সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেড এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক পরিচয়ে শীর্ষ প্রতারক শাহীরুল ইসলাম সিকদার (৪৮)’কে বিপুল পরিমান দেশী-বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪। ✱ র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানাধীন এলাকা হইতে সাইবার বুলিং ও পর্ণোগ্রাফী মামলার একজন ভন্ড কবিরাজ আহাদুর রহমান (৩৫) গ্রেফতার। ✱ র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন এলাকা হইতে ওয়ারেন্টভূক্ত একজন পলাতক আসামী গ্রেফতার । ✱ র‌্যাব-৯, সিলেট এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সিলেট এর যৌথ অভিযান এসএমপি সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকায় পণ্যের মূল্যে তালিকা না প্রকাশ করে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয়সহ অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয় করাসহ পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করায় “জরিমানা”। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর লালখান বাজার এলাকায় চাঁদা আদায়কালে ০৫ জন কিশোর গ্যাং এর সক্রিয় সদস্যকে চাঁদা আদায়ের নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্রসহ হাতে নাতে আটক। ✱ র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানাধীন এলাকা হতে ১৭১ বোতল ফেন্সিডিল সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী মোড় এলাকা হতে রাজধানী পল্লবীর “সাহিনুদ্দীন” হত্যাকান্ডের নৃশংস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর “যতন সাহা” হত্যাকান্ড বলে প্রচার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের অভিযোগে ০১ জন আটক। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা হতে জীনের বাদশা সেজে সকল সমস্যার সমাধান করার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের প্রতারক চক্রের ০৫ জন সক্রিয় সদস্য আটক। ✱ র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন এলাকা হতে ৩০ কেজি গাঁজা ও ০৩ বোতল বিয়ার এবং একটি প্রাইভেটকারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১৭ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস জব্দ । ✱

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দনিয়া কলেজে কিশোর অপরাধ নির্মূলে বিশেষ জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে র‌্যাব-১০।

২৪ অক্টোবর ২০২১ খ্রিঃ তারিখ র‌্যাব-১০ কিশোর অপরাধসহ শিশু ও কিশোরদের নানাবিধ অপরাধ নির্মূলে ছাত্রছাত্রীসহ জনমনে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন দনিয়া কলেজে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করে। উক্ত সভায় প্রাধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব অধ্যাপক নেহাল আহম্মেদ, চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব, মাহ্ফুজুর রহমান, বিপিএম, এ্যাডিশনাল ডিআইজি, অধিনায়ক র‌্যাব-১০। এছাড়াও উক্ত সভায় দনিয়া কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক মন্ডলি, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ছাত্রছাত্রীসহ র‌্যাব-১০ এর সকল শ্রেণীর অফিসার ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক মহোদয় বর্তমান সময়ে মোবাইলসহ অন্যান্য ডিভাইসের অপব্যবহার করে কিভাবে কিশোরা বিভিন্ন অপরাধের সহিত জড়িয়ে পরবর্তীতে বড় ধরনের অপরাধে সংঘটিত করছে তার বিশাদ আলোচনা করেন এবং র‌্যাব-১০ কতৃক ধৃত বিভিন্ন কিশোর অপরাধীদের উদাহরন দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বোঝানোর চেস্টা করেন। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কিশোর অপরাধ কমানোর জন্য শিশু কিশোরদের বেশী বেশী বই পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করেন।  

ঢাকা জেলার আশুলিয়া হতে চাঞ্চল্যকর ০৩ বছরের শিশু অপহরণের ০২ দিন পর সিরাজগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৪ঃ অপহরনকারী গ্রেফতার।

গত ২১/১০/২০২১ ইং তারিখে অভিযোগের ভিত্তিতে জানতে পারা যায় যে, ২১/১০/২০২১ তারিখ আনুমানিক দুপুর  ০১.০০ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ, কবরস্থান রোড এলাকা থেকে ০৩ বছর ০৬ মাসের শিশু আফিয়া অপহৃত হয়। উক্ত ঘটনার দিনই অপহরকারী মোবাইল ফোনে শিশুটির পিতা-মাতার নিকট ০৪ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে এবং উক্ত টাকা না দিলে অপহৃত শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৪ এর একটি গোয়েন্দা দল অপহরণকারীর অবস্থান শনাক্তে  ছায়া তদন্ত শুরু করে। আভিযানিক দল প্রথমে অপহরকারীর নিজ জেলা পাবনা জেলা এবং শ্বশুড় বাড়ী নাটোর এর বড়াইগ্রাম থানায় অভিযান পরিচালনা করে তথ্য সংগ্রহ পূর্বক সর্বশেষে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, অপহরণকারী সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাজাদপুর থানায় দূর্গম চরাঞ্চলে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গত ২২/১০/২০২১ তারিখ সকাল ০৯০০ ঘটিকা হতে অদ্য ২৪/১০/২০২১ তারিখ ভোর ০৬০০ ঘটিকা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানাধীন এলাকার বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানাধীন ১০ নং কৈজুরি ইউপি ০৭ নং ওয়ার্ডের বাধ সংলগ্ন সুইসগেট এলাকার একটি বাসা হতে অপহৃত শিশু আফিয়াকে উদ্ধারপূর্বক অপহরণকারী মোঃ রানা আহমেদ বাকি (৩৪), জেলা- পাবনা’কে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়।     গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, অপহরণকারী মোঃ রানা আহমেদ বাকি বিগত ০২ বছর যাবৎ আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ কবরস্থান রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। অপহরণকারী পেশায় একজন রিক্সা চালক। সে বেশিরভাগ সময় রাত্রে রিক্সা চালাত, দিনে বাসায় থাকত এবং মাঝে মাঝে স্থানীয় একটি কয়েল ফ্যাক্টরিতে কাজ করত বলে জানা যায়। সে বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় সে ভূয়া ঠিকানা ব্যবহার করে তার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলায় এবং নানি বাড়ি ধামরাই থানায় বলে জানায়। সে নিজেকে অবিবাহিত বলে পরিচয় দিত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক, বড় মেয়ের বয়স ০৯ বছর এবং ছোট ছেলের বয়স ১০ মাস। তার নিজ বাড়ি পাবনা জেলার সদর থানায় ভাউডাঙ্গা গ্রাম এবং শ^শুড় বাড়ি নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম থানায়।  ভিকটিম শিশুটির বাবা আবুল কালাম আজাদ (২৮) ও মা সোনিয়া বেগম (২৭) দুজনই গার্মেন্টসে চাকুরী করার কারণে মেয়েকে দীর্ঘ দিনের পরিচিত আনোয়ারা নামে সম্পর্কে এক বয়বৃদ্ধ নানির বাসায় রেখে অফিসে যেত। এই নানির পাশের রুমে অপহরণকারী রানা ১০০০ টাকা ভাড়ায় বসবাস করত। সেই সুবাদে প্রায় সময়ই ভিকটিম শিশুটি তার কাছে যাতায়াত করত। পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক অপহরণকারী রানা ভিকটিম শিশু আফিয়া’কে মাঝে মাঝে তাকে বিভিন্ন শিশুখাদ্য চকলেট, চিপস্ ও খেলনা কিনে দিয়ে সখ্যতা গড়ে তোলে এবং শিশু আফিয়া তাকে মামা বলে ডাকত। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ০৪ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের লক্ষ্যে সে শিশুটিকে অপহরণের পরিকল্পনা করে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, অপহরণকারী রানা আহমেদ ২০০৯ সালে জমি-জমা বিক্রি ও ঋণ করে দুবাই গমন করে কিন্তু সঠিক কাগজপত্র না থাকায় ২৩ দিন জেল খেটে যাকাত ভিসায় দেশে ফেরত আসে। দেশে ফেরত আসার পর থেকে সে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে ঋণের টাকা পরিশোধ  করতে পারছিলনা। ঋণের ৩/৪ লক্ষ টাকা পরিশোধের জন্য সে এই অপহরণের পরিকল্পনা করে বলে স্বীকার করেছে। পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক শিশু ভিকটিমের বাবা-মা দুজনেই বাসায় না থাকায় গত ২১/১০/২০২১ তারিখ দুপুর অনুমানিক ০১.০০ ঘটিকার সময় শিশুটিকে অপহরণ করার উদ্দেশ্যে প্রথমে তাকে একটি চিপস্ কিনে দিয়ে পল্লীবিদ্যুৎ হতে রিক্সাযোগে বলিভদ্র বজারে যায়। সেখান থেকে শিশুটিকে গেঞ্জি ও সেন্ডেল কিনে দেয়। পরবর্তীতে বলিভদ্র হতে বাস যোগে চন্দ্রা যায়। চন্দ্রা বাসষ্ট্যান্ড হতে বাসযোগে অনুমানিক ০৩.০০ ঘটিকার সময় সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে। একই তারিখ রাত আনুমানিক ০৯.৩০ ঘটিকার সময় সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানাধীন ১০ নং কৈজুরি ইউপি ০৭ নং ওয়ার্ডের বাধ সংলগ্ন সুইসগেট এলাকায় তার এক বন্ধু রবিউল এর বাড়ীতে পৌঁছে। তার বন্ধুকে সে শিশুটি তার নিজের মেয়ে বলে পরিচয় দেয় এবং বন্ধুকে জানায় তার স্ত্রীর সাথে বনিবনা হচ্ছেনা বিধায় কিছুদিন থেকে চলে যাবে। আসামী রানা আহম্মেদ পূর্বে আরও কোন অপরাধের সাথে জড়িত কিনা সে সম্পর্কে স্থানীয় থানায় এবং এলাকায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।              উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। অদূর ভবিষ্যতেও এইরুপ শিশু অপহরণকারী চক্রের বিরুদ্ধে র‌্যাব-৪ এর জোড়ালো অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১৭ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস জব্দ ।

২৪ অক্টোবর ২০২১ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক রাত ০৩:৩৫ হতে ০৪:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব- ১০ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন গোলাপবাগ এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ৫,১০,০০০/-(পাঁচ লক্ষ দশ হাজার) টাকা মূল্যের  ১৭ (সতের) কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের নাম ১। মোঃ খোরশেদ আলম (৩৭) ও ২। মোঃ ইউসুফ (৩৭) বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ০১টি মাইক্রোবাস, ০৩টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১০১০/- (এক হাজার দশ) টাকা জব্দ করা হয়।     প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ মাইক্রোবাসযোগে দেশের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা হতে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে যাত্রাবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ আসছিল বলে জানা যায়।      গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।   

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন এলাকা হতে ৩০ কেজি গাঁজা ও ০৩ বোতল বিয়ার এবং একটি প্রাইভেটকারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

২৪ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ০৬:১৫ ঘটিকার সময় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী প্রাইভেটকার যোগে মাদকদ্রব্য নিয়ে যাওয়ার গোপন সংবাদ প্রাপ্তী অন্তে তৎক্ষনাত র‌্যাব-৯, সিপিসি-১ কোম্পানী (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জ) এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন মাধবপুর টু শাহপুর গামী রাস্তায় সময় ৬.৩০ ঘটিকায় উপস্থিত হয়ে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন ৫নং আন্দিউড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মাধবপুর টু শাহপুর সড়কের দিঘীর পাড় সোনাই নদী ব্রীজ এর পাশে কাঁচা রাস্তার উপর হইতে প্রাইভেটকারের গতিরোধ করার প্রাক্কালে গাড়ী হইতে ০২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি পালিয়ে যায় এবং অপর ০১ জনকে আটক পূর্বক তল্লাশী করে ৩০ কেজি গাঁজা ও ০৩ বোতল বিয়ার এবং প্রাইভেটকার উদ্ধার পূর্বক ধৃত ব্যক্তি মোঃ জাহিদুল ইসলাম @ জুলহাস (২৬), পিতা- মোঃ জোবায়ের আহম্মেদ, মাতা- মনি বেগম, সাং- জয়শ্রী, মুন্সি বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃত আসামীকে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১৯(গ)/২৪(ক)/৩৮/৪১ ধারা মূলে মামলা দায়ের পূর্বক হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা হতে জীনের বাদশা সেজে সকল সমস্যার সমাধান করার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের প্রতারক চক্রের ০৫ জন সক্রিয় সদস্য আটক।

চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকায় কতিপয় প্রতারক চক্র দীর্ঘ দিন যাবৎ গুরু ও আধ্যাতিক ক্ষমতা সম্পন্ন জ্বিন পরীদের বাদশা সেজে পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিক সমস্যসহ সকল সমস্যার সমাধান করে দিবে মর্মে প্রতারণার মাধ্যমে জনসাধারণকে ঠকিয়ে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ১৯১৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সুকৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী ১। মোঃ সাজেদ আফসার (২১), পিতা- মোঃ নুরুল আফসার, সাং- চৌধুরী হাট,  থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম, ২। মোঃ জাহিদুল আলম (২৪), পিতা- মোঃ শামসুল আলম, সাং- বাগুয়ান, থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম, ৩। মোঃ আবুল কালাম @ রাজন (২১), পিতা- মোঃ আবুল কাশেম, সাং- চৌধুরী হাট , থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম, ৪। মোঃ তানজিল (১৯), পিতা- মোঃ নাসের, সাং- ব্রাক্ষন হাট, থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম এবং ৫। মোঃ সজিব (১৯), পিতা- মোঃ নুরুল আজিম, সাং- কচু কাইন, থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম মহানগরীদের আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স¦ীকার করে যে, দীর্ঘদিন যাবৎ গুরু ও আধ্যাতিক ক্ষমতা সম্পন্ন জ্বিন পরীদের বাদশা সেজে পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিক সমস্যসহ সকল সমস্যার সমাধান করে দিবে মর্মে প্রতারণার মাধ্যমে জনসাধারণকে ঠকিয়ে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী মোড় এলাকা হতে রাজধানী পল্লবীর “সাহিনুদ্দীন” হত্যাকান্ডের নৃশংস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর “যতন সাহা” হত্যাকান্ড বলে প্রচার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের অভিযোগে ০১ জন আটক।

গত ১৬ই মে ২০২১ তারিখে রাজধানী পল্লবীর “সাহিনুদ্দীন” হত্যাকান্ডের নৃশংস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর “যতন সাহা” হত্যাকান্ড বলে প্রচার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ব্যাপক গোয়েন্দা নজরধারী বৃদ্ধি করে। গোয়েন্দা নজরধারীর এক পর্যায়ে গত ২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ২৩৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী রিমন শীল (২০), পিতা-বিজয় শীল, সাং-শাহী মিরপুর, ফকিনিরহাট, থানা-কর্ণফুলী, বর্তমানে সাং-ফিরিঙ্গি বাজার ইয়াকুব নগর, থানা-কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম মহানগরকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজধানী পল্লবীর “সাহিনুদ্দীন” হত্যাকান্ডের নৃশংস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর “যতন সাহা” হত্যাকান্ড বলে অপপ্রচারের সাথে সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে, এবং উক্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই ভিডিও টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করেন।

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানাধীন এলাকা হতে ১৭১ বোতল ফেন্সিডিল সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ২১:৩৫ ঘটিকার সময় মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয়ের সংবাদ প্রাপ্তী অন্তে র‌্যাব-৯, স্পেশাল কোম্পানী (ইসলামপুর ক্যাম্প, সিলেট) এর একটি আভিযানিক দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সামিউল আলম এবং এএসপি তুহিন রেজা এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানাধীন উপরগ্রাম গ্রামস্থ আনফরের ভাঙ্গা নামক স্থানে জনৈক মোঃ সালমান শাহ এর চায়ের দোকানের পিছনে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য তথা ফেন্সিডিল নিয়ে অবস্থান করিতেছে। র‌্যাব-৯ এর স্পেশাল কোম্পানী এর আভিযানিক দলটি অতিঃ পুলিশ সুপার মোঃ সামিউল আলম এবং এএসপি তুহিন রেজা এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ঘেরাও পূর্বক উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম ১। মোঃ মইনুল হোসেন (৩২), পিতা- মৃত আঃ জব্বার, সাং- বগাইয়া আসাম বস্তি, থানা- গোয়াইনঘাট, জেলা- সিলেট। পরবর্তীতে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে তল্লাশী করে তার হেফাজতে রক্ষিত স্থান হতে ১। ফেন্সিডিল ১৭১ বোতল, আনুমানিক মূল্য-১,৭১,০০০/- টাকা, ২। মোবাইল ০১টি, ৩। সীম ০১টি উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও সে আরও স্বীকার করে যে, সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকায় ফেন্সিডিল বিক্রয় করিয়া আসিতেছে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য তথা ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতারকৃত আসামীকে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১৪(গ) ধারা মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর লালখান বাজার এলাকায় চাঁদা আদায়কালে ০৫ জন কিশোর গ্যাং এর সক্রিয় সদস্যকে চাঁদা আদায়ের নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্রসহ হাতে নাতে আটক।

গত ২৩ অক্টোবর ২০২১ইং তারিখ ভিকটিম র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামে অভিযোগ করেন যে, গত ১৮ অক্টোবর ২০২১ইং তারিখ চট্টগ্রাম মহানগরীর লালখান বাজার এলাকায় নির্মাণাধীন বাড়ীর কাজ শুরু করলে কতিপয় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য তার নিকট হতে চাঁদা দাবী করে। চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ০৩ দিনের মধ্যে টাকা না দিলে কাজ করতে দেওয়া হবেনা মর্মে হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে তিনি কাজ শুরু করলে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা শ্রমিকদের মারধর করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় এবং চাঁদা দিলেই কাজ শুরু করা যাবে এই মর্মে হুমকি প্রদান করে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা যাচাই করার লক্ষ্যে একই তারিখ ১৩০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঁদাবাজির নগদ ৪৪,৫০০ টাকাসহ আসামী ১। মোঃ আরিফ হোসেন @ লোকমান (২৭), পিতা-মোঃ সুলতান আহমেদ, সাং-পিপিয়াকান্দি, থানা-দাউদকান্দি, জেলা-কুমিল্লা, ২। মোঃ হৃদয় (২০), পিতা-মোঃ রিপন, সাং-মসজিদ কলোনী, থানা-খুলশী, চট্টগ্রাম মহানগর, ৩। মোঃ শুকুর (২১), পিতা-মৃত আহম্মদ আলী, সাং- তুলা পুকুরপার, থানা-খুলশী, চট্টগ্রাম, ৪। মোঃ আরিফ (১৯), পিতা-মোঃ কামাল, সাং-হাই লেভেল রোড, থানা- খুলশী, চট্টগ্রাম মহানগর এবং ৫। মোঃ মীর হোসেন (১৯), পিতা-মোঃ মান্নান মিয়া, সাং-তুলাপুকুরপার, থানা- খুলশী, চট্টগ্রাম মহানগরীদের গ্রেফতার করে।      পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেহ তল্লাশি করে ১নং আসামীর পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে ০১ টি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কিশোর গ্যাং এর সক্রিয় সদস্য এবং দীর্ঘদিন যাবৎ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন পূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছে।      গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 

র‌্যাব-৯, সিলেট এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সিলেট এর যৌথ অভিযান এসএমপি সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকায় পণ্যের মূল্যে তালিকা না প্রকাশ করে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয়সহ অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয় করাসহ পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করায় “জরিমানা”।

২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ১৫:০০ ঘটিকা হইতে ১৬:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব-৯, ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সিলেট এর একটি আভিযানিক দল সিনিঃ এএসপি লুৎফুর রহমান এবং জনাব আমিরুল ইসলাম মাসুদ এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসএমপি সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৩ টি প্রতিষ্ঠানকে ১। মামলা নং- ১৫১/১৫১; জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আইন, ২০০৯ এর ৩৭ এবং ৪৩ ধারায় আপন রেস্তোরা কে = ৪০,০০০/- , ২। মামলা নং- ১৫২/১৫২; জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আইন, ২০০৯ এর ৩৯, ৪০, ৪৩ ধারায় জসীম উদ্দিন রেস্তোরা কে = ১৫,০০০/-  এবং ৩। মামলা নং- ১৫৩/১৫৩; জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আইন, ২০০৯ এর ৪০, ৫১ ধারায় রজেস ফাস্ট ফুড কে = ৫,০০০/- টাকা সহ সর্বমোট = ৬০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয় এবং জরিমানাকৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয়েছে।

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন এলাকা হইতে ওয়ারেন্টভূক্ত একজন পলাতক আসামী গ্রেফতার ।

২৩ অক্টোবর ২০২১ তারিখ সকাল ১০.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-১, হবিগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন নতুন ব্রীজ গোলচত্তর এর পশ্চিম পাশে দিগন্ত বাস কাউন্টারের সামনে কাঁচা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে চুনারুঘাট থানার থানার জি আর নং- ০৮/১৯ মূলে পলাতক আসামী মোঃ আব্দুল হাই (৩২), আব্দুল মতিন, সাং- আজিমাবাদ, থানাঃ চুনারুঘাট, জেলাঃ হবিগঞ্জ’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামী’কে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।