অপরাধী দমন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)

সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
র‌্যাব-২ এর পৃথক অভিযানে রাজধানীর পল্লবী হতে কিশোর গ্যাং এর ০৮ সদস্য দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার। ✱ র‌্যাব-১১ এর অভিযানে রূপগঞ্জ হতে ০১ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ✱ চাঞ্চল্যকর “নুসরাত জাহান” হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত পলাতক আসামীকে রাজধানীর দারুস সালাম থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২ ✱ পটুয়াখালীর গলাচিপায় র‌্যাবের হাতে ০২(দুই) কেজি গাঁজাসহ একজন গাঁজা ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ বিয়ে ও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রেখে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার অপরাধে ০৪ জন ধর্ষণকারীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম। ✱ র‌্যাব ৯ এর অভযিানে এসএমপরি কোতোয়ালী থানা এলাকা থকেে ইয়াবাসহ পশোদার মাদক কারবারি গ্রফেতার। ✱ র‌্যাব ৯ এর অভিযানে মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানা এলাকা থেকে গাঁজাসহ পেশাদার মাদক কারবারি গ্রেফতার। ✱ আন্তর্জাতিক মানের বিজ্ঞানীর ভূয়া পরিচয়ে স্ব—উদ্ভাবিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব—প্রতিকার, পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রজেক্ট, করোনা প্রতিরোধ ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রজেক্ট বাস্তবায়নের নামে কোটি কোটি টাকা ও জমি আত্মসাতকারী চক্রের মূলহোতা সাইফুল ইসলাম @বিজ্ঞনী সাইফুল @সায়েন্টিস্ট সাইফুল সহ ১৬ জনকে ঢাকা ও টাঙ্গাইল এর বিভিন্ন স্থান থেকে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ✱ র‌্যাবের অভিযানে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ হতে অপহৃত হওয়া ভিকটিম উদ্ধার ও ০৭ অপহরণকারী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাব ৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানা এলাকা থেকে বিদেশী মদসহ পেশাদার মাদক কারবারি গ্রেফতার। ✱

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, বিপিএম, পিপিএম

মহাপরিচালক, র‌্যাব ফোর্সেস
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)

আমাদের জানুন

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের উন্নতির পথে যে সকল বাধা বিপত্তি রয়েছে তার মধ্যে, অস্থিতিশীল আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অন্যতম। এরকম একটি পরিস্থিতিতে যখন সমাজের প্রত্যেকটা মানুষ অনিশ্চিয়তার মাঝে ভুগছিল, তখন পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার একটি এলিট ফোর্স গঠনের পরিকল্পনা করে। ক্রমান্বয়ে সভা-সমন্বয়, আলোচনা ও গবেষনার পর সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্ববধানে  বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সংক্ষেপে র‌্যাব ফোর্সেস নামে একটি এলিট ফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। গত ২৬ মার্চ ২০০৪ তারিখে জাতীয় স্বাধীনতা দিবস প্যারেডে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) জনসাধারনের সামনে আত্মপ্রকাশ করে। জন্মের পরপরই এই ফোর্সের ব্যাটালিয়নসমূহ সাংগঠনিক কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকে এবং স্ব স্ব এলাকা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। এর মাঝে প্রথম অপারেশনাল দায়িত্ব পায় ১৪ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান-রমনা বটমুলে নিরাপত্তা বিধান করার জন্য । এর পর আবার র‌্যাব মূলত তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিল। গত ২১ জুন ২০০৪ থেকে র‌্যাব ফোর্সেস পূর্ণাঙ্গভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।

র‌্যাবের দায়িত্ব সমূহ

  • অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দায়িত্ব।
  • অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক এবং এ জাতীয় অন্যান্য বস্তু উদ্ধার।
  • অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার।
  • আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করা।
  • সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা।
  • সরকার নির্দেশিত যে কোন অপরাধের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা।
  • সরকার নির্দেশিত যে কোন জাতীয় দায়িত্ব পালন করা।

র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

       পরিবার ও সমাজকে নিরাপদ রাখতে আপনাদের যা করণীয়

  • জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
  • ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না।
  • কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন।
  • আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্পূর্ন গোপন রাখা হবে।
  • বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান।
  • ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না।
  • যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া বিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহণ করা হইতে বিরত থাকা আবশ্যক।

টিভিসি

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

র‌্যাব-২ এর পৃথক অভিযানে রাজধানীর পল্লবী হতে কিশোর গ্যাং এর ০৮ সদস্য দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার।

    র‌্যাব-২ এর আভিযানিক দল ১৬ জুন ২০২১ তারিখ ১৮০০ ঘটিকা হতে ১৬ জুন ২৩৪০ ঘটিকা পর্যন্ত রাজধানীর পল্লবী থানা এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযানে পরিচালনা করে ডাকাতি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িত কিশোর গ্যাং এর ০৮ জন সদস্য ক। মোঃ দেলোয়ার হোসেন @ পল্টু(৩৫), পিতা- মোঃ মনজুর, পল্লবী, ঢাকা, খ। মোঃ কাউসার হোসেন(১৮), পিতা- মোঃ আঃ কাদের, পল্লবী, ঢাকা, গ। মোঃ নিয়াজ মাহমুদ জুবায়ের(১৮), পিতা- নুর মোহাম্মদ, পল্লবী, ঢাকা, ঘ। মোঃ আসিফ নহোসেন(১৮), পিতা- মোঃ ওলি উদ্দিন, পল্লবী, ঢাকা, ঙ। মোঃ আরিফ(১৮), পিতা- মোঃ শামছুল হক, পল্লবী, ঢাকা, চ। মোঃ মেহেদী হাসান(১৮), পিতা- শাহজাহান মিয়া, পল্লবী, ঢাকা, ছ। মোঃ সুজন শেখ(১৯), পিতা- মোঃ জামান শেখ, জ। মোঃ শাহরিয়ার সজীব(১৮), পিতা- মোঃ শাহআলম ইসলাম@ বাবু, পল্লবী, ঢাকা’দেরকে ০৭টি ছুরি, ০১টি খুর, ০৬টি মোবাইলসহ গ্রেফতার করে।     প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত এই কিশোর অপরাধীরা স্থানীয়ভাবে পরিচিত কিশোর গ্যাং ‘রোমান্টিক গ্রæপ’  এর সদস্য। গ্রেফতারকৃত আসামীরা সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক সেবন, ইভটিজিং, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। গ্রেফতারকৃতরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়াসহ নানাবিধ অনৈতিক কাজে লিপ্ত আছে বলে স্বীকার করে। প্রায়শঃই তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তারকল্পে দলবদ্ধ হয়ে সংঘাত সৃষ্টি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে। এছাড়া নিজেদের গ্রæপের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য অন্যান্য কিশোর গ্যাং এর সাথে মারামারিসহ নানা সশস্ত্র সংঘর্ষেও তারা জড়াতো।     আসামীদের নিকট থেকে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে কিশোর অপরাধীদের বিরুদ্ধে র‌্যাব-২ এর অভিযান অব্যহত রয়েছে।

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে রূপগঞ্জ হতে ০১ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ১৫ জুন ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ সকাল ১১.৫০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন বটেরচারা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপর র‌্যাব-১১, সিপিএসসি কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী’কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলোঃ ১। মোঃ বাদল ভ‚ঁইয়া (৩৮) ও ২। মোঃ শাওন মোল্লা (৩২)। উক্ত অভিযানে গ্রেফতারকৃত আসামীদের হেফাজত হতে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ১ কেজি গাঁজা ও মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।       প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ বাদল ভ‚ঁইয়া (৩৮) নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন আদুরিয়া কেশরাবো এলাকার মৃত দিলু ভ‚ঁইয়ার ছেলে এবং অপর আসামী মোঃ শাওন মোল্লা (৩২) একই থানার মাহনা এলাকার মোঃ আব্দুল হক মোল্লার ছেলে। আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য তারা পরষ্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা স্বীকার করে যে, পরষ্পর যোগসাজশে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলা হতে বিশেষ কৌশলে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে এবং অভিনব কৌশলে পরিবহন করে নিয়ে এসে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে থাকে। 

চাঞ্চল্যকর “নুসরাত জাহান” হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত পলাতক আসামীকে রাজধানীর দারুস সালাম থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২

    গত ১২ জুন ২০২১ইং তারিখ শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় জাতীয় সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টারে ভিকটিম নিবেদিতা রোয়াজা বর্তমানে নুসরাত জাহান (২৭) আত্মহত্যা করেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের পিতা রত্ম কান্তি রোয়াজা শেরেবাংলা নগর থানায় মোঃ মিল্লাত মামুন(২৭) এর বিরুদ্ধে একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন (শেরেবাংলা নগর থানার মামলা নং-১২ তারিখ-১৩/০৬/২০২১ ইং ধারা-পেনাল কোড)। এই ঘটনায় দেশব্যাপী বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে র‌্যাব-২ এ বিষয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরধারী বৃদ্ধি করে।     এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ জুন ২০২১ইং তারিখে র‌্যাব-২ এর একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে রাজধানী দারুস সালাম থানাধীন কল্যানপুর খাজা সুপার মার্কেট এর শাহ ফতেহ্্ আলী পরিবহন এর টিকেট কাউন্টারের ভিতরে উক্ত মামলার প্রধান আসামী ১। মোঃ মিল্লাত মামুন (এজাহার ভুক্ত ১নং আসামী) অবস্থান করছে। প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের নিমিত্তে র‌্যাব-২ এর আভিযানিক দল উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী মোঃ মিল্লাত মামুন(২৭)’কে আটক করে। গ্রেফতারকৃত মোঃ মিল্লাত মামুন গত ২০১৯ খ্রিঃ বিসিএস ক্যাডার পরিচয় দিয়ে ভিকটিম নিবেদিতা রোয়াজা @ নুসরাত জাহান (২৭)’কে প্রতারণার মাধ্যমে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করে। বিয়ের পর হতে আসামী ভিকটিমকে প্রায় সময় নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক আঘাত এবং নির্যাতন করতো। ভিকটিম নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে গত ১২/০৬/২০২১ খ্রিঃ তারিখ আত্মহত্যা করে।      গ্রেফতারকৃত এজাহার নামীয় পলাতক আসামী মোঃ মিল্লাত মামুন (২৭)’কে শেরেবাংলা নগর থানায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়

পটুয়াখালীর গলাচিপায় র‌্যাবের হাতে ০২(দুই) কেজি গাঁজাসহ একজন গাঁজা ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প ১৫/০৬/২০২১ইং তারিখ আনুমানিক ২০:৪৫ ঘটিকায় একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে আনুমানিক ১৮:১৫ ঘটিাকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানাধীন পশ্চিম কাচারিকান্দা সাকিনস্থ জনৈক মামুন ফরাজী (৩৩), পিতা-মৃত নূর মৌলভী ফরাজী এর বাড়ীর সামনে পাঁকা রাস্তার উপর কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মোটরসাইকেলে করে মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম, (এস), পিসিজিএমএস, বিএন এর নের্তৃত্বে আনুমানিক আনুমানিক ২০:৪৫ ঘটিকায় উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ঘেরাও পূর্বক ০১ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম হলো মোঃ মিরাজ বয়াতি (২৫), পিতা- মোঃ জামাল বয়াতি, সাং-চাঁনদের হাওলা, থানা-গলাচিপা, জেলা-পটুয়াখালী। আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা স্বীকার করে পেশায় সে একজন অটোবাইক চালক হলেও গাঁজাই তারদের প্রকৃত ব্যবসা। উক্ত আসামীর নিকট হতে ০২ (দুই) কেজি কথিত গাঁজা, গাঁজা বিক্রয়ের জন্য ব্যবহৃত ০১ টি মোবাইল ফোন, ০২ টি সীম এবং ০১ (এক) টি মোটরসাইলেক উদ্ধার করা হয়। কথিত গাঁজার অবৈধ বাজার মূল্য অনুমান ১,২০,০০০/- (এক লক্ষ বিশ হাজার) টাকা। ধৃত আসামী এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত কথিত গাঁজা ক্রয়/বিক্রয় করিয়া আসিতেছে। উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকৃত আসামীকে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে র‌্যাব বাদী হয়ে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করে।

বিয়ে ও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রেখে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার অপরাধে ০৪ জন ধর্ষণকারীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

গত ১৩ জুন ২০২১ ইং তারিখ ভিকটিমের পিতা মোঃ আরাকান মিয়া র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এ অভিযোগ করেন যে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র তার মেয়েকে চট্টগ্রাম শহরের ফ্রিপোর্ট এলাকায় একটি গার্মেন্টেসে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে তার মেয়েকে চট্টগ্রামে একটি বাসায় আটক করে রাখে। অতঃপর ঐ বাসায় ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জীবন নাশসহ পরিবারের বিরাট ক্ষতি করবে মর্মে হুমকি দেখিয়ে মোঃ জসিম (২৭) ও তার সহযোগীরা জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ভিকটিমকে উদ্ধার ও ধর্ষণকারীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে ছায়াতদন্ত শুরু করে। ছায়া তদন্তের এক পর্যায় র‌্যাব-৭ জানতে পারে যে, ধর্ষণকারীরা ভিকটিমকে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানাধীন বাকলিয়া নতুন ব্রীজ সেল সেন্টারের সামনে একটি বাসায় আটকে রেখেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৫ জুন ২০২১ ইং তারিখ ১৯৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা আসামী ১। মোঃ জসিম উদ্দিন (২৭), পিতা-মৃত মোহাম্মদ আলী, সাং-ছনুয়া, মধুখালী, আমজাদ আলীর বাড়ী, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম, ২। মোঃ নুরুল আজিম (২৮), পিতা-মোঃ ইজ্জত আলী, সাং-ছনুয়া, মধুখালী, আমজাদ আলীর বাড়ী, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম, ৩। মোঃ জাবের আহাম্মদ (৪৮), পিতা-মৃত ফরিদ আহাম্মেদ, মাতা-মৃত জয়নাব বেগম, সাং-পাথরঘাটা, ওমর আলী মার্কেট, আশরাফ আলী রোড, কালাবাগিচাঁ, থানা-কোতয়ালী, সিএমপি, চট্টগ্রাম এবং ৪। মোহাম্মদ নবী (২২), পিতা-মোঃ আবু তাহের, সাং-পূর্ব চাম্বল, হায়দারি পাড়া, থান-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রামদের আটক করে এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত আসামীরা ভিকটিমকে মিথ্যা বিবাহের ও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আটকে রেখে  জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। র‌্যাবের এ অভিযানে ধর্ষণকারীদের গ্রেফতার করায় ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজন সন্তোষ প্রকাশ করে।     গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত মালামাল সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।    

র‌্যাব ৯ এর অভযিানে এসএমপরি কোতোয়ালী থানা এলাকা থকেে ইয়াবাসহ পশোদার মাদক কারবারি গ্রফেতার।

   ১৫ জুন ২০২১ ইং তারিখ ১৫.৩৫ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-০৯, সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল মেজর মোঃ মঈনুল ইসলাম, মেজর মোঃ শওকাতুল মোনায়েম, সিনিঃ এএসপি ওবাইন ও এএসপি সোমেন মজুমদার এর নেতৃত্বে এসএমপি-সিলেট এর কোতোয়ালী থানাধীন পুরাতন জেল খানা রোডের ০১ নং জেল গেইট সংলগ্ন আলম খিচুরী হাউজ নামক দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ৯৫ পিস ইয়াবা জব্দসহ পেশাদার মাদক কারবারি সাহাদত হোসেন (২৬), পিতাঃ মোঃ আব্দুস সহিদ, সাং- সিরাজপুর(বাটিয়ার চর), থানাঃ মোগলাবাজার, এসএমপি-সিলেট’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে র‌্যাব মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আসামী’কে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছে।

র‌্যাব ৯ এর অভিযানে মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানা এলাকা থেকে গাঁজাসহ পেশাদার মাদক কারবারি গ্রেফতার।

   ১৫ জুন ২০২১ ইং তারিখ ২১.১০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-০৯, সিপিসি-২, (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল অতিঃ পুলিশ সুপার বসু দত্ত চাকমা এর নেতৃত্বে মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানাধীন টেংরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৫ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা জব্দসহ পেশাদার মাদক কারবারি সোহেল মিয়া (২৭), পিতা- মৃত আবুল হোসেন, সাং- পশ্চিম বটুলী, থানা- জুড়ী, জেলা- মৌলভীবাজার’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে র‌্যাব মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আসামী’ কে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছে।

আন্তর্জাতিক মানের বিজ্ঞানীর ভূয়া পরিচয়ে স্ব—উদ্ভাবিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব—প্রতিকার, পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রজেক্ট, করোনা প্রতিরোধ ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রজেক্ট বাস্তবায়নের নামে কোটি কোটি টাকা ও জমি আত্মসাতকারী চক্রের মূলহোতা সাইফুল ইসলাম @বিজ্ঞনী সাইফুল @সায়েন্টিস্ট সাইফুল সহ ১৬ জনকে ঢাকা ও টাঙ্গাইল এর বিভিন্ন স্থান থেকে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ জুন ২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক ২৩৩০ ঘটিকা হতে অদ্য সকাল পর্যন্ত র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব—১, উত্তরা, ঢাকা এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল ও রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকার প্রতারক সংগঠন “রাজা—বাদশা” গ্রুপের নতুন কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের মূলহোতা ১) মোঃ সাইফুল ইসলাম @ বিজ্ঞানী সাইফুল @ সায়েন্টিস্ট সাইফুল (৫৪), পিতা—মৃত মৌলভী শামছুল হক, জেলাটাঙ্গাইল, ২) মোছাঃ বকুলি ইয়াসমিন (৪৬),স্বামী—মোঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা—টাঙ্গাইল, ৩) মোঃ ইমরান রাজা (২৫), পিতা— মোঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা—টাঙ্গাইল, ৪) মোছাঃ কাকুলী আক্তার (১৯),স্বামী—মোঃ ইমরান রাজা, জেলা—টাঙ্গাইল, ৫) মোঃ রোমান বাদশা (১৮), পিতা—মোঃ সাইফুল ইসলাম, জেলা—টাঙ্গাইল, ৬) মোঃ আনিসুজ্জামান সিদ্দীকী (৫৩), পিতা—মৃত এমএ বাকী সিদ্দীকী, জেলা—টাঙ্গাইল, ৭) মোঃ নাজমুল হক (৩০), পিতা—মোঃ জিন্নত আলী, জেলা—টাঙ্গাইল, ৮) মোঃ তারেক আজিজ (৪০), পিতা—মৃত লোকমান মোল্লা, জেলা—গোপালগঞ্জ, ৯) মোঃ বেল্লাল হোসেন (৬১), পিতা—মৃত মোজাহার হোসেন মুন্সী, জেলা— গোপালগঞ্জ, ১০) মোঃ আব্দুল মান্নান (৫০), পিতা, মৃত জসমতুল্লা মন্ডল, জেলা— নওগাঁ, ১১) মোঃ শিমুল মিয়া (২৪), পিতা—মোঃ ইয়াকুব আলী, জেলা—টাঙ্গাইল, ১২) মোঃ নুরনবী (৪৫), পিতা—মৃত আনোয়ার হোসেন, জেলা—টাঙ্গাইল, ১৩) মোঃ আবলু হাশেম (৪২), পিতা—মৃত হানিফ, জেলা—টাঙ্গাইল, ১৪) মোঃ আলী হোসেন (৩৮), পিতা—মোঃ নুরুল ইসলাম, জেলা—টাঙ্গাইল, ১৫) মোঃ শওকত আলী (৫০), পিতা—মৃত শাহজাহান আলী, জেলা—টাঙ্গাইল এবং ১৬) মোঃ রোকনুজ্জামান (৫০), পিতা—মোঃ আব্দুল সালাম, জেলা— সিরাজগঞ্জ’দেরকে গ্রেফতার করে। অভিযানে উদ্ধার করা হয় ০১ (এক)টি বিদেশী পিস্তল, ০১ (এক)টি ম্যাগাজিন, ০২ রাউন্ড গোলাবারুদ, ০২ (দুই) বোতল বিদেশী মদ, ০৬টি সীল, নগদ ৪৫ হাজার ৪৬০ টাকা, ২০টি মোবাইল ফোন, ১৪টি চেক বই, ১২টি ভিজিটিং কার্ড, ০৬ টি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের চিঠি, বিভিন্ন মূল্যের ১২১টি জাল স্ট্যাম্প, ০৩টি চুক্তিনামা দলিল, ০৩টি বই এবং ০৯টি স্বাক্ষরিত চেক ও বিদেশী নেতৃবৃন্দের সাথে পত্রালাপের ভয়ূা কপি। গ্রেফতারকৃত সাইফুল ইসলাম (৫৪) এই চক্রের মূল হোতা। সে “রাজা—বাদশা গ্রুপ” নামে একটি ভূয়া সংগঠন তৈরী করে ২০১১ সাল হতে প্রতারণার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সে উক্ত গ্রুপেরর চেয়ারম্যান বলে পরিচয় দেয়। এই চক্রের সাথে তার পরিবারের সদস্যরাও অতোপ্রতভাবে জড়িত। তন্মধ্যে ¯ী¿ বকুলী ইয়াসমিন (৪৬), পূত্র মোঃ ইমরান রাজা (২৫) ও মোঃ রোমান বাদশা (১৮) এবং পূত্রবধূ মোছাঃ কাকুলী আক্তার (১৯) ভূয়া সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে বলে জানা যায়।  গ্রেফতারকৃত সাইফুল ইসলাম এর শিক্ষগত যোগ্যতা বিএসসি পাশ। সে প্রথমে টিউশনি ও পরবর্তীতে পোল্টি্র ফিড ব্যবসা সাথে জড়িত ছিল। সে দীর্ঘ ১০/১১ বছর যাবত বিভিন্ন প্রতারণার সাথে জড়িত। তার নামে বিভিন্ন থানায় ০৫টি প্রতারণার মামলা রয়েছে। সে নিজেকে একজন আšজÍ ার্ তিক ¯ন^ ামধন্য বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভিকটিমদের প্রলুব্ধ করত। সে উল্লেখ করত যে, বিদেশে তার বিভিন্ন আবিষ্কার ও গবেষণা ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া তার প্রতিষ্ঠান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রতিকার ও জ্বালানীবিহীন জেনারেটর দ্বারা পরিচালিত পাওয়ার প্ল্যান্ট ও করোনা প্রতিরোধ ব্যবস্থার উদ্ভাবন ও বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। সে ভিকটিমদের কাছে বিশা¦ স যোগ্যভাবে উপস্থাপন করত যে, করোনা প্রতিরোধে তার কয়েল টেকনিক পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী করোনা প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। সে আরও উল্লেখ করত, তার প্রজেক্ট সমূহের বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রায় চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ সংক্রান্তে বিভিন্ন ভূয়া পত্রালাপগুলো সে উপস্থাপন করত। তার সাথে বিদেশী বিজ্ঞানী, গবেষক ও নেতৃবৃন্দের যোগাযোগ রয়েছে বলে সে দাবী করত। যারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে সম্মত রয়েছেন বলে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করত। ভিকটিমদের বিশ্বাসযোগ্যাতা অর্জন করাতে সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, তুরস্ক প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়ের এরদোগান ছাড়াও সৌদি আরবের তৈল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং সাইপ্রাস ও জাপানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এর নাম উদ্ধৃত করত। এছাড়াও ইরাকের এক আইনজীবি তার উদ্ভাবিত প্রজেক্টে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে ইচ্ছা পোষণ করেছে। এভাবে সে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করে প্রতারিত করত। প্রতারক সংগঠনের মূল কার্যালয় উত্তরায় অবস্থিত (নবস্থাপিত)। এছাড়া টাঙ্গাইলের বেপারী পাড়ায় একটি শাখা রয়েছে। অফিসের ১৫ জন সহযোগী কর্মরত; এছাড়া মাঠ পর্যায়ে আরও ৩০ জনের অধিক নিয়োগপ্রাপ্ত রয়েছে। মাঠ পর্যায়ের এজেন্টরা প্রাথমিক আলোচনা করে টার্গেট নির্ধারণ করত। অতঃপর গ্রুপ/কোম্পানী চেয়ারম্যান সাইফুলের সাথে সাক্ষাত করাত। পরবতীর্তে গ্রেফতারকৃত সাইফুল ভিকটিমদের বিভিন্ন প্রতারণার ফাঁদে ফেলত। ভিকটিমদেরকে মূলত গ্রেফতারকৃত সাইফুল স্ব—উদ্ভাবিত ১) জলবায়ু পরিবর্তন প্রজেক্ট, ২) বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন, ৩) পরিবেশ বান্ধব যানবাহন, ৪) ডায়াবেটিক নিরাময় প্রতিষেধক, ৫) হৃদরোগ নিরাময় প্রতিষেধক প্রজেক্ট, ৬) করেনা নিরাময় কয়েল টেকনিক প্রজেক্টের বিনিয়োগে প্রলুদ্ধ করত। প্রজেক্টসমূহের অর্থ বিনিয়োগে ২৫ হাজার হলে কোটি টাকার অফার এবং জমি প্রদানে প্রজেক্টের মালিকানা শেয়ার অফার দিত। স্বল্প শিক্ষিত ধনী ব্যবসায়ী ও জমিজমা সম্পত্তির মালিকদের সে টার্গেট করত। ইতিমধ্যে উপকূলীয় অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনের প্রজেক্ট এর আওতায় নোয়াখালীতে প্রায় ৪৫০ বিঘা জমি ছাড়াও লক্ষীপুর, রাজশাহী এবং ময়মনসিংয়ের ভালুকায় আরোও সহ¯্রাধিক বিঘা জমি প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া পাহাড়ি এলাকায়ও জমি জালিয়াতি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে সে জানায়। প্রায় কয়েক শতাধিক ভিকটিম তার দ্বারা প্রতারিত হয়েছে বলে ধারণা করা যায়।   

র‌্যাবের অভিযানে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ হতে অপহৃত হওয়া ভিকটিম উদ্ধার ও ০৭ অপহরণকারী গ্রেফতার।

অদ্য ১৬/০৬/২০২১ খ্রিঃ তারিখ অনুমানিক রাত ০২.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব—১০ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন আগানগর কাঠুরিয়া এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত হওয়া ভিকটিম মোঃ শাহজাহান (২২)কে উদ্ধার করে এবং ০৭ অপহরনকারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত অপহরনকারীদের নাম ১। মোঃ আসলাম (২৫), ২। সৈয়দ আল আমিন (২২), ৩। মোঃ ফয়েজ উল্লাহ (২০), ৪। মোঃ রহমত উল্লাহ সরকার (১৮), ৫। সৈয়দ মোরসালিন (১৮), ৬। মোঃ ইমরান (১৮) ও ৭। মোঃ শাহদাত হোসেন (১৮) বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট হতে ০৯ টি মোবাইল ফোন জব্দ করে। গত ১৪/০৬/২০২খ্রিঃ সকালে প্রতিদিনের মত ভিকটিম মোঃ শাহজাহান (২২) তার কর্মস্থলে যায়। কিন্তু রাত গভীর হয়ে গেলেও ভিকটিম কর্মস্থল থেকে তার বাসায় না ফিরলে ভিকটিমের পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধানের বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করতে থাকে। পরের দিন ১৫/০৬/২০২১ খ্রিঃ তারিখ সকালে অপহরনকারীরা ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে ভিকটিমের বড় ভাইয়ের মোবাইল নম্বরে ফোন করে ভিকটিমের অপহরনের কথা জানায় এবং ভিকটিমের উচ্চ স্বরে কান্নার শব্দ শোনায়। অপহরনকারীরা ভিকটিমের মুক্তিপনের জন্য বিকাশের মাধ্যমে ১,৫০,০০০/— (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা দাবী করে এবং টাকা না পেলে ভিকটিমকে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি প্রদান করে। পরবতীর্তে ভিকটিমের বড় ভাই র‌্যাবের নিকট অভিযোগ করে। ব্যার— ১০ ভিকটিমকে উদ্ধার করার জন্য তাৎক্ষনিক একটি বিশেষ টিম নিয়োগ করে। পরবতীর্তে ব্যার—১০ এর উক্ত আভিযানিক দল ছায়া তদন্তের মাধ্যমে অদ্য ১৬/০৬/২০২১ খ্রিঃ তারিখ আনুমনিক রাত ০২.৩০ ঘটিকায় ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন আগানগর কাঠুরিয়া এলাকায় অপহরনকারীদের দখল হতে ভিকটিম মোঃ শাহজাহান (২২) কে উদ্ধর করে এবং ০৭ জন আপহরকারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাব ৯ এর অভিযানে সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানা এলাকা থেকে বিদেশী মদসহ পেশাদার মাদক কারবারি গ্রেফতার।

১৬ জুন ২০২১ ইং তারিখ ০৫.১০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—০৯, সিপিসি—৩ (সুনামগঞ্জ ক্যাম্পে) এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার সিঞ্চন আহমেদ ও এএসপি মোঃ আব্দুল­াহ এর নেতৃত্বে সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন কাইওয়ারগাঁও গ্রামস্থ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২৪ বোতল বিদেশী মদ জব্দসহ পেশাদার মাদক কারবারি মোঃ হান্নান মিয়া (২২), পিতা— মহর আলী, সাং— কাইওয়ারগাঁও, থানা— সদর, জেলা— সুনামগঞ্জ ’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে র‌্যাব মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আসামী’ কে সংশি­ষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছে।

সহজে ইনস্টল করুন, রিপোর্ট করুন, নিরাপদ থাকুন

রিপোর্ট টু র‌্যাব মোবাইল অ্যাপস

সন্ত্রাসী আক্রমন

র‍্যাবকে সন্ত্রাসী আক্রমনের তথ্য দিতে পারবেন

সন্ত্রাসী তথ্য

র‍্যাবকে সন্ত্রাসীর তথ্য দিতে পারবেন

সামাজিক যোগাযোগ

র‍্যাবকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলতে অপরাধের তথ্য দিতে পারবেন

অপহরন

র‍্যাবকে অপহরনের তথ্য দিতে পারবেন

নিখোঁজ ব্যাক্তির তথ্য

র‍্যাবকে নিখোঁজ ব্যাক্তির তথ্য দিতে পারবেন

খুন

র‍্যাবকে খুনের তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন

ডাকাতি

র‍্যাবকে ডাকাতির তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন

মাদক

র‍্যাবকে মাদকের তথ্য দিতে পারবেন

সম্মাননা



  • অতিরিক্ত আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম(বার)

    মহাপরিচালক

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম - ২০১৯

  • পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী বিপিএম

    র‌্যাব-২

    বিপিএম - ২০১৯

  • সাজেন্ট মোঃ শহীদুল ইসলাম,বিপিএম

    ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম - ২০১৯

  • সৈনিক মোঃ রাকিব হোসেন,বিপিএম

    র‌্যাব-১

    বিপিএম - ২০১৯

  • কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার পিএসসি, বিপিএম(সেবা)

    অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস্)

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • লেঃ কর্নেল মোঃ মাহাবুব আলম বিপিএম(বার),বিপিএম(সেবা),পিপিএম

    অপস্ /ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • লেঃ কর্নেল মীর আসাদুল আলম, বিপিএম (সেবা)

    এয়ার উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • মেজর শাহীন আজাদ,বিপিএম, পিপিএম,জি+

    ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    পিপিএম - ২০১৯

  • মেজর এস এম সুদীপ্ত শাহীন,পিপিএম(বার)

    অপস উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    পিপিএম - ২০১৯

  • মেজর খান সজিবুল ইসলাম,পিপিএম

    র‌্যাব-৮

    পিপিএম - ২০১৯

ফটো গ্যালারি

ভিডিও গ্যালারি

র‌্যাব ব্যাটালিয়ন সমূহের তথ্য

র‌্যাব ব্যাটালিয়ন সমূহ