অপরাধী দমন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)

সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ অন এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ফোরামের কো-চেয়ার মনোনীত হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে র‌্যাব ফোর্সেস এর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। ✱ র‌্যাবের অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯,৭১০ পিস ইয়াবাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। মাদক পরিবহণে ব্যহৃত একটি ট্রাক জব্দ। ✱ র‌্যাবের অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন চন্দ্রাবিল এলাকায় চাঞ্চল্যকর লেগুনা চালক নাজমুল হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামী ইমন (২৩) কে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে গ্রেফতার। ✱ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যুদের অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ র‌্যাবের তত্ত্বাবধানে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট আত্মসমর্পণ ✱ র‌্যাবের অভিযানে ঢাকা মহানগরীর পল্টন ও যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকা হতে দুটি পৃথক পৃথক অভিযানে সর্বমোট ১৫৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০৬ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজশাহী কর্তৃক ০১ কেজি ৯৮০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন হারবাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪,৪৫৫ পিস ইয়াবাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার স্টেডিয়াম এলাকা থেকে ৩০০ লিটার মদ জব্দসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও নয়াবাড়ী কাঁচপুর এলাকা হতে চাঁদাবাজ চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার। ✱ র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর পল্লবী থেকে সাভার থানার চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার মূলহোতাকে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার। ✱

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, বিপিএম, পিপিএম

মহাপরিচালক, র‌্যাব ফোর্সেস
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)

আমাদের জানুন

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের উন্নতির পথে যে সকল বাধা বিপত্তি রয়েছে তার মধ্যে, অস্থিতিশীল আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অন্যতম। এরকম একটি পরিস্থিতিতে যখন সমাজের প্রত্যেকটা মানুষ অনিশ্চিয়তার মাঝে ভুগছিল, তখন পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার একটি এলিট ফোর্স গঠনের পরিকল্পনা করে। ক্রমান্বয়ে সভা-সমন্বয়, আলোচনা ও গবেষনার পর সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্ববধানে  বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সংক্ষেপে র‌্যাব ফোর্সেস নামে একটি এলিট ফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। গত ২৬ মার্চ ২০০৪ তারিখে জাতীয় স্বাধীনতা দিবস প্যারেডে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) জনসাধারনের সামনে আত্মপ্রকাশ করে। জন্মের পরপরই এই ফোর্সের ব্যাটালিয়নসমূহ সাংগঠনিক কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকে এবং স্ব স্ব এলাকা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। এর মাঝে প্রথম অপারেশনাল দায়িত্ব পায় ১৪ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান-রমনা বটমুলে নিরাপত্তা বিধান করার জন্য । এর পর আবার র‌্যাব মূলত তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিল। গত ২১ জুন ২০০৪ থেকে র‌্যাব ফোর্সেস পূর্ণাঙ্গভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।

র‌্যাবের দায়িত্ব সমূহ

  • অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দায়িত্ব।
  • অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক এবং এ জাতীয় অন্যান্য বস্তু উদ্ধার।
  • অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার।
  • আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করা।
  • সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা।
  • সরকার নির্দেশিত যে কোন অপরাধের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা।
  • সরকার নির্দেশিত যে কোন জাতীয় দায়িত্ব পালন করা।

র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

       পরিবার ও সমাজকে নিরাপদ রাখতে আপনাদের যা করণীয়

  • জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
  • ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না।
  • কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন।
  • আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্পূর্ন গোপন রাখা হবে।
  • বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান।
  • ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না।
  • যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া বিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহণ করা হইতে বিরত থাকা আবশ্যক।

টিভিসি

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ অন এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ফোরামের কো-চেয়ার মনোনীত হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে র‌্যাব ফোর্সেস এর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন।

”ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ অন এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স” ফোরামের কো-চেয়ার মনোনীত হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে র‌্যাব ফোর্সেস এর পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন।

র‌্যাবের অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯,৭১০ পিস ইয়াবাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। মাদক পরিবহণে ব্যহৃত একটি ট্রাক জব্দ।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম হতে ট্রাকযোগে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য নিয়ে কুমিল্লার দিকে যাচ্ছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৮ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখ ২২৫৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী এলাকার দক্ষিন জাহানাবাদ বি.এন. সোনারগাঁ ফিলিং স্টেশনের বিপুরীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাকা রাস্তার উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশী শুরু করে। এ সময় র‌্যাবের চেকপোস্টের দিকে আসা চট্টগ্রাম হতে কুমিল্লাগামী একটি ট্রাকের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে র‌্যাব সদস্যরা ট্রাকটিকে থামানোর সংকেত দিলে ট্রাকটি চেক পোস্টের সামনে থামিয়ে দুইজন ব্যক্তি দ্রæত পালিয়ে চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে ট্রাকটি আটক পূর্বকঃ আসামি ১। মোঃ সজীব সরদার(২২), পিতা- মোঃ হাবিবুর রহমান, সাং- কালিসুরি (সরদার বাড়ী), থানা- বাউফল, জেলা- পটুয়াখালী এবং চালক ২। মোঃ ইব্রাহীম (৪০),  পিতা- মৃত আজম্বর আলী মুন্সী, সাং- লক্ষীপাড়া, থানা- মহিপুর, জেলা- পটুয়াখালী’দের আটক করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো ও সনাক্তমতে নিজ হেফাজতে থাকা চালকে সিটের পিছনে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থায় ৯,৭১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতার করা হয় এবং উক্ত ট্রাকটি (যশোর ট-১১-৫০৩৪) জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজশে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে নানা রকম কৌশলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৪৮ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত ট্রাকের আনুমানিক মূল্য ৫০ লক্ষ টাকা।

র‌্যাবের অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন চন্দ্রাবিল এলাকায় চাঞ্চল্যকর লেগুনা চালক নাজমুল হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামী ইমন (২৩) কে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে গ্রেফতার।

গত ১১ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখ ভিকটিম নাজমুল এর পিতা মজনু শেখ র‌্যাব-৭ এ লিখিত অভিযোগ করেন যে, তার পুত্র লেগুনা চালক মোঃ নাজমুল শেখ (২২)'কে পূর্ব শত্রুতার বশবর্তী হয়ে মোঃ ইমন (২৩) ও তার ০৩ জন সহযোগী মিলে অপহরণ করেছে। পরবর্তীতে আসামিরা লেগুনাচালক নাজমুলকে গলাকেটে হত্যা করে এবং লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে ডোবার পানিতে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে মজনু শেখ বাদী হয়ে হাটহাজারী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-১৪, তারিখ- ১১/১১/২০২০ ইং) দায়ের করেন। উক্ত ঘটনায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উপরোল্লিখিত হত্যা মামলার ২নং আসামি মোঃ ইমন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন সেন্টমার্টিন এলাকার সি ভিউ হোটেলে অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৮ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখ ১২৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ ইমন (২৩), পিতা- মোঃ সোলেমান, সাং-বাতাবাড়িয়া, থানা- লাকসাম, জেলা- কুমিল্লা, বর্তমান ঠিকানা- আব্বুর কলোনী, নজুমিয়ারহাট, থানা-হাটহাজারী, জেলা- চট্টগ্রাম’কে আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, সে হাটহাজারী থানার উপরোল্লিখিত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যুদের অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ র‌্যাবের তত্ত্বাবধানে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট আত্মসমর্পণ

বাংলাদেশের সীমানার একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। এই সাগরকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা। বিশাল এই উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর উপার্জনের অন্যতম আশ্রয়স্থলকে কণ্টকাকীর্ণ করে রাখে কিছু অস্ত্রধারী বিপথগামী জলদস্যু। জলদস্যু দমনে সরকারের কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে র‌্যাব সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে। র‌্যাবের কঠোর ভূমিকায় ইতিমধ্যে সুন্দরবন অঞ্চলের জলদস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে আত্মসমর্পণ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ০১ নভেম্বর ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চলে র‌্যাবের কঠোর পদক্ষেপের ফলে ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর মহেশখালীতে এই অঞ্চলের ৪৩ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করে। এর ফলে এই অঞ্চলে জলদস্যুতার ঘটনা কমে যায়। আজকের জলস্যুর আত্মসমর্পণ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অঞ্চল জলদস্যুমুক্ত হবার পথে অনেকদূর এগিয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। ফলশ্রæতিতে এই অঞ্চলের সাগর কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরো বেগবান হবে। বাঁশখালী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার হাজার হাজার উপকূলবর্তী মানুষ দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় চিহ্নিত জলদস্যু ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রæপের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। অনেকে জলদস্যুদের দ্বারা অত্যাচারিত হয়ে দুঃসহ জীবনযাপন করছে। আর এই জলদস্যু ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদেরকে দেশীয় অবৈধ অস্ত্রের বড় একটি অংশ সরবরাহ করে যাচ্ছে এসব এলাকার স্থানীয় অস্ত্র কারিগররা। চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকায় জলদস্যুদের দমন, দেশীয় অস্ত্র তৈরির কারিগর ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র‌্যাব প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে অদ্যবধি   র‌্যাব-৭, বাঁশখালী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়াসহ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে ২৪৮ জন কুখ্যাত জলদস্যু এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে আটক করে এবং দেশী-বিদেশী সর্বমোট ৭৯৭ টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রসহ ৮,৮৪২ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করে। এছাড়াও ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের ২০ অক্টোবর ৪৩ জন জলদস্যু র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। ফলে বাঁশখালী, মহেশখালী, কুতুবদিয়ার বিভিন্ন জলদস্যু বাহিনীর অপতৎপরতা বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।       এসব জলদস্যু প্রবণ জায়গায় র‌্যাবের অবিরাম টহল এবং দৃঢ় মনোভাবের ফলে জলদস্যু এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী গুলো কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। এছাড়া র‌্যাব-৭ এর ক্রমাগত অভিযান, অতি সক্রিয় গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং কৌশলগত পদক্ষেপের কারণে জলদস্যুদের কর্মকান্ড পরিচালনা করা দুরুহ হয়ে পড়েছে। এসব কারনে জলদস্যুরা স্বপ্রণোদিত হয়ে তাদের কাছে থাকা সমস্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পন করার ইচ্ছা পোষণ করে।      ইতিপূর্বে র‌্যাব-৭ এর তত্ত্বাবধানে আত্মসমর্পণ, র‌্যাব-৬ ও র‌্যাব-৮ এর তত্ত¡াবধানে সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ ও পূর্নবাসন প্রক্রিয়াও তাদেরকে অনুপ্রানিত করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে ও মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করানো ছিল যুগান্তকারী ঘটনা।      ২০ অক্টোবর ২০১৮ সালে মহেশখালী আত্মসমর্পণের পর উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যুদের উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। ফলে বাঁশখালী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া অঞ্চলের জলদস্যুরা তাদের দস্যু জীবনের অবসান ঘটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে উৎসাহী হয়। এ প্রেক্ষিতে র‌্যাব তাদের জন্য আজকের এই সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১২ নভেম্বর ২০২০ তারিখে বিনা শর্তে উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যুরা আত্মসমপর্ণ করছে। আত্মসমর্পণকৃত জলদস্যুদের তালিকা ও অস্ত্রের বিবরণ ক্রোড়পত্র ‘ক’ তে এবং বাহিনী অনুযায়ী জলদস্যুদের নামীয় তালিকা ক্রোড়পত্র ‘খ’ হিসেবে দেওয়া হলো।          বাহিনীর নাম: ০১। বাইশ্যা ডাকাত বাহিনী  - ০৩ জন ০২। খলিল বাহিনী  - ০২ জন ০৩। রমিজ বাহিনী  - ০১ জন ০৪। বাদশা বাহিনী   - ০৩ জন  ০৫। জিয়া বাহিনী     - ০২ জন ০৬। কালাবদা বাহিনী - ০৪ জন ০৭। ফুতুক বাহিনী  -  ০৩ জন ০৮। বাদল বাহিনী - ০১ জন ০৯। দিদার বাহিনী  - ০১ জন ১০। কাদের বাহিনী  - ০১ জন ১১। নাছির বাহিনী  -  ০৩ জন ১২। অন্যান্য -  ১০ জন     সর্বমোট       =  ৩৪ জন   উদ্ধারকৃত অস্ত্র এলজি- ৪১টি থ্রি কোয়াটার এলজি- ১৯টি বিদেশী পিস্তল- ০১ টি রিভলবার- ০১টি এসবিবিএল- ০৫টি এসবিবিএল বন্দুক- ১৬টি ডিবিবিএল বন্দুক- ০১টি ওয়ান শুটারগান- ০১টি  থ্রি কোয়াটার ওয়ান শুটারগান- ০১টি এসবিবিএল ওয়ান শুটারগান- ০১টি পাইপগান- ০১টি এয়ারগান-  ০২টি সর্বমোট   =  ৯০ টি    উদ্ধারকৃত গোলাবারুদ ০১।  .১২ বোরের গুলি- ৮৮৬ রাউন্ড  ০২।  .২২ বোর রাইফেলের গুলি- ১,১৭০ রাউন্ড        সর্বমোট গুলি/কার্তুজ- ২,০৫৬ রাউন্ড         আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুরা সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বাঁশখালী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার অন্যতম সু-সংগঠিত, ভয়ংকর দুর্র্ধষ ও সক্রিয় জলদস্যু বাহিনী। এসব বাহিনীর সকল অস্ত্র-গোলাবারুদসহ সদলবলে র‌্যাব-৭ এর নিকট আত্মসমর্পণ এর ফলে বঙ্গোপসাগরের বাঁশখালী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপকূলীয় অঞ্চলে দস্যুবৃত্তিতে নিয়োজিত অন্যান্য জলদস্যু ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরাও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে দারুণ ভাবে উৎসাহিত হবে বলে আমরা মনে করি। বাঁশখালী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়াসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের জলদস্যু/অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার করার লক্ষে র‌্যাব-৭ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।  

র‌্যাবের অভিযানে ঢাকা মহানগরীর পল্টন ও যাত্রাবাড়ী থানাধীন এলাকা হতে দুটি পৃথক পৃথক অভিযানে সর্বমোট ১৫৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০৬ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

সাম্প্রতিক মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৩ গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান এর মাধ্যমে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদক ব্যবসার উদ্দেশ্যে অবৈধ মাদকদ্রব্য কুমিল্লা হতে ঢাকার দিকে বহন করে নিয়ে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৩ এর দুটি পৃথক পৃথক আভিযানিক দল ১০/১১/২০২০ তারিখে ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন সিফাত পার্টিকেল বোর্ড সেন্টার এলাকায় চট্টগ্রাম হতে ঢাকা সড়কে বিশেষ চেকপোষ্ট স্থাপন করে। চেকপোষ্ট চলাকালীন সময় ১টি মালবাহী ট্রাকে তল্লাশী করে ১০৫০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয় এবং আসামী ১। আবুল হোসেন (৩০), পিতা-মকবুল হোসেন, থানা-জামালগঞ্জ, জেলা-সুনামগঞ্জ, ২। মোঃ সাকিব হোসেন (২৩), পিতা-মোঃ আনোয়ার হোসেন, থানা-সিদ্দিরগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ, ৩। মোঃ মোস্তফা আলী পিয়াল (২০), পিতা-মোঃ মোরশেদ আলী রাজু, থানা-লালবাগ, জেলা-লালবাগ ও ৪। রুহুল আমিন (২২), পিতা-মোঃ মহিবুর রহমান, থানা-জালালাবাদ, জেলা-সিলেটদেরকে গ্রেফতার এবং অপর একটি পৃথক অভিযানে ঢাকা মহানগরীর পল্টন থানাধীন এলাকায় বিশেষ চেকপোষ্ট স্থাপন করে একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশী করে ৫০০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করতঃ ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। উক্ত আসামীদ্বয় ৫। মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩৩), পিতা-মৃত আব্দুল আজিজ, থানা-হালুয়াঘাট, জেলা-ময়ময়সিংহ এবং ৬। মোঃ স্বপন মিয়া (৬০), পিতা-মৃত আব্দুল হাকিম, থানা-কসবা, জেলা-ব্রাক্ষণবাড়ীয়াদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ অভিনব কৌশলে কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা হতে নিষিদ্ধ ফেন্সিডিল এনে ঢাকাসহ সারাদেশে মাদক ব্যবসা করে আসছে।

র‌্যাবের অভিযানে রাজশাহী কর্তৃক ০১ কেজি ৯৮০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল কর্তৃক অদ্য ১০ নভেম্বর ২০২০ তারিখ ১৪:৩০ ঘটিকায় রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানাধীন বাসুদেবপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ দুরুল মিয়া (৩৫), পিতা-মৃত জাইদুল ঘোষ, সাং-লক্ষীপুর, ইউপি-বারঘরিয়া, থানা-সদর, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ’কে হেরোইন ০১ কেজি ৯৮০ গ্রাম (মূল্য আনুমানিক ০১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা) সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাবের অভিযানে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন হারবাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪,৪৫৫ পিস ইয়াবাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মোটরসাইকেল যোগে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য নিয়ে কক্সবাজার হতে চট্টগ্রামের দিকে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ১০ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখ ০১৫৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন হারবাংস্থ মেসার্স চৌধুরী নূর ফিলিং স্টেশনের সামনে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে। এসময় র‌্যাবের চেকপোস্টের দিকে আসা তিনটি মোটরসাইকেলের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে র‌্যাব সদস্যরা মোটরসাইকেল তিনটি থামানোর সংকেত দিলে র‌্যাবের চেকপোস্টের সামনে না থামিয়ে দ্রæত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামি ১। মোঃ বেলাল উদ্দিন (২১), ২। মোঃ হেলাল উদ্দিন(২২), উভয় পিতা- মোঃ আবুল কাশেম, সাং-উত্তর হরিণা, থানা-লোহাগড়া, জেলা-কক্সবাজার এবং ৩। নুরুল আমিন (৩৩), পিতা- মৃত আব্দুল বারী, সাং-চরম্বা ওহিদের পাড়া, থানা- লোহাগড়া, জেলা- চট্টগ্রামদের আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ০১নং আসামির দেখানো ও সনাক্তমতে মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংকির ভিতর নিজ হেফাজতে থাকা বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থায় ২৪,৪৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতার করা হয় এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত তিনটি মোটরসাইকেল (চট্ট মেট্রো-ল-১৪-৯১৬৩, কক্সবাজার-ল-১১-০০৮২ এবং ০১ টি নম্বরবিহীন) জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরোও জানা যায়, তারা দীর্ঘ দিন যাবৎ কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে বিভিন্ন কৌশলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ০১ কোটি ২২ লক্ষ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং জব্দকৃত ০৩ টি মোটসাইকেলের আনুমানিক মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা।  

র‌্যাবের অভিযানে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানার স্টেডিয়াম এলাকা থেকে ৩০০ লিটার মদ জব্দসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার।

গতকাল ০৯ নভেম্বর ২০২০ খ্রি.সময় বিকাল ৪টায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ সদর কোম্পানি (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল এসএমপি সিলেট এর এয়ারপোর্ট থানার স্টেডিয়াম এলাকা থেকে দেশি চোলাই মদ ৩০০ লিটার,মদ পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দসহ মাদক কারবারি আশোক মিয়া(৩০), পিতা- শাসনুর মিয়া, সাং-দোয়ালীয়া, থানা- দোয়ারাবাজার,জেলা-সুনামগঞ্জ’কে গ্রেফতার করেন।  

র‌্যাবের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও নয়াবাড়ী কাঁচপুর এলাকা হতে চাঁদাবাজ চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার।

 ১০ নভে¤¦র ২০২০ তারিখে সকাল ০৭২০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন নয়াবাড়ী কাঁচপুর এলাকা হতে চাঁদাবাজ চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্য’কে হাতে-নাতে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো ১। মোঃ বাবুল (৩৮), ২। মতিউর রহমান @ বুইট্টা মামুন (৪১) ও ৩। মোঃ দ্বীন ইসলাম (৬৫)। এ সময় তাদের দখল হতে চাঁদাবাজির নগদ ৮৫,১০০/- টাকা ও দেশীয় অস্ত্র ০১টি চাইনিজ কুড়াল, ০১টি চাকু ও ০১টি ছোড়া উদ্ধার করা হয়।  ২।    গ্রেফতারকৃতদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যদের স্থায়ী ঠিকানা নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন নয়াবাড়ী কাঁচপুর এলাকায়। একটি চাঁদাবাজ চক্র পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে লাভবান হওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানাধীন নয়াবাড়ী, কাঁচপুর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অনন্ত গার্মেন্টস ও এস এফ ফ্যাশনের সামনে বসা ভ্রাম্যমাণ অস্থায়ী ফুটপাতের দোকানদারদের থেকে জোরপূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে এককালীন ৫০০০/ টাকা এবং পরর্বতীতে দৈনিক প্রতি দোকান থেকে ১০০/- টাকা থেকে ১২০/- টাকা পর্যন্ত অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছে। দোকানদারদেরকে অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করে গুরুতর আঘাত ও ধারালো অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক চাঁদা আদায় করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা এরূপ অপতৎপরতা পূর্ব হতে করে আসছে মর্মে স্বীকার করে। ভূক্তভোগীরা জানায় যে, তাদের এরূপ অত্যাচার ও চাঁদা আদায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ সকল চাঁদাবাজদের অত্যাচারে দোকানদাররা অতিষ্ঠ। চাঁদাবাজি বন্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।       

র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর পল্লবী থেকে সাভার থানার চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার মূলহোতাকে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার।

    ০৮/১১/২০২০ তারিখ ১২.৫০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানীর পল্লবী থানাধীন বাউনিয়াবাধ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ অস্ত্রধারী এবং আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের প্রধান গোলাম মোস্তফা শাহীন ওরফে মোশারফ (৫০) জেলা-বরগুনা’কে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১টি ম্যাগজিন, ০১ রাউন্ড গুলি, ০৩ টি মোবাইল ফোন এবং ০১ টি ইয়ামাহা এফজেড-এস মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, অবৈধ অস্ত্র, দস্যূতা এবং হত্যাসহ নিয়মিত মামলা রয়েছে। সে ‘‘কোম্পানী’’ নামে একটি আন্তঃ জেলা ডাকাত দল গঠন করে এরই মূল হোতা হিসেবে ঢাকাসহ আশ-পাশের জেলায় ডাকাতি করে আসছিলো। পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকেই গ্রেফতার এড়াতে দলের প্রত্যেক সদস্যকে সে প্রশিক্ষন দিত। টার্গেট বাছাই করা থেকে শুরু করে অস্ত্রের যোগান সবই দিতো সে নিজেই আর বাকীদের কাজ ছিলো তার নির্দেশ অনুযায়ী মানুষকে আক্রমণ করা। এজন্য সে নিজের মটর সাইকেল ও প্রাইভেটকার ডাকাতির সময় ব্যবহার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, দুমাস আগে জামিনে বের হয়ে পুনরায় ডাকাত দল গঠন করে ডাকাতি শুরু করে এবং সে গত ২৮ অক্টোবর, ২০২০ আমিনবাজার ভাকুর্তায় ইতালি প্রবাসীর ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী।  এই দলের সদস্য সংখ্যা ১০-১২ জন যাদের ৩ জনকে গত ০৭ নভেম্বর একটি বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাভারের বিরুলিয়া থেকে অস্ত্রসহ আটক করে র‌্যাব।

সহজে ইনস্টল করুন, রিপোর্ট করুন, নিরাপদ থাকুন

রিপোর্ট টু র‌্যাব মোবাইল অ্যাপস

সন্ত্রাসী আক্রমন

র‍্যাবকে সন্ত্রাসী আক্রমনের তথ্য দিতে পারবেন

সন্ত্রাসী তথ্য

র‍্যাবকে সন্ত্রাসীর তথ্য দিতে পারবেন

সামাজিক যোগাযোগ

র‍্যাবকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলতে অপরাধের তথ্য দিতে পারবেন

অপহরন

র‍্যাবকে অপহরনের তথ্য দিতে পারবেন

নিখোঁজ ব্যাক্তির তথ্য

র‍্যাবকে নিখোঁজ ব্যাক্তির তথ্য দিতে পারবেন

খুন

র‍্যাবকে খুনের তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন

ডাকাতি

র‍্যাবকে ডাকাতির তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন

মাদক

র‍্যাবকে মাদকের তথ্য দিতে পারবেন

সম্মাননা



  • অতিরিক্ত আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম(বার)

    মহাপরিচালক

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম - ২০১৯

  • পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী বিপিএম

    র‌্যাব-২

    বিপিএম - ২০১৯

  • সাজেন্ট মোঃ শহীদুল ইসলাম,বিপিএম

    ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম - ২০১৯

  • সৈনিক মোঃ রাকিব হোসেন,বিপিএম

    র‌্যাব-১

    বিপিএম - ২০১৯

  • কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার পিএসসি, বিপিএম(সেবা)

    অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস্)

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • লেঃ কর্নেল মোঃ মাহাবুব আলম বিপিএম(বার),বিপিএম(সেবা),পিপিএম

    অপস্ /ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • লেঃ কর্নেল মীর আসাদুল আলম, বিপিএম (সেবা)

    এয়ার উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • মেজর শাহীন আজাদ,বিপিএম, পিপিএম,জি+

    ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    পিপিএম - ২০১৯

  • মেজর এস এম সুদীপ্ত শাহীন,পিপিএম(বার)

    অপস উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    পিপিএম - ২০১৯

  • মেজর খান সজিবুল ইসলাম,পিপিএম

    র‌্যাব-৮

    পিপিএম - ২০১৯

ফটো গ্যালারি

ভিডিও গ্যালারি

র‌্যাব ব্যাটালিয়ন সমূহের তথ্য

র‌্যাব ব্যাটালিয়ন সমূহ