অপরাধী দমন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)

সাম্প্রতিক কার্যক্রম :
কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেড এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক পরিচয়ে শীর্ষ প্রতারক শাহীরুল ইসলাম সিকদার (৪৮)’কে বিপুল পরিমান দেশী-বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪। ✱ র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানাধীন এলাকা হইতে সাইবার বুলিং ও পর্ণোগ্রাফী মামলার একজন ভন্ড কবিরাজ আহাদুর রহমান (৩৫) গ্রেফতার। ✱ র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন এলাকা হইতে ওয়ারেন্টভূক্ত একজন পলাতক আসামী গ্রেফতার । ✱ র‌্যাব-৯, সিলেট এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সিলেট এর যৌথ অভিযান এসএমপি সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকায় পণ্যের মূল্যে তালিকা না প্রকাশ করে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয়সহ অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয় করাসহ পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করায় “জরিমানা”। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর লালখান বাজার এলাকায় চাঁদা আদায়কালে ০৫ জন কিশোর গ্যাং এর সক্রিয় সদস্যকে চাঁদা আদায়ের নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্রসহ হাতে নাতে আটক। ✱ র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানাধীন এলাকা হতে ১৭১ বোতল ফেন্সিডিল সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী মোড় এলাকা হতে রাজধানী পল্লবীর “সাহিনুদ্দীন” হত্যাকান্ডের নৃশংস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর “যতন সাহা” হত্যাকান্ড বলে প্রচার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের অভিযোগে ০১ জন আটক। ✱ র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা হতে জীনের বাদশা সেজে সকল সমস্যার সমাধান করার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের প্রতারক চক্রের ০৫ জন সক্রিয় সদস্য আটক। ✱ র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন এলাকা হতে ৩০ কেজি গাঁজা ও ০৩ বোতল বিয়ার এবং একটি প্রাইভেটকারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ✱ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১৭ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস জব্দ । ✱

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, বিপিএম, পিপিএম

মহাপরিচালক, র‌্যাব ফোর্সেস
র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)

আমাদের জানুন

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের উন্নতির পথে যে সকল বাধা বিপত্তি রয়েছে তার মধ্যে, অস্থিতিশীল আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অন্যতম। এরকম একটি পরিস্থিতিতে যখন সমাজের প্রত্যেকটা মানুষ অনিশ্চিয়তার মাঝে ভুগছিল, তখন পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার একটি এলিট ফোর্স গঠনের পরিকল্পনা করে। ক্রমান্বয়ে সভা-সমন্বয়, আলোচনা ও গবেষনার পর সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্ববধানে  বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সংক্ষেপে র‌্যাব ফোর্সেস নামে একটি এলিট ফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। গত ২৬ মার্চ ২০০৪ তারিখে জাতীয় স্বাধীনতা দিবস প্যারেডে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) জনসাধারনের সামনে আত্মপ্রকাশ করে। জন্মের পরপরই এই ফোর্সের ব্যাটালিয়নসমূহ সাংগঠনিক কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকে এবং স্ব স্ব এলাকা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। এর মাঝে প্রথম অপারেশনাল দায়িত্ব পায় ১৪ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান-রমনা বটমুলে নিরাপত্তা বিধান করার জন্য । এর পর আবার র‌্যাব মূলত তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিল। গত ২১ জুন ২০০৪ থেকে র‌্যাব ফোর্সেস পূর্ণাঙ্গভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।

র‌্যাবের দায়িত্ব সমূহ

  • অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দায়িত্ব।
  • অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক এবং এ জাতীয় অন্যান্য বস্তু উদ্ধার।
  • অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার।
  • আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করা।
  • সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা।
  • সরকার নির্দেশিত যে কোন অপরাধের তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা।
  • সরকার নির্দেশিত যে কোন জাতীয় দায়িত্ব পালন করা।

র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

       পরিবার ও সমাজকে নিরাপদ রাখতে আপনাদের যা করণীয়

  • জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
  • ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না।
  • কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন।
  • আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্পূর্ন গোপন রাখা হবে।
  • বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান।
  • ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না।
  • যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া বিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহণ করা হইতে বিরত থাকা আবশ্যক।

টিভিসি

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেড এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক পরিচয়ে শীর্ষ প্রতারক শাহীরুল ইসলাম সিকদার (৪৮)’কে বিপুল পরিমান দেশী-বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪।

চাকুরী দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ এর ঘটনা পুরাতন হলেও মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় প্রদানকারী শাহীরুলের প্রতারনার ইতিহাস নিসন্দেহে ধৃষ্টতাপূর্ন এবং ভিন্নধর্মী। শাহীরুল একজন শীর্ষ পর্যায়ের প্রতারক। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিস লিঃ কোম্পানী খুলে, ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন ও চাকুরী প্রদানের নামে প্রতারনা এবং বিত্ত বৈভবের মালিক শাহীরুল ছিল সকলের ধরা ছোঁয়ার বাইরে।      সম্প্রতি জনৈক সোলায়মান হোসেনসহ বেশকয়েকজন ভুক্তভোগী প্রতারক শাহিরুল ইসলাম সিকদার (৪৮) এর বিরুদ্ধে র‌্যাব-৪ এর নিকট চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি গোয়েন্দা দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। গোপন তদন্তে ও স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায় অভিযুক্ত শাহিরুল নিজেকে একটি কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান এবং “হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেড” নামক ভুয়া প্রতিষ্ঠান এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক। চাকুরী দেওয়ার নামে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে সাধারন মানুষের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে প্রতারক শাহীরুল। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২২ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ রাত ০০.৪০ ঘটিকা হতে ২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং সকাল ০৮.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত রাজধানীর রামপুরা থানাধীন বনশ্রী এলাকায় তার নিজ বাসা ও প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে শাহীরুল ইসলাম সিকদার (৪৮), জেলা- ব্রাক্ষহ্মণবাড়িয়া’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল।     অভিযান পরিচালনাকালে প্রতারণা ও তার নিজ কর্ম হাসিলের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী যেমন-০৩ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি শর্টগান  ০১ টি এয়ারগান, ০১ টি এয়ার রাইফেল, ২৩৭ রাউন্ড গুলি, ০৫ টি ম্যাগাজিন, ০৫ টি খালি খোসা, ২২ টি কার্তুজ, ০৪ টি চাকু, ০১ টি লোহার স্টিক, ০৩ টি ডামি পিস্তলসহ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেড এর মাধ্যমে চাকুরির আবেদন ফরম, চুক্তিপত্র, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই, ব্যানার, প্যাড, স্ট্যাম্প, ল্যাপটপ, ডেক্সটপ, গোপন ক্যামেরা, পাসপোর্ট, ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড, নেইম প্লেট, বিভিন্ন নামীদামী ব্যক্তিবর্গের সাথে তোলা ছবি, বুলেট প্রæফ জ্যাকেট, পাসপোর্ট, মানি রিসিভ বহি, বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম কার্ড, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালমাল জব্ধ করা হয়।      প্রতারক শাহিরুলের উত্থানঃ         উচ্চ মাধ্যমিক পাশ শাহীরুল (৪৮), নিজ জেলা- ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কর্মজীবন শুরু করে গাড়ি ব্যবসা দিয়ে। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সৌখিন পরিবহনে কাজ করে বলে জানা যায়। এরপর শুরু হয় নতুন ব্যবসা প্রতারণা। ২০০৩ সাল হতে শুরু করে সিকিউরিটি গার্ড সরবরাহ। এরপর ধীরে ধীরে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সার্ভিস লিঃ এর নামে শুরু হয় প্রাতিষ্ঠানিক প্রতারণা।     ২০১৪ সালের দিকে রামপুরা এলাকায় “হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেড” নামক একটি প্রতিষ্ঠান খুলে প্রতারণামূলক কাজ দিয়ে নতুনভাবে কর্মজীবন শুরু করে। অতি অল্প সময়ে অধিক টাকার মালিক হওয়ার লোভে সে উক্ত কোম্পানীর নামে প্রতারণামূলক ভাবে অগণিত মানুষের নিকট হতে বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল। এরপর থেকে শাহীরুল ইসলাম অবৈধ সম্পদের মালিক হতে শুরু করে।      একসময় প্রতরণার নানান অভিযোগ আড়াল করতে শাহীরুল তার অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন করে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সার্ভিস লিঃ এর পরিবর্তে নিজেকে প্রভাবশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে একটি বেনামী মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে। ক্ষমতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে সে নামিদামি ব্যক্তিবর্গের সাথে ছবি তুলে সেগুলো প্রদর্শন করে এবং বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী তার প্রতারণার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বেকার ও শিক্ষিত বহু নারী ও পুরুষকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড, ড্রাইভার, কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী, বিক্রয় কর্মকর্তা, লাইনম্যান ইত্যাদি হিসেবে চাকুরী দেওয়ার নাম করে বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাৎ করে বলে জানা যায়।      প্রতারনার কৌশলঃ      প্রতারক শাহীরুল (৩৮) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ প্রদানের লক্ষ্যে চাকুরীর চটকাদার বিজ্ঞাপন দিত। দেশের শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীরা বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে আবেদন করলে তাদেরকে কৌশলে ভ‚ল বুঝিয়ে তার পরিচালিত কোম্পানীর মাধ্যমে নিয়োগ প্রদানের প্রতিশ্রæতি দিয়ে প্রতি চাকুরী প্রার্থীর কাছ থেকে ১৫-২৫ হাজার টাকা জামানত হিসেবে গ্রহন করতো। এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানের চাকুরীর ক্ষেতে ৫-১০ লক্ষ টাকা গ্রহন করত। সে নিজেকে শুটিং ক্লাবের সদস্য বলে পরিচয় দিত। এছাড়া প্রশিক্ষণ, ইউনিফরম ও আনুসাঙ্গিক খরচ হিসেবেও টাকা নেয়া হতো। এভাবে অগণিত মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নামমাত্র কয়েকজন’কে নিয়োগ প্রদান করে বাকি ভ‚ক্তভোগীদের টাকা আত্মসাৎ করে শাহীরুল। দীর্ঘদিন তার অফিস/বাসায় ঘুরাঘুরির পরও চাকুরীতে নিয়োগ না পাওয়ার পর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তার কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে ভ‚ক্তভোগীদের বিভিন্ন ভয়ভীতিসহ জীবননাশের হুমকি প্রদান করে। উল্লেখ্য যে, গ্রেফতারকৃত প্রতারক শাহিরুল নিজেকে একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ভ‚য়া পরিচয় প্রদান ও চাঁদাবাজি করার অপরাধে তার নামে  ডিএমপি‘র রামপুরা থানায় চাঁদাবাজি ও প্রতারণার মামলা রয়েছে।      (ক) শাহীরুল নিজেকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিসেস লিঃ এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পরিচয় প্রদান করে বহু মানুষকে ভ‚য়া চাকুরীর নিয়োগপত্র দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে।     (খ) মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়েও শাহীরুল চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারণামূলক ভাবে অর্থ আত্মসাৎ করে এবং বিভিন্ন সময় মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।      (গ) প্রতারণার কৌশল হিসেবে শাহীরুল “হোমল্যান্ড হাউজিং এন্ড ডেভলপমেন্ট কোঃ লিঃ” প্রতিষ্ঠা করে বেশ কয়েকজন মানুষকে ফ্ল্যাট ও প্লট প্রদানের কথা বলে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।      (ঘ) প্রতারণার কৌশল হিসেবে গ্রেফতারকৃত শাহীরুল “হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিসেস লিঃ”, “হোমল্যান্ড হাউজিং এন্ড ডেভলপমেন্ট কোঃ লিঃ”, “হোমল্যান্ড বেভারেজ এন্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ” এবং “মাদারল্যান্ড সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিঃ” প্রতিষ্ঠা করে।      (ঙ) শাহিরুল ইসলাম বাংলাদেশ আউট সোর্সিং এন্ড পাওয়ার সাপ্লাইয়ার্স এসোশিয়েশন এর সভাপতি হিসেবে জাহির করে অধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় প্রদানসহ অর্থ আত্মসাতের পর যাতে কেউ মুখ খুলতে না পারে সেজন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।     (চ) প্রতারক শাহীরুল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন ব্যাক্তিদের সাথে ছবি তুলে সেগুলো প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেকে অধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে জাহির করে এবং পাওনাদারদের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে।      মূল অভিযোগ সমূহঃ     উক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের সকল কার্যক্রম অবৈধ ও প্রতারণামূলক।     হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড গার্ড সার্ভিসেস লিঃ, হোমল্যান্ড হাউজিং এন্ড ডেভলপমেন্ট কোঃ লিঃ, হোমল্যান্ড বেভারেজ এন্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ ও মাদারল্যান্ড সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিঃ নামক প্রতিষ্ঠান সমূহের সরকার কর্তৃক অনুমোদিত নয়।     প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট কোন অফিসিয়াল সাইনবোর্ড নেই।     প্রতারনামূলকভাবে মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।     সরকারী কর্মকর্তা না হয়েও ভূয়া পরিচয় প্রদান করে এবং সরকারী কর্মকর্তার সই স্বাক্ষর নকল করে।     বাংলাদেশ আউট সোর্সিং এন্ড পাওয়ার সাপ্লাইয়ার্স এসোশিয়েশন এর সভাপতি হিসেবে জাহির করে অধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় প্রদান করে।      অভিযান পরিচালনাকালে তার বাসা ও অফিস হতে দেশী-বিদেশী অস্ত্র ও প্রচুর পরিমান বুলেট পাওয়া গিয়েছে। এ সংক্রান্তে সে কোন বৈধ কাগজ পত্র প্রদর্শন করতে পারেনি। এছাড়া ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য রক্ষিত ০৩ টি ডামি পিস্তলও পাওয়া গিয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে প্রতারনা এবং অস্ত্র আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন। প্রতারিত অন্যান্য ভুক্তভুগীরা আমাদের সাথে যোগাযোগ করছে। সকলের বক্তব্য অনুযায়ী পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানাধীন এলাকা হইতে সাইবার বুলিং ও পর্ণোগ্রাফী মামলার একজন ভন্ড কবিরাজ আহাদুর রহমান (৩৫) গ্রেফতার।

২২ অক্টোবর ২০২১ তারিখ ২২.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-১, হবিগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ বানিয়াচং থানাধীন ১২ নং কালিয়ার ভাংগা ইউনিয়নের ইমামবাড়ী বাজারস্থ জনৈক কাজী আঃ রউফ (৬০) এর “এফআর” মুদি দোকানের ভিতরের পূর্ব পাশের্^ আসামীর রুমের ভিতর হইতে অভিযান পরিচালনা করে হবিগঞ্জ এর নবীগঞ্জ থানার মামলা নং-২০, তারিখ ২৩/১০/২০২১, ২০১২ সালের পর্ণোগ্রাফী নিয়ন্ত্রন আইন ৮(১)/৮(২)/৮(৩) ধারা মূলে ভন্ড কবিরাজ ১। আহাদুর রহমান (৩৫), পিতা- মোঃ সল্লুক মিয়া, সাং- কুর্শা খাগাউড়া (হুসেনপুর), ০৮নং খাগাউড়া ইউনিয়ন, থানা- বানিয়াচং, জেলা-হবিগঞ্জ এর হোফাজত হইতে ক। অশালীন ছবি সম্বলিত মোবাইল ফোন= ০১ টি, খ। অশালীন ছবি সম্বলিত মেমোরী কার্ড =০১ টি, ও সীমকার্ড =০২ টি উদ্বার পূর্বব তাকে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামী’কে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন এলাকা হইতে ওয়ারেন্টভূক্ত একজন পলাতক আসামী গ্রেফতার ।

২৩ অক্টোবর ২০২১ তারিখ সকাল ১০.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-১, হবিগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানাধীন নতুন ব্রীজ গোলচত্তর এর পশ্চিম পাশে দিগন্ত বাস কাউন্টারের সামনে কাঁচা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে চুনারুঘাট থানার থানার জি আর নং- ০৮/১৯ মূলে পলাতক আসামী মোঃ আব্দুল হাই (৩২), আব্দুল মতিন, সাং- আজিমাবাদ, থানাঃ চুনারুঘাট, জেলাঃ হবিগঞ্জ’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামী’কে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৯, সিলেট এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সিলেট এর যৌথ অভিযান এসএমপি সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকায় পণ্যের মূল্যে তালিকা না প্রকাশ করে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয়সহ অবৈধ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয় করাসহ পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করায় “জরিমানা”।

২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ১৫:০০ ঘটিকা হইতে ১৬:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব-৯, ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সিলেট এর একটি আভিযানিক দল সিনিঃ এএসপি লুৎফুর রহমান এবং জনাব আমিরুল ইসলাম মাসুদ এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসএমপি সিলেট এর দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০৩ টি প্রতিষ্ঠানকে ১। মামলা নং- ১৫১/১৫১; জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আইন, ২০০৯ এর ৩৭ এবং ৪৩ ধারায় আপন রেস্তোরা কে = ৪০,০০০/- , ২। মামলা নং- ১৫২/১৫২; জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আইন, ২০০৯ এর ৩৯, ৪০, ৪৩ ধারায় জসীম উদ্দিন রেস্তোরা কে = ১৫,০০০/-  এবং ৩। মামলা নং- ১৫৩/১৫৩; জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আইন, ২০০৯ এর ৪০, ৫১ ধারায় রজেস ফাস্ট ফুড কে = ৫,০০০/- টাকা সহ সর্বমোট = ৬০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয় এবং জরিমানাকৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর লালখান বাজার এলাকায় চাঁদা আদায়কালে ০৫ জন কিশোর গ্যাং এর সক্রিয় সদস্যকে চাঁদা আদায়ের নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্রসহ হাতে নাতে আটক।

গত ২৩ অক্টোবর ২০২১ইং তারিখ ভিকটিম র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামে অভিযোগ করেন যে, গত ১৮ অক্টোবর ২০২১ইং তারিখ চট্টগ্রাম মহানগরীর লালখান বাজার এলাকায় নির্মাণাধীন বাড়ীর কাজ শুরু করলে কতিপয় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য তার নিকট হতে চাঁদা দাবী করে। চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ০৩ দিনের মধ্যে টাকা না দিলে কাজ করতে দেওয়া হবেনা মর্মে হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে তিনি কাজ শুরু করলে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা শ্রমিকদের মারধর করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় এবং চাঁদা দিলেই কাজ শুরু করা যাবে এই মর্মে হুমকি প্রদান করে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা যাচাই করার লক্ষ্যে একই তারিখ ১৩০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঁদাবাজির নগদ ৪৪,৫০০ টাকাসহ আসামী ১। মোঃ আরিফ হোসেন @ লোকমান (২৭), পিতা-মোঃ সুলতান আহমেদ, সাং-পিপিয়াকান্দি, থানা-দাউদকান্দি, জেলা-কুমিল্লা, ২। মোঃ হৃদয় (২০), পিতা-মোঃ রিপন, সাং-মসজিদ কলোনী, থানা-খুলশী, চট্টগ্রাম মহানগর, ৩। মোঃ শুকুর (২১), পিতা-মৃত আহম্মদ আলী, সাং- তুলা পুকুরপার, থানা-খুলশী, চট্টগ্রাম, ৪। মোঃ আরিফ (১৯), পিতা-মোঃ কামাল, সাং-হাই লেভেল রোড, থানা- খুলশী, চট্টগ্রাম মহানগর এবং ৫। মোঃ মীর হোসেন (১৯), পিতা-মোঃ মান্নান মিয়া, সাং-তুলাপুকুরপার, থানা- খুলশী, চট্টগ্রাম মহানগরীদের গ্রেফতার করে।      পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেহ তল্লাশি করে ১নং আসামীর পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে ০১ টি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কিশোর গ্যাং এর সক্রিয় সদস্য এবং দীর্ঘদিন যাবৎ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন পূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছে।      গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানাধীন এলাকা হতে ১৭১ বোতল ফেন্সিডিল সহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ২১:৩৫ ঘটিকার সময় মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ক্রয়-বিক্রয়ের সংবাদ প্রাপ্তী অন্তে র‌্যাব-৯, স্পেশাল কোম্পানী (ইসলামপুর ক্যাম্প, সিলেট) এর একটি আভিযানিক দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সামিউল আলম এবং এএসপি তুহিন রেজা এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানাধীন উপরগ্রাম গ্রামস্থ আনফরের ভাঙ্গা নামক স্থানে জনৈক মোঃ সালমান শাহ এর চায়ের দোকানের পিছনে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য তথা ফেন্সিডিল নিয়ে অবস্থান করিতেছে। র‌্যাব-৯ এর স্পেশাল কোম্পানী এর আভিযানিক দলটি অতিঃ পুলিশ সুপার মোঃ সামিউল আলম এবং এএসপি তুহিন রেজা এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ উক্ত স্থানে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ঘেরাও পূর্বক উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম ১। মোঃ মইনুল হোসেন (৩২), পিতা- মৃত আঃ জব্বার, সাং- বগাইয়া আসাম বস্তি, থানা- গোয়াইনঘাট, জেলা- সিলেট। পরবর্তীতে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে তল্লাশী করে তার হেফাজতে রক্ষিত স্থান হতে ১। ফেন্সিডিল ১৭১ বোতল, আনুমানিক মূল্য-১,৭১,০০০/- টাকা, ২। মোবাইল ০১টি, ৩। সীম ০১টি উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও সে আরও স্বীকার করে যে, সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকায় ফেন্সিডিল বিক্রয় করিয়া আসিতেছে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য তথা ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতারকৃত আসামীকে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১৪(গ) ধারা মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী মোড় এলাকা হতে রাজধানী পল্লবীর “সাহিনুদ্দীন” হত্যাকান্ডের নৃশংস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর “যতন সাহা” হত্যাকান্ড বলে প্রচার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের অভিযোগে ০১ জন আটক।

গত ১৬ই মে ২০২১ তারিখে রাজধানী পল্লবীর “সাহিনুদ্দীন” হত্যাকান্ডের নৃশংস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর “যতন সাহা” হত্যাকান্ড বলে প্রচার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ব্যাপক গোয়েন্দা নজরধারী বৃদ্ধি করে। গোয়েন্দা নজরধারীর এক পর্যায়ে গত ২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ২৩৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী রিমন শীল (২০), পিতা-বিজয় শীল, সাং-শাহী মিরপুর, ফকিনিরহাট, থানা-কর্ণফুলী, বর্তমানে সাং-ফিরিঙ্গি বাজার ইয়াকুব নগর, থানা-কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম মহানগরকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজধানী পল্লবীর “সাহিনুদ্দীন” হত্যাকান্ডের নৃশংস ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর “যতন সাহা” হত্যাকান্ড বলে অপপ্রচারের সাথে সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে, এবং উক্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই ভিডিও টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করেন।

র‌্যাব-৭ এর অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা হতে জীনের বাদশা সেজে সকল সমস্যার সমাধান করার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের প্রতারক চক্রের ০৫ জন সক্রিয় সদস্য আটক।

চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকায় কতিপয় প্রতারক চক্র দীর্ঘ দিন যাবৎ গুরু ও আধ্যাতিক ক্ষমতা সম্পন্ন জ্বিন পরীদের বাদশা সেজে পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিক সমস্যসহ সকল সমস্যার সমাধান করে দিবে মর্মে প্রতারণার মাধ্যমে জনসাধারণকে ঠকিয়ে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৩ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ১৯১৫ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সুকৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী ১। মোঃ সাজেদ আফসার (২১), পিতা- মোঃ নুরুল আফসার, সাং- চৌধুরী হাট,  থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম, ২। মোঃ জাহিদুল আলম (২৪), পিতা- মোঃ শামসুল আলম, সাং- বাগুয়ান, থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম, ৩। মোঃ আবুল কালাম @ রাজন (২১), পিতা- মোঃ আবুল কাশেম, সাং- চৌধুরী হাট , থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম, ৪। মোঃ তানজিল (১৯), পিতা- মোঃ নাসের, সাং- ব্রাক্ষন হাট, থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম এবং ৫। মোঃ সজিব (১৯), পিতা- মোঃ নুরুল আজিম, সাং- কচু কাইন, থানা- রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম মহানগরীদের আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স¦ীকার করে যে, দীর্ঘদিন যাবৎ গুরু ও আধ্যাতিক ক্ষমতা সম্পন্ন জ্বিন পরীদের বাদশা সেজে পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিক সমস্যসহ সকল সমস্যার সমাধান করে দিবে মর্মে প্রতারণার মাধ্যমে জনসাধারণকে ঠকিয়ে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

র‌্যাব-৯, সিলেট এর অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন এলাকা হতে ৩০ কেজি গাঁজা ও ০৩ বোতল বিয়ার এবং একটি প্রাইভেটকারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

২৪ অক্টোবর ২০২১ ইং তারিখ ০৬:১৫ ঘটিকার সময় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী প্রাইভেটকার যোগে মাদকদ্রব্য নিয়ে যাওয়ার গোপন সংবাদ প্রাপ্তী অন্তে তৎক্ষনাত র‌্যাব-৯, সিপিসি-১ কোম্পানী (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জ) এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন মাধবপুর টু শাহপুর গামী রাস্তায় সময় ৬.৩০ ঘটিকায় উপস্থিত হয়ে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন ৫নং আন্দিউড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মাধবপুর টু শাহপুর সড়কের দিঘীর পাড় সোনাই নদী ব্রীজ এর পাশে কাঁচা রাস্তার উপর হইতে প্রাইভেটকারের গতিরোধ করার প্রাক্কালে গাড়ী হইতে ০২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি পালিয়ে যায় এবং অপর ০১ জনকে আটক পূর্বক তল্লাশী করে ৩০ কেজি গাঁজা ও ০৩ বোতল বিয়ার এবং প্রাইভেটকার উদ্ধার পূর্বক ধৃত ব্যক্তি মোঃ জাহিদুল ইসলাম @ জুলহাস (২৬), পিতা- মোঃ জোবায়ের আহম্মেদ, মাতা- মনি বেগম, সাং- জয়শ্রী, মুন্সি বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা’কে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃত আসামীকে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১৯(গ)/২৪(ক)/৩৮/৪১ ধারা মূলে মামলা দায়ের পূর্বক হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১৭ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস জব্দ ।

২৪ অক্টোবর ২০২১ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক রাত ০৩:৩৫ হতে ০৪:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত র‌্যাব- ১০ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন গোলাপবাগ এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ৫,১০,০০০/-(পাঁচ লক্ষ দশ হাজার) টাকা মূল্যের  ১৭ (সতের) কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের নাম ১। মোঃ খোরশেদ আলম (৩৭) ও ২। মোঃ ইউসুফ (৩৭) বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ০১টি মাইক্রোবাস, ০৩টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১০১০/- (এক হাজার দশ) টাকা জব্দ করা হয়।     প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ মাইক্রোবাসযোগে দেশের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা হতে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে যাত্রাবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ আসছিল বলে জানা যায়।      গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।   

সহজে ইনস্টল করুন, রিপোর্ট করুন, নিরাপদ থাকুন

রিপোর্ট টু র‌্যাব মোবাইল অ্যাপস

সন্ত্রাসী আক্রমন

র‍্যাবকে সন্ত্রাসী আক্রমনের তথ্য দিতে পারবেন

সন্ত্রাসী তথ্য

র‍্যাবকে সন্ত্রাসীর তথ্য দিতে পারবেন

সামাজিক যোগাযোগ

র‍্যাবকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলতে অপরাধের তথ্য দিতে পারবেন

অপহরন

র‍্যাবকে অপহরনের তথ্য দিতে পারবেন

নিখোঁজ ব্যাক্তির তথ্য

র‍্যাবকে নিখোঁজ ব্যাক্তির তথ্য দিতে পারবেন

খুন

র‍্যাবকে খুনের তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন

ডাকাতি

র‍্যাবকে ডাকাতির তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন

মাদক

র‍্যাবকে মাদকের তথ্য দিতে পারবেন

সম্মাননা



  • অতিরিক্ত আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম(বার)

    মহাপরিচালক

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম - ২০১৯

  • পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী বিপিএম

    র‌্যাব-২

    বিপিএম - ২০১৯

  • সাজেন্ট মোঃ শহীদুল ইসলাম,বিপিএম

    ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম - ২০১৯

  • সৈনিক মোঃ রাকিব হোসেন,বিপিএম

    র‌্যাব-১

    বিপিএম - ২০১৯

  • কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার পিএসসি, বিপিএম(সেবা)

    অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস্)

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • লেঃ কর্নেল মোঃ মাহাবুব আলম বিপিএম(বার),বিপিএম(সেবা),পিপিএম

    অপস্ /ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • লেঃ কর্নেল মীর আসাদুল আলম, বিপিএম (সেবা)

    এয়ার উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    বিপিএম (সেবা) - ২০১৯

  • মেজর শাহীন আজাদ,বিপিএম, পিপিএম,জি+

    ইন্ট উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    পিপিএম - ২০১৯

  • মেজর এস এম সুদীপ্ত শাহীন,পিপিএম(বার)

    অপস উইং

    র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর

    পিপিএম - ২০১৯

  • মেজর খান সজিবুল ইসলাম,পিপিএম

    র‌্যাব-৮

    পিপিএম - ২০১৯

ফটো গ্যালারি

ভিডিও গ্যালারি

র‌্যাব ব্যাটালিয়ন সমূহের তথ্য

র‌্যাব ব্যাটালিয়ন সমূহ