র্যাবের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে মাদক বিরোধী অভিযান কার্যক্রম অন্যতম। মাদক বিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রে র্যাব সৃষ্টি লগ্ন থেকেই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আসছে। র্যাব আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সাথে জড়িতদেরকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদকের বিস্তার রোধ এবং ক্রমান্বয়ে এর মূলোৎপাটনের জন্য র্যাব বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্যে আমরা সব সময় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছি। বিভিন্ন সময়ে ইয়াবার বিপুল সংখ্যক খুচরা বিক্রেতা গ্রেফতার হওয়া সত্ত্বেও এর প্রকোপ আরো হ্রাসকল্পে আমরা পাইকারী বিক্রেতাদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে মনোনিবেশ করি।
এরই ধারাবাহিকতায় একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ সহযোগিতার মাধ্যমে মাদকের শীর্ষ পর্যায়ের ইয়াবা ব্যাবসায়ীর সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্তসহ সকল প্রকার সহযোগিতার ভিত্তিতে অদ্য ০১ জুন ২০১১ তারিখ বিকাল আনুমানিক ১৬০০ ঘটিকার সময় র্যাব-১ এর মেজর মোঃ আহসানুল কবীর, পিপিএম ও ক্যাপ্টেন মোঃ জুন্নুন নাহিদ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস দল পূর্ব থেকেই ব্যাংক কলোনী মতিঝিল, ঢাকা এলাকায় ওৎপেতে থাকে। এ সময় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিশর্দক মোঃ হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে তার একটি দলও সেখানে উপস্থিত হয়। অতঃপর টেকনাফ থেকে চালান নিয়ে মোঃ জাফর নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল ইসলাম নামের ইয়াবা ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রি করার মুহুর্তে তাদেরকে উক্ত এলাকা থেকে গ্রেফতারপূর্বক সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশী করে বিপুল পরিমান ইয়াবা (৩,০০০ পিছ) উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত ইয়াবা টেকনাফ হতে ঢাকায় নিয়ে আসছিল এবং তাদের পরিচয় (১) মো ঃ জাফর (৫০), পিতা- মোঃ লাল মিয়া, সাং-দক্ষিণ নীলা নোয়াপাড়া, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার, এবং (২) মোঃ সাইফুল ইসলাম(২৫), পিতা-মৃত এহসান উল্লাহ, সাং-রংগীখালী, থানা-টেকনাফ জেলা-কক্সবাজার, বর্তমান ঘ-২/১৮, মতিঝিল ব্যাংক কলোনী, ঢাকা বলে জানায়। এছাড়াও জিজ্ঞাসাবাদে তারা ইয়াবা ব্যবসা সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট ও গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
|