শিশু অপহরণ তথা কোমলমতি শিশুদের পচার একটি জঘন্যতম অপরাধ। তার পরেও কিছু অপরাধী অধিক মুনাফার আশায় কোমলমতি শিশুদের অপহরণ ও পাচারের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে থাকে। পরবর্তীতে উক্ত শিশুদেরকে বিভিন্নভাবে পাচারকারীরা বিদেশে পাচার করে থাকে। হতভাগ্য এই শিশুদের মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোতে উটের জকি হসাবে বিক্রয়সহ নানা রকম অসৎ উদ্দেশ্যে বিক্রয় করা হয়। কোমলমতি শিশুদেরকে বিভিন্ন দরনের খেলনা, ভাল খাবার, বেড়াতে নিয়ে যাওয়াসহ নানা প্রলোভনের মাধ্যমে আকৃষ্ট করে বিভিন্ন কৌশলে অবিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে পাচারের উ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়। যাদের অধিকাংশের বয়সই ৫ থেকে ৮ বচরের নিচে। আর এই জঘন্য অপরাধ প্রতিহত এবং অপহরণকারীদের আইনের আওতায আনার জন্য শুধু শহর ভিত্তিকই নয় প্রত্যান্ত অঞ্চলেও ৠাবের গোযেন্দা নজরদারী রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৠাব-৮, মাদারীপুর ক্যাম্প জানতে পারে যে, গত ২৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখ আনুমানিক ১০৩০ ঘটিকার সময় মাদারীপুর জেলার সদর থানাধীন পশ্চিম খাগদি গ্রাম হতে একজন শিশু পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য ৬ জন শিশুকে লোভনীয় খাবারের পলোভন দেখিয়ে এক বেবিটেক্সিতে উঠায়। উক্ত পাচারকারী শিশুদেরকে বেবিটেক্সিকে করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্চে বলে ৠাব জানতে পারে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৠাব-৮, মাদারীপুর ক্যাম্প এর একটি বিশেষ অভিযান দল গত ২৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখ আনুমানিক ১২৩০ ঘটিকার মাদারীপুর জেলার সদর থানাধীন বিভিন্ন স্থানে তল্লাশী অভিযান অবহ্যাত রাখে এবং আনুমানিক ২০৩০ ঘটিকার সময় মাদারীপুর সদর থানাধীন ঘটকচর তেরভাগদী আদমপুর গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বেবিটেক্সি হতে অপহৃত শিশু (১) জীবন (৫), (২) নাইমা (৭), (৩) মিনা (৮), (৪) মাসুম (৬), (৫) শয়ন (৮), (৬) জনি (৪০), সর্বসাং- পশ্চিম খাগদি, থানা- ও জেলা-মাদারীপুরদেরকে উদ্ধারসহ শিশু পাচারকারী সক্রিয় সদস্য আবুল কালাম (৪০), পিতা-মোঃ ফজলুল হক মাদবর, সাং- ঝিকরহাটি, থানা ও জেলা মাদারীপুরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
২। উপরোক্ত ঘটনাটির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
|