সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
র‌্যাব—৮, বরিশাল এর অভিযানে ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাব-৩ এর অভিযানে রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকা হতে প্রেস কর্মচারী রাসেল হত্যাকান্ডের মূল আসামী রক্তমাখা ছুরিসহ গ্রেফতার ✱ ফেনী জেলার ফেনী মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০১ টি শর্টগান, ০২ টি পাইপগান, ০৫ রাউন্ড গুলি এবং বিপুল পরিমান দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারসহ ০১ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ✱ মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে বিদেশী রিভলবারসহ ০১ জন অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার ✱ র‌্যাব ৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানা এলাকা থেকে বিদেশী মদসহ ০১ জন পেশাদার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ✱ র‌্যাব-২ এর অভিযানে রাজধানীর আদাবর থানা এলাকা হতে বালিশের ভিতরে লুকিয়ে আনা ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের হেরোইনসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন মদনপুর এলাকা হতে ৩৯৯ বোতল ফেন্সিডিল ও ০১ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার | ✱ ঢাকার ডেমরা ও দক্ষিন কেরাণীগঞ্জে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ২৮ জুয়াড়ি গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাক জব্দ। ✱ র‌্যাব-৪ এর অভিযানে রাজধানীর মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকা হতে ২ জন অনলাইন প্রতারক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, বিপিএম, পিপিএম

মহাপরিচালক, র‌্যাব ফোর্সেস
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)

আমাদের জানুন

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের উন্নতির পথে যে সকল বাধা বিপত্তি রয়েছে তার মধ্যে, অস্থিতিশীল আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অন্যতম। এরকম একটি পরিস্থিতিতে যখন সমাজের প্রত্যেকটা মানুষ অনিশ্চিয়তার মাঝে ভুগছিল, তখন পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার একটি এলিট ফোর্স গঠনের পরিকল্পনা করে। ক্রমান্বয়ে সভা-সমন্বয়, আলোচনা ও গবেষনার পর সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্ববধানে  বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সংক্ষেপে র‌্যাব ফোর্সেস নামে একটি এলিট ফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। গত ২৬ মার্চ ২০০৪ তারিখে জাতীয় স্বাধীনতা দিবস প্যারেডে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) জনসাধারনের সামনে আত্মপ্রকাশ করে। জন্মের পরপরই এই ফোর্সের ব্যাটালিয়নসমূহ সাংগঠনিক কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকে এবং স্ব স্ব এলাকা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। এর মাঝে প্রথম অপারেশনাল দায়িত্ব পায় ১৪ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান-রমনা বটমুলে নিরাপত্তা বিধান করার জন্য । এর পর আবার র‌্যাব মূলত তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিল। গত ২১ জুন ২০০৪ থেকে র‌্যাব ফোর্সেস পূর্ণাঙ্গভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।

মহাপরিচালক

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, বিপিএম, পিপিএম

মহাপরিচালক, র‌্যাব ফোর্সেস

অতিরিক্ত মহাপরিচালকগণ

কর্ণেল কে এম আজাদ, বিপিএম, পিএসসি

অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস্)

ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, পিপিএম

অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন)

পরিচালকগণ

লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ এফতেখার উদ্দিন,বিপিএম (সেবা), পিএসসি, এলএসসি,এএসসি

পরিচালক - অপারেশনস্ উইং

লেঃ কর্ণেল মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম, পিএসসি

পরিচালক - ইন্টেলিজেন্স উইং

উইং কমান্ডার মোঃ আসাদুজ্জামান

পরিচালক - এ্যাডমিন অ্যান্ড ফাইন্যান্স উইং

লেঃ কর্ণেল মোঃ কুতুব উদ্দিন খান, পিএসসি

পরিচালক (প্রকল্প) - এ্যাডমিন অ্যান্ড ফাইন্যান্স উইং

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন, (সি), বিপিএম, পিএসসি, বিএন

পরিচালক - লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং

লেঃ কর্ণেল তানভীর মাহমুদ পাশা, পিএসসি, বীর

পরিচালক - কমিউনিকেশন অ্যান্ড এমআইএস উইং

অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মোঃ রেজাউল হায়দার, পিপিএম(বার)

পরিচালক - ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড ফরেনসিক উইং

অতিঃ ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন খান, বিপিএম(বার), পিপিএম

পরিচালক - ট্রেনিং অ্যান্ড ওরিয়েন্টেশন উইং

লেঃ কর্ণেল মীর আসাদুল আলম, বিপিএম, ইবি

পরিচালক - এয়ার উইং

অতিঃ ডিআইজি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, বিপিএম, পিপিএম(বার)

পরিচালক - আর এন্ড ডি সেল

অধিনায়কগণ

লেঃ কর্ণেল মোঃ আব্দুল মোত্তাকিম, এসপিপি, পিএসসি, জি

অধিনায়ক - র‌্যাব - ১

লেঃ কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার, পিবিজিএম, পিবিজিএমএস

অধিনায়ক - র‌্যাব - ২

লেঃ কর্ণেল রকিবুল হাসান, পিএসসি, আর্টিঃ

অধিনায়ক - র‌্যাব - ৩

অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ মোজাম্মেল হক, বিপিএম(বার), পিপিএম(সেবা)

অধিনায়ক - র‌্যাব - ৪

লেঃ কর্ণেল মোঃ জিয়াউর রহমান তালুকদার, পিএসসি, সিগস্

অধিনায়ক - র‌্যাব - ৫

লেঃ কর্ণেল রওশনুল ফিরোজ, পদাতিক

অধিনায়ক - র‌্যাব - ৬

লেঃ কর্ণেল মোঃ মশিউর জুয়েল, পিএসসি

অধিনায়ক - র‌্যাব - ৭

অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ জামিল হাসান,বিপিএম-সেবা, পিপিএম

অধিনায়ক - র‌্যাব - ৮

লেঃ কর্ণেল আবু মুসা মোঃ শরিফুল ইসলাম, পিএসসি, এএসসি

অধিনায়ক - র‌্যাব - ৯

অতিরিক্ত ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান, বিপিএম

অধিনায়ক - র‌্যাব - ১০

লেঃ কর্ণেল খন্দকার সাইফুল আলম, পিবিজিএম, পিবিজিএমএস

অধিনায়ক - র‌্যাব - ১১

অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ রফিকুল হাসান গনি

অধিনায়ক - র‌্যাব - ১২

কমান্ডার রেজা আহমেদ ফেরদৌস, (এস), বিএন

অধিনায়ক - র‌্যাব - ১৩

লেঃ কর্ণেল আবু নাঈম মোঃ তালাত, ইঞ্জিনিয়ার্স

অধিনায়ক - র‌্যাব - ১৪

উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ,পিপিএম,পিএসসি,জিডি(পি)

অধিনায়ক - র‌্যাব - ১৫

র‌্যাব মনোগ্রাম এর বিভিন্ন অংশের তাৎপর্য

জাতীয় ফুল (শাপলা) : র‌্যাবের মনোগ্রামের শীর্ষভাগে অবস্থিত জাতীয় ফুল শাপলা। 

মনোগ্রামের সবুজ রংয়ের জমিনে লাল সূর্য : অনন্ত সবুজের দেশ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সবুজ জমিনের সাথে মিল রেখে র‌্যাবের মনোগ্রামের সবুজ ও লাল রংয়ের জমিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এলিট ফোর্সের প্রতিটি সদস্যের হৃদয়ে রয়েছে বাংলাদেশের পতাকার গৌরব সমুন্নত রাখার ‍বজ্রকঠিন প্রতিজ্ঞা।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ : মনোগ্রামের কেন্দ্রে অবস্থিত  বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য শহীদের আত্মত্যাগের প্রতীক স্মৃতিসৌধ। এই আত্মত্যাগের প্রতীক কর্মে অনুপ্রাণিত করে প্রতিটি র‌্যাব সদস্যকে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের উভয় দিকে ধানের শীষ : র‌্যাবের মনোগ্রামের স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতির দুই পাশে ধানের শীষ কৃষি প্রধান বাংলাদেশের ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি এবং সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতীক।

অগ্রগতির চাকা : র‌্যাবের মনোগ্রামের উৎকীর্ণ স্মৃতিসৌধের নিচে অবস্থিত ধাতব চাকা সময়ের সাথে দ্রুত উন্নয়নশীল বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রতীক । যে কোন মূল্যে সন্ত্রাস নির্মূল করে বাংলাদেশের অগ্রগতির চাকা সচল রাখতে র‌্যাব প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

র‌্যাবের মূলমন্ত্র: মনোগ্রামের সর্বনিম্নে উৎকীর্ণ ’বাংলাদেশ আমার অহংকার’ র‌্যাবের মূলমন্ত্র। এ মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত র‌্যাবের প্রতিটি সদস্য সন্ত্রাসমুক্ত সুখী এবং সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য  বজ্রকঠিন সংকল্পবদ্ধ।

লক্ষ্য

  • আইনের শাসন সমুন্নত রাখা।
  • সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণ।
  • জনগণের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সামাজিক শান্তি রক্ষা।
  • অপরাধ চিহ্নিতকরণ ও প্রতিরোধ।
  • আইন লংঘনকারীকে বিচারের আওতায় আনা।
  • শান্তি ও জনশৃঙ্খলা রক্ষা।
  • জনগণকে সুরক্ষা, সাহায্য ও সেবা প্রদান এবং আশ্বস্তকরণ।
  • সমব্যথী, বিনম্র ও ধৈর্যশীল হওয়া।
  • বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয় সাধন।
  • অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ এবং উন্নততর কর্ম সম্পাদনের পন্থা অন্বেষণ।

উদ্দেশ্য

সকল নাগরিককে সেবা প্রদান করা এবং বাসযোগ্য ও কর্মোপযোগী নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

র‌্যাবের দায়িত্ব সমূহ

  • অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দায়িত্ব।
  • অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক এবং এ জাতীয় অন্যান্য বস্তু উদ্ধার।
  • অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার।
  • আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করা।
  • সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা।
  • সরকার নির্দেশিত যে কোন অপরাধের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা।
  • সরকার নির্দেশিত যে কোন জাতীয় দায়িত্ব পালন করা।

র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

       পরিবার ও সমাজকে নিরাপদ রাখতে আপনাদের যা করণীয়

  • জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
  • ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না।
  • কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন।
  • আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্পূর্ন গোপন রাখা হবে।
  • বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান।
  • ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না।
  • যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া বিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহণ করা হইতে বিরত থাকা আবশ্যক।

র‌্যাব ব্যাটালিয়ন সমূহ

র‌্যাব উইংসমূহ