মোঃ জালাল উদ্দিন  ২। মোঃ মিস্টার (৪৮), পিতা-মৃত নওয়াব আলী(দুইখা শেখ) উভয় সাং- নটাকুড়ি ৩। মোঃ রাশেদ (৩২) ৪। মোঃ বাছেদ আলী (২৬),উভয় পিতা-মোঃ বাসতুল্লাহ, সাং- বিন্নাকুড়ি ৫। মোখলেছুর রহমান (মুক্তার)(২৮) পিতা- মৃত জাবেদ আলী, সাং- পশ্চিম চন্ডী মন্ডল সর্ব থানা- মুক্তাগাছা, জেলা- ময়মনসিংহদের আটক করা হয় এবং তাদের হেফাজত থেকে বিপুল পরিমান উগ্রবাদী বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বই ও লিফলেট এ উগ্রবাদ কায়েম করার বিভিন্ন আহবান ও কৌশল বর্ণনা করা আছে। বিশেষ করে যুবকদের প্রতি উগ্রবাদের আহবান করে এসব বইপত্র গোপনে বিতরণ করা হতো।    গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন যাবৎ তারা বিভিন্ন ইসলামি উগ্রবাদী বক্তার বয়ান শুনত এবং এইসব শুনে তারা উগ্রবাদের প্রতি উদ্ভুদ্ধ হয় ও জেএমবি এর সমর্থক এবং সক্রিয় সদস্য হয়ে উঠে। তারা একই চিন্তা-চেতনার অধিকারী হওয়ায় তাদের মধ্যে একে অপরের সাথে অল্প সময়ের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠে এবং উগ্রবাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নাশকতার প্রতি উদ্ভুদ্ধ হয়। উল্লেখিত আসামীগণ নিজেদেরকে জেএমবি এর সক্রিয় সদস্য হিসাবে পরিচয় দেয়। তারা বিভিন্ন সময় অত্র এলাকায় জেএমবির নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তির সহায়তায় নাশকতামূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। আসামীগণ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের জন্য বিভিন্ন কৌশলে কাজ করত, মুক্তাগাছা ইছাখালি বাজার জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় গোপনে বৈঠক করে উগ্রবাদী ও নাশকতামূলক তালিম প্রদান করত এবং সংগঠনের জন্য নিয়মিত চাঁদা (ইয়ানত) উত্তোলন করে সংগঠনের তহবিল সংগ্রহে ভূমিকা রাখত। এই তহবিল তারা বর্তমানে যেসব জেএমবি সদস্য জেলে বন্দী আছে তাদের হাজত থেকে বের করে এনে নতুনভাবে নাশকতা কার্যক্রম শুরু করাসহ সংগঠনের অন্যান্য খরচ বহন করার কাজে ব্যবহার করত। উগ্রবাদ কায়েম করার লক্ষ্যে তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নাশকতা করার পরিকল্পনা করছিল। 

র‌্যাবের অভিযানে ঢাকা মহানগরীর শাহবাগ থানা এলাকা হতে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১ রাউন্ড গুলি ও ০১টি ম্যাগাজিনসহ ০১ জন কুখ্যাত সন্ত্রাসী গ্রেফতার।

অস্ত্র বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৩, সিপিসি-২, মগবাজার ক্যাম্প কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় কুখ্যাত সন্ত্রাসী শাহবাগ থানাধীন পরীবাগ শাহ সাহেব রোডে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৩, সিপিসি-২, মগবাজার ক্যাম্পের এর একটি আভিযানিক দল ১১/০৭/২০২০ তারিখ ২৩০৫ ঘটিকার সময় ঢাকা মহানগরীর শাহবাগ থানাধীন পরীবাগ শাহ সাহেব রোডস্থ বাসা নং-১১ শেলটেক এর বিপরীত পার্শ্বে অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মোঃ জসিম (৪০), পিতা-মৃত সামছুল হক, সাং-খিল্লাপাড়া (খিল্লাপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন), থানা-সিরাজদিখান, জেলা-মুন্সিগঞ্জ, বর্তমান ঠিকানাঃ ঋষিপাড়া ঢোলপট্টি মসজিদ সংলগ্ন, থানা-কদমতলী, ডিএমপি, ঢাকাকে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১ রাউন্ড গুলি, ০১টি ম্যাগাজিন এবং ০১টি মোবাইল ফোনসহ হাতে নাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য যে, ধৃত আসামী একজন কুখ্যাত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তার হেফাজত হতে উদ্ধারকৃত অস্ত্র গুলির বৈধ কাগজপত্রের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সে কোন লাইসেন্স বা বৈধ কোনো কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারে নাই। এমনকি কোথা থেকে উহা সংগ্রহ করেছে তারও কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হয়। উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতির ০২টি মামলা রয়েছে। 

র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় সমীর ঘোষ এর তৈরীকৃত ‘ঘি’ বাঘাবাড়ী ‘ঘি’ প্রস্তুতকারী ও লেবেল ব্যবহার করে বিক্রয় করার অপরাধে ০১ জনকে ১০,০০,০০০/- টাকা জরিমানা।

র‌্যাব-৩ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ঢাকা মহানগরীর রামপুরা থানাধীন নিউ বাঘাবাড়ী কোম্পানী, সমির ঘোষ এর তৈরীকৃত ‘ঘি’ বাঘাবাড়ী ‘ঘি’ প্রস্তুতকারী ও লেবেল ব্যবহার করে বিক্রয় করে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৩ এর আভিযানিক দল ১১/০৭/২০২০ তারিখ ১১০০ ঘটিকা হতে ১৩৪০ ঘটিকা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর রামপুরা থানাধীন নিউ বাঘাবাড়ী কোম্পানী বিল্ডিং, মালিবাগ বাজার এর অফিসে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার শ্রী সমীর কুমার ঘোষ (৪৫), থানা-উল্লাপাড়া, জেলা-সিরাজগঞ্জকে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০০৯ এর ৩২ (খ) ৩৩,৩৮ ধারায় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত  করে ১০,০০,০০০/-টাকা জরিমানা প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করায় আসামীকে খালাস প্রদান করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত।    

র‌্যাবের অভিযানে ঢাকা মহানগরীর ডেমরা এলাকা হতে আর্ন্তজাতিক অপহরণকারী চক্রের বাংলাদেশী সহযোগী ০১ জন সদস্য গ্রেফতার।

সৌদি আরব প্রবাসী মোঃ আবুল হোসেন (৪৫), পিতা-আবু তাহের, সাং-অম্বরনগর, থানা-সোনাইমুড়ী, জেলা-নোয়াখালীকে গত ০৭ জুলাই ২০২০ তারিখ (সৌদি আরব সময় ২৩০০ ঘটিকায়) সৌদি আরব এর রিয়াদ হতে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারী উক্ত ভিকটিম এর মোবাইল দিয়ে বাংলাদেশে ভিকটিম এর স্ত্রী ও ভাইকে ভিডিও কলে ভিকটিমকে শারীরিক নির্যাতন সরাসরি দেখায় এবং ৫,০০,০০০/-টাকা প্রদান করতে বলে। উক্ত টাকা না দিলে ভিকটিককে হত্যা করা হবে বলে জানায়। সৌদি আরব অপহরণকারী চক্রের সদস্য সজীব, মিলন ও আরো কয়েকজন সদস্য বাংলাদেশে অবস্থানরত উক্ত চক্রের সাহায্যকারী মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ তার ব্যক্তিগত ০৪ টি বিকাশ নাম্বার ভিকটিম এর ছোট ভাই মোঃ আহসান উল্লাহ (সৌদি আরব প্রবাসী) এবং ভিকটিম এর স্ত্রী ও ছোট ভাই (বাংলাদেশে অবস্থানরত) মোঃ ইসমাইল এর কাছে প্রদান করে। ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা ৫,০০,০০০/-টাকা হতে সমঝোতার মাধ্যমে ১,০০,০০০/-টাকা মুক্তিপণ হিসাবে প্রদান করতে সম্মত হয় এবং মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ এর বিভিন্ন বিকাশ নাম্বারে সর্বমোট ১,০২,০০০/-টাকা ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা প্রেরণ করে।  ৩।     র‌্যাব-৩ এর নিকট ভিকটিমের স্ত্রী ও ছোট ভাই অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৩ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল মেজর ঈমাদ উদ্দিন লস্কর এর নেতৃত্বে গোয়েন্দা নজরদারী ও প্রযুক্তির সহায়তায় ০৯/০৭/২০২০ তারিখ ১৯০০ ঘটিকার সময় ঢাকা মহানগরীর ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া বাজারস্থ সামসুল হক জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডিজিটাল ল্যাব লিমিটেড এর সামনে অভিযান পরিচালনা করে অপহরণকারী চক্রের বাংলাদেশী সহায়তাকারী মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ (৩৫), থানা-ডেমরা, জেলা-ঢাকাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর নিকট হতে ০৩ টি মোবাইল ফোন, ১৩ টি সীমকার্ড এবং তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিকাশ নাম্বারে ১,০২,০০০/-টাকা উদ্ধার করা হয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, সৌদি পুলিশ রিয়াদ হতে গত ০৯ জুলাই ২০২০ তারিখে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং সজিবসহ আরোও ০৪ জনকে গ্রেফতার করে। ভিকটিম শারীরিকভাবে অসুস্থ্য থাকায় বর্তমানে সৌদি আরবের রিয়াদে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর আদাবর থানা এলাকা হতে ১১ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

অদ্য ১১/০৭/২০২০খ্রিঃ তারিখ ০০.৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-২ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কুমিল্লা হতে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী পরষ্পর যোগসাজসে আমদানী নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট (মাদক) নিয়ে মিরপুর রোড হয়ে  ঢাকা হেমায়েতপুর এলাকায় বিক্রয়ে উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছে।    ৩। প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের নিমিত্তে র‌্যাবের আভিযানিক দল ০১.০০ ঘটিকায় ডিএমপি ঢাকা মহানগরীর আদাবর থানাধীন শ্যামলী স্কয়ার এর সামনে একটি চেকপোষ্ট পরিচালনা করে। অতপর ০১.৩০ ঘটিকার সময়  চেকপোষ্ট চলাকালীন হঠাৎ লক্ষিত হয় কিছু দূরে দুই জন লোক দ্রত সিএনজি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করছেন। পালানোর চেষ্টাকালে আসামী ১। মোহাম্মদ হৃদয় হোসেন, ২। মোহাম্মদ আনাস,কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে ইয়াবার চালান সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে প্রথমে অস্বীকার করে। পরবর্তীতে তাদের হাতে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে ৫,০০০ এবং অপর আর একটি ব্যাগ থেকে ৬,০০০ মোট ১১ হাজার নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য (ইয়াবা ট্যাবলেট) উদ্ধার করা হয়। যার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক ৩৫,০০,০০০/- টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায়, তারা পরষ্পর যোগসাজোসে দীর্ঘ দিন যাবৎ কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা হতে মাদক দ্রব্য (ইয়াবা) ক্রয় করে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য (ইয়াবা ট্যাবলেট) সুকৌশলে ঢাকায় নিয়ে এসে সরবরাহ ও বিক্রয় করে আসছিল।  ৪। গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায়, বর্তমান যুব সমাজে ইয়াবার ব্যাপক চাহিদা থাকায় চড়া দামে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে তারা পরস্পর যোগসাজোসে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা হতে ইয়াবা সংগ্রহ করে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নিত্য নতুন কৌশল ব্যবহার করে (নিষিদ্ধ মাদক) ইয়াবা ট্যাবলেট রাজধানীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ ও বিক্রয় করে আসছে এবং ইতোপূর্বেও বেশ কয়েকটি ইয়াবার চালান সফলতার সহিত সরবরাহ করেছে বলে জানায়। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাচাই বাছাই করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল এলাকা হতে শিশু সন্তানকে হত্যাকারী বাবাসহ ০২ জন গ্রেফতার \

২৯ জুন ২০২০ ইং তারিখ র‌্যাব—১০ এ হাজির হয়ে শিশু ভিকটিম মাহিম (৩ বছর ৭ মাস) এর পিতা মোঃ জুলহাস (৩১) অভিযোগ দাখিল করেন যে, তার ছেলে মাহিমকে গত ২৭/০৬/২০২০ ইং তারিখ ১২.৩০ ঘটিকা হতে কে বা কাহারা অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের বিষয়ে ভিকটিমের বাবা যাত্রাবাড়ী থানায় জিডি করেন, জিডি নং—১৮৪৫, তারিখ ২৯—০৬—২০২০ ইং।  ৩।    উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৩০ জুন ২০২০ ইং তারিখ ১৯০০ ঘটিকায় সিপিএসসি, র‌্যাব—১০ এর কোম্পানী কমান্ডার উপ—পরিচালক আলী রেজা রাব্বী ও স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল ডিএমপি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল মৃধাবাড়ি রাজমহল হোটেলের সামনে হতে অপহরণের সাথে জড়িত মোঃ জুয়েল ব্যাপারী (২০) কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল ভিকটিম মাহিমকে অপহরণের কথা স্বীকার করে এবং এই অপহরণের সাথে ভিকটিমের পিতা জুলহাস@ফারুক@গুড্ডা এর সংশ্লিষ্টতার কথা জানালে র‌্যাব জুলহাসকে মাতুয়াইল দরবার শরীফ মোড় এলাকা হতে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পিতা জুলহাস এবং অপর অপহরণকারী জুয়েলকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ভিকটিমকে অপহরণ করে জুসের সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে পান করিয়ে হত্যা করে মর্মে স্বীকার করে।  ৪।    অনুসন্ধানে জানা যায়, ভিকটিমের পিতা জুলহাস পূর্ব হতে যৌতুকের টাকা দাবীসহ বিদেশ যাওয়ার জন্য চার লক্ষ টাকা দাবী করলে শ্বশুর পক্ষ থেকে টাকা না পেয়ে বিভিন্ন সময় স্ত্রীকে নির্যাতন করে আসছিল। পারিবারিক কলহ এবং শ্বশুর বাড়ী হতে টাকা না পেয়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে নিজ সন্তানকে হত্যার জন্য প্রতিবেশী জুয়েলকে নিয়ে পরিকল্পনা করে। পূর্ব পরিকল্পনা মতে, গত ২৬ জুন ২০২০ তারিখ জুয়েল ঘুমের ঔষধ (০৮টি ট্যাবলেট) ক্রয় করে জুলহাসকে দেয়। ২৭ জুন ২০২০ তারিখ আনুমানিক ১২৩০ ঘটিকায় জুয়েল ভিকটিমকে তার বাসার সামনে হতে ফুসলিয়ে ভিকটিমের পিতার নিকট পূর্ব নির্ধারিত স্থান মাতুয়াইল বাসস্ট্যান্ডে নিয়ে যায়। এরপর জুলহাস এবং জুয়েল ভিকটিমকে মাতুয়াইল বাসস্ট্যান্ড হতে নিয়ে দেইল্লা, ডেমরা নির্জন এলাকায় নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে জুসের সাথে ০৮টি ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে পান করায়। এরপর তারা ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিৎ হলে ঐ দিন সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল, মৃধাবাড়ী ময়লার ডিপো সংলগ্ন গ্রীন মডেল টাউন এলাকায় কাশবনের ভিতর বালু চাপা দিয়ে রেখে নিজ বাড়ীতে চলে যায়। এরপর জুলহাস বাচ্চা অপহরণ হয়েছে মর্মে ২৯ জুন ২০২০ তারিখ যাত্রাবাড়ী থানায় একটি জিডি করে। জুলহাস বাচ্চা অপহরণ হয়েছে এটা প্রমাণ করার জন্য ২৯ জুন ২০২০ তারিখ জুয়েলকে দিয়ে মুক্তিপণ চেয়ে নিজের মোবাইলে একটি ম্যাসেজ পাঠায় এবং ২৯ জুন ২০২০ তারিখ র‌্যাব—১০ এ এসে জিডি কপিসহ একটি অভিযোগ করে।  ৬।    র‌্যাব—১০ এর আভিযানিক দল ৩০ জুন ২০২০ তারিখ আনুমানিক ২২৩০ ঘটিকায় হত্যাকারীদের সাথে নিয়ে তাদের দেখানো জায়গা হতে ভিকটিমের মৃতদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর মৃতদেহ যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়। ৭।     ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে ডিএমপি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা রুজুর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।    

ঢাকা মহানগরীর গুলশান ও তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট, অনুমোদনহীন সিলিন্ডার বিক্রয় এবং অতিরিক্ত মূল্যের বিরুদ্ধে র‌্যাব-৩ এর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা। ০১ জনকে জেল ও ০৪ টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫,০০,০০০/- টাকা জরিমানা।

বর্তমান করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী ঔষধ প্রশাসন কর্তৃক অনুমোদনহীন অক্সিজেন সিলিন্ডার সংগ্রহ করে মজুদ করতঃ, অক্সিজেন সিলিন্ডার এর কৃত্রিম সংকট তৈরী করে অধিক মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র‌্যাব-৩ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ঢাকা মহানগরীর গুলশান ও তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় অদ্য ১৬ জুন ২০২০ তারিখ ১১০০ ঘটিকা হতে ১৭০০ ঘটিকা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। উক্ত এলাকায় কয়েকটি বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দেখা যায় মাইশা কেয়ার লিমিটেড, তাহের ইন্টারপ্রাইজ, এসি শালন এবং এলপি গ্যাস সিলিন্ডার স্টোর সমূহ বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন কর্তৃক অনুমোদিত ৪ টি মেডিকেল অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহকারী কোম্পানীর কোনটি থেকেই অক্সিজেন সিলিন্ডার ক্রয় বা সংগ্রহ করেনি। উক্ত প্রতিষ্ঠান গুলো অক্সিজেন সিলিন্ডার এর উৎপাদন, মেয়াদ ও মূল্য সম্পর্কিত কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারে নাই। এছাড়াও প্রতিষ্ঠান সমূহ রোগীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার স্বাভাবিক এর তুলনায় অনেক বেশি মূল্যে বিক্রয় করছে। উপরোক্ত ঘটনার আলোকে র‌্যাব-৩ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১। তাহের ইন্টারপ্রাইজকে ৫,০০,০০০/- টাকা, ২। এসি শালন প্রতিষ্ঠানকে ৩,০০,০০০/- টাকা, ৩। এলপি গ্যাস সিলিন্ডার প্রতিষ্ঠানকে ২,০০,০০০/- টাকা এবং মাইশা কেয়ার লিমিটেডকে ৪,০০,০০০/- টাকা জরিমানা এবং মাইশা কেয়ার লিমিটেড এর মালিক মোঃ মহিদুল ইসলামকে ১ বছরের কারাদন্ড প্রদান করেন। উপরোক্ত প্রতিষ্ঠান গুলো হতে অনুমোদনহীন ৩২ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ১৩ টি পালস অক্সিজেন জব্দ করা হয়। 

গাজীপুর কালিয়াকৈরে মাইক্রোবাসে গুলি করে ইনক্রেডিবল ফ্যাশনস্ লিঃ গার্মেন্টস এর প্রায় ৮০ লক্ষ ২২ হাজার টাকা ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী সহ ০৫ জন’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব \ নগদ ৩০ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা, ১১০০ ইউএস ডলার, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মোটর সাইকেল, গাড়ি এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার।

গত ০৭ জুন ২০২০ তারিখে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সুরিচালা এলাকার ইনক্রেডিবল ফ্যাশনস্ লিমিটেড গার্মেন্টস এর মাইক্রোবাস যোগে বহনকৃত প্রায় ৮০ লক্ষ ২২ হাজার টাকা ডাকাতি হয়। পরবর্তীতে একই দিনে (০৭ জুন ২০২০) ঐ গার্মেন্টের এ/পি জেনারেল ম্যানেজার  প্রোডাকশন) মোঃ খোরশেদ আলম (৬০) অজ্ঞাত নামা ব্যক্তিদের আসামি করে কালিয়াকৈর থানায় মামলা দায়ের করেন, যার নম্বর-০৯, তারিখ ০৭ জুন ২০২০, ধারাঃ- ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড।      ঘটনার বিবরণে জানা য়ায়, ইনক্রেডিবল ফ্যাশনস্ লিমিটেড গার্মেন্টস এর শ্রমিক এবং স্টাফদের বেতন প্রদান করার লক্ষ্যে গত ০৭ জুন ২০২০ তারিখ আনুমানিক ১১১৫ ঘটিকার সময় ব্যাংক এশিয়া, কালিয়াকৈর শাখার উদ্দেশ্যে ফ্যাক্টরীর সহকারী ম্যানেজার মেজবাহ উল হক (৪০)সহ ৬ জন কোম্পানীর মাইক্রোবাস যার রেজিঃ নম্বর ঢাকা মেট্রো-চ-৫৩-৯৫১১ নিয়ে গমন করে। ব্যাংক হতে টাকা গ্রহণ পূর্বক দুপুর আনুমানিক ০১২০ ঘটিকার সময় ব্যাংক হতে বাহির হয়ে উল্লেখিত মাইক্রোবাস যোগে ফ্যাক্টরীর দিকে রওনা হয়। রওনা হওয়ার পর আনুমানিক ০১৩০ ঘটিকার সময় কালিয়াকৈর থানাধীন খাড়াজোড়া এলাকায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার এর দক্ষিণ পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পৌঁছানো মাত্রই ডাকাতদের চালিত যানের মাধ্যমে মাইক্রোবাসের গতি রোধ করে লোহার রড, হাতুড়ী, ষ্টীলের পাইপ এবং পিস্তলসহ অতর্কিতভাবে ভাংচুর ও গুলি করে উক্ত অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। উক্ত গোলাগুলির ঘটনায় ফ্যক্টরীর সহকারী মার্চেন্ডাইজার রাজীব মজুমদার শুভ (২৮) গুরুতর জখম প্রাপ্ত হয়।      বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন ভাতা লুটের ঘটনা সারাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনাটি মিডিয়াতে গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।      এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৪ জুন ২০২০ তারিখ ০১৩০ ঘটিকা হতে ১১০০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব-১ এর আভিযানিক দল ঢাকা মহানগরী ও ঢাকা জেলার বিভিন্ন স্থানে (সাভার, আশুলিয়া, মগবাজার, ডেমরা এবং কড়াইল বস্তি) অভিযান চালিয়ে (ক) মোঃ রিয়াজ (৩৬), পিতা- মোঃ সুলতান হাওলাদার, মাতা- মোসাঃ খাদিজা বেগম, সাং - গোডাংগা, থানা-আমতলী, জেলা-বরগুনা; (খ) মোঃ সাগর মাহমুদ (৪০), পিতা- মৃত আঃ ছত্তার ফকির, মাতা-মেহেরনিগার, সাং-দক্ষিণ বহাল গাছিয়া, থানা-পটুয়াখালী, জেলা-পটুয়াখালী; (গ) মোঃ জলিল (৪০), পিতা- মৃত গঞ্জের আলী মোল্লা, মাতা-মৃত সোনাবরু বেগম, সাং- খানপুরা, থানা-বাবুগঞ্জ, জেলা-বরিশাল; (ঘ) মোঃ ইসমাইল হোসেন @ মামুন (৪৫), পিতা - মৃত মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, মাতা- মাফিয়া বেগম, সাং-খানখানাপুর, থানা-রাজবাড়ী, জেলা-রাজবাড়ী; ঙ। মনোরঞ্জন মন্ডল @ বাবু (৪১), পিতাঃ মৃত দয়াল মন্ডল, গ্রাম- ভাতগ্রাম, থানা- মির্জাপুর, জেলা- টাঙ্গাইল’দেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের নিকট হতে উদ্ধার করা হয় নগদ ৩০ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা, ১১০০ ইউএস ডলার, ০১টি প্রিমিও প্রাইভেট কার (চট্ট মেট্রো-গ ১১-৭৬৫৩), ০৩টি মোটর সাইকেল (বরিশাল মেট্রো-ল-১১-০৭২৭, ঢাকা মেট্রো হ ৬৪-১৭১৪, ঢাকা মেট্রো ল-১৮-০১৬১) ০১টি বিদেশী রিভলবার, ০১টি বিদেশী পিস্তল, ২১ রাউন্ড গোলাবারুদ, ২টি ম্যাগজিন, ৩টি পাসপোর্ট এবং ৩৮টি মোবাইল ফোন। গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিকভাবে অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতার কথা স্ব¦ীকার করেছে।     গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রায় ৪/৫ মাস পূর্বে চক্রটির মূল হোতা গ্রেফতারকৃত জলিলের পরিকল্পনায় ঈসমাইল হোসেন @ মামুন এবং মনোরঞ্জন মন্ডল @ বাবু টার্গেট সিলেকশনের কাজ শুরু করে। তারা গাজীপুর, আশুলিয়া, কালিয়াকৈর এলাকায় বেশ কিছু গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী শ্রমিকদের বেতন সংগ্রহ প্রক্রিয়া যাচাই বাছাই করে ইনক্রেডিবল গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী’কে টার্গেট করে। তাদের পর্যবেক্ষণে উদঘাটিত হয় যে, বর্ণিত ফ্যাক্টরী শ্রমিকদের বেতন ক্যাশে প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যাংক হতে টাকা সংগ্রহের সময় কোন অস্ত্রধারী নিরাপত্তা প্রহরী থাকে না। তৎপ্রেক্ষিতে পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত মনোরঞ্জন মন্ডল @ বাবু উক্ত গার্মেন্টস্ েএকজন সাব-কন্টাক্টরের কর্মী হিসেবে মার্চের ২য় সপ্তাহ হতে আসা যাওয়া শুরু করে। সে গার্মেন্টসের অন্যান্য কর্মী, নিরাপত্তা প্রহরী, পার্শ্ববর্তী দোকান ও অন্যান্য সূত্র হতে কৌশলে যাবতীয় তথ্যাদি সংগ্রহ করে। অতঃপর চক্রটি প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে।      গ্রেফতারকৃতরা আরও জানায় যে, তাদের এপ্রিল এবং মে মাসের ডাকাতির পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। কারণ এপ্রিল ২০২০ মাসের বেতন দেয়া হয়েছিল মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে এবং মে ২০২০ মাসের বেতন সংগ্রহ করা হয়েছিল পুলিশ স্কটের মাধ্যমে। অতঃপর তারা জুন ২০২০ এর বেতন সংগ্রহকে টার্গেট করে। তারা জানতে পারে যে, জুন ২০২০ মাসের বেতন সংগ্রহের সময় পুলিশ স্কট থাকবে না। এই তথ্য অনুযায়ী তারা ০৭ জুন ২০২০ তারিখে ডাকাতির মূল পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ঘটনার প্রায় ১২-১৫ দিন আগে গ্রেফতারকৃত মোঃ ঈসমাইল হোসেন@মামুন, মোঃ জলিল এবং মনোরঞ্জন মন্ডল @ বাবু মাঠ পর্যায়ে রেকী করে ডাকাতির জন্য সুবিধাজনক বিভিন্ন স্থান নির্বাচন করে।      গ্রেফতারকৃতরা জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন মূল দলটি প্রথমে ৩টি মোটর সাইকেল যোগে একটি সুবিধাজনক স্থানে মিলিত হয়। মোটর যানের পেছনের আরোহীরা সকলে অস্ত্র বহন করেছিল। এছাড়া সাগর মাহমুদ একটি বড় হ্যামার সাথে নেয়। অন্যদিকে টাকা বহনের জন্য একটি প্রাইভেটকার জামগড়া নামক স্থানে অপেক্ষা করছিল। গ্রেফতারকৃত মনোরঞ্জন মন্ডল @ বাবু বর্ণিত গার্মেন্টস এর নিকটবর্তী স্থান থেকে হালনাগাদ তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করছিল। গ্রেফতারকৃত মনোরঞ্জন মন্ডল @ বাবু ১১১৫-১১৩০ ঘটিকার দিকে মোবাইলে মূলহোতা মোঃ জলিল’কে জানায় যে, গার্মেন্টস থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য গমনকারী মাইক্রোবাস ব্যাংকের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছে। অতঃপর ৪/৫ মিনিটের মধ্যে মাইক্রোবাসটি উক্ত সুবিধাজনক স্থান অতিক্রম করে। তখন সফিপুর অপেক্ষমান তিনটি মোটরসাইকেল নিরাপদ দূরে থেকে মাইক্রোবাসটি অনুসরণ করতে থাকে। মাইক্রোবাসটি ব্যাংকে পৌঁছালে মোটরসাইকেল আরোহীরা ব্যাংক হতে দূরবর্তী স্থানে থেকে মাইক্রোবাসটি নজরদারী করতে থাকে। টাকা উত্তোলনের পর মাইক্রোবাসটি যখন রওনা দেয় তখন পূনরায় উক্ত ৩টি মোটর সাইকেল অনুসরণ শুরু করে। প্রথমে মূল হোতা মোঃ জলিল বহনকারী মটর সাইকেল এবং অপরটি গ্রেফতারকৃত সাগর মাহমুদ চালিত মোটর সাইকেল মাইক্রোবাসের সামনে গিয়ে মাইক্রোবাসের গতি কমিয়ে দেয় এবং গ্রেফতারকৃত মোঃ রিয়াজ চালিত মোটর সাইকেল (৩য় মোটর বাইক) রাস্তায় চলমান নোয়া মাইক্রোবাস থামিয়ে দিয়ে কৌশলে ব্যারিকেড দিয়ে ফেলে। ফলে বেতন বহণকারী মাইক্রোবাসটি সম্পূর্ণ থেমে যায়। ঘটনাটি সংগঠিত হয় কালিয়াকৈর থানাধীন খাড়াজোড়া এলাকায় নির্মানাধীন ফ্লাইওভার এর দক্ষিণ পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। অতঃপর ডাকাত দলের সদস্যরা লোহার হ্যামার দিয়ে বেতনবাহী মাইক্রোবাস এর গøাস ভেঙ্গে দেয় ও পিস্তলসহ অতর্কিতভাবে মাইক্রোবাস এর সামনে গøাস লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে। এতে একটি গুলি ফ্যক্টরীর সহকারী মার্চেন্ডার রাজীব মজুমদার শুভ (২৮) এর গলায় লাগে এবং গুরুতর জখম প্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে তারা মাইক্রোবাসের ভিতরে থাকা ফ্যাক্টরীর লোকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোরপূর্বক উল্লেখিত টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রæত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পুরো ঘটনাটি ৫-১০ মিনিট এর মধ্যে সংগঠিত হয়। ঘটনাস্থলে ডাকাতদের এলোপাতারি গোলাগুলির ফলে দূঘটনাক্রমে তাদের দলের মূল হোতা মোঃ জলিল হাতে গুলিবিদ্ধ হয়। পরবর্তীতে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে সে ২ দিন চিকিৎসাধীন ছিল।     গ্রেফতারকৃতরা তাদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করা সম্পর্কে জানায় যে, ঘটনাস্থল ত্যাগ করার প্রাক্কালে মোটর সাইকেলে থাকা পুরাতন কাপড় দিয়ে জলিলের ক্ষত হাত বেধে নেয়। অতঃপর তারা মোটর সাইকেল যোগে জামগড়া কাশিমপুর রোডে  অপেক্ষমান প্রাইভেট কারের নিকট পৌছালে গুলিবিদ্ধ মোঃ জলিল এবং লুটকৃত টাকা নিয়ে সাগর মাহমুদ ও মোঃ রিয়াজ ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। উল্লেখ্য, উক্ত প্রাইভেটকারের মালিক সাগর। সাগরের ড্রাইভার প্রাইভেট কারটি নিয়ে অপেক্ষা করছিল। জামগড়া হতে সাগরের ড্রাইভার সাগর মাহমুদ চালিত মোটর বাইকটি চালিয়ে নিয়ে যায়।      প্রাইভেট কারটি পথিমধ্যে মগবাজার এলাকায় থেমে জলিলের জন্য পরিধেয় বস্ত্র ক্রয় করে। অতঃপর তারা সকলেই সাগরের খিলগাঁও বাসায় যায়। এ সময় মোটর সাইকেল আরোহীরা বাসার বাইরে অবস্থান করতে থাকে। তারা জলিলের জামা-কাপড় পরিবর্তন করা হলে মোঃ জলিলকে নিয়ে মালিবাগের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের উদ্দেশ্যে গমন করে। এ সময় পথিমধ্যে তারা টাকাগুলো ভাগ করে সদস্যদের মাঝে পৌছান হয়। অংশগ্রহন ভেদে ৮ লক্ষ ২০ হাজার হতে ৫ লক্ষ টাকা এবং অস্ত্র বহন ও গুলি এবং প্রাইভেট কার প্রদান করার জন্য আলাদা আলাদা ভাবে টাকা দেওয়া হয়।      গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, মূলত ৮-১০ জনের একটি সিন্ডিকেটে এই ডাকাতির ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এরা সবাই পেশাদার অপরাধী। এই দলের মূল হোতা গ্রেফতারকৃত মোঃ জলিল। জলিলের বিরুদ্ধে বরিশালের বাবুগঞ্জ থানায় হত্যা মামলাসহ ছিনতাই, প্রতারণাসহ নানা অপরাধের মামলা রয়েছে। বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত থাকায় গ্রেফতার এড়াতে ২০১৬ সালে সে প্রবাসে পাড়ী জমায়। সে বিগত ৭-৮ মাস পূর্বে দেশে ফিরে আসে।     সিন্ডিকেট সম্পর্কিয় জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, এই সিন্ডিকেটে ডাকাতি, ছিনতাই ছাড়াও সদস্যরা নিজে বা বিভিন্ন গ্রæপের সাথে যুক্ত হয়ে মাদক, চাদাঁবাজী ও পতিতাবৃত্তির ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। ঢাকাসহ আশেপাশের অন্যান্য এলাকায় ভাড়াকৃত ফ্লাটে পতিতাবৃত্তি পরিচালনা করে থাকে। ক্ষেত্র বিশেষে তারা খদ্দেরকে জিম্মি করে অস্ত্রের মুখে অর্থ আদায় করে থাকে। পতিতাবৃত্তির ব্যবসাটি সাগর মাহমুদ পরিচালনা করে। এছাড়া সে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সাথে জড়িত হয়ে বিবিধ ধরনের অপরাধ সংগঠনের জন্য সমন্বয়  করে থাকে। এ ক্ষেত্রে মোঃ রিয়াজ তার  অন্যতম সহযোগী । গ্রেফতারকৃত সাগরের নামে ঢাকার পল্টন, বনশ্রী, চকবাজার, সূত্রাপুরসহ বিভিন্ন থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তবে পটুয়াখালী জেলা শহরে একটি মিষ্টির দোকান আছে।     সিন্ডিকেটের আরেক সদস্য ঈসমাইল হোসেন @ মামুন’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে বিভিন্ন ডলার প্রতারনা, ডাকাতি ও ছিনতাই এর সাথে জড়িত। ২০০৭ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রবাসে ছিল। প্রবাসে থাকাকালীন সময়ে মূল হোতা গ্রেফতারকৃত জলিলের সাথে পরিচয় হয়। মামুনের নামে ডলার প্রতারনার মামলা আছে বলে জানা যায়।     সিন্ডিকেটের আরেক সদস্য মনোরঞ্জন মন্ডল @ বাবুু’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে পেশায় একজন দর্জি ছিল। মনোরঞ্জন মন্ডল @ বাবু মূলত সিন্ডিকেটের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে কাজ করে। ঈসমাইল হোসেন @ মামুন ও মোঃ জলিলের সাথে পরিচয় হওয়ার পর মোঃ জলিল তাকে তাদের সিন্ডিকেটের তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োগ দেয়।