র্যাব-১, ঢাকা কর্তৃক অভিযানে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ এবং হত্যা মামলার ০৬ জন আসামী গ্রেফতার
মোছাঃ লতিফাআক্তার(৪০), স্বামী-তরিকুল আলম, সাং-কসবা, থানা-বাগাতিপাড়া, জেলা-নাটোর, বর্তমান- সাং-উত্তর আরিচপুর চান্দু গাজী রোড, থানা-টঙ্গী, জেলা-গাজীপুর এর ভাতিজি মোছাঃ জাহানারা(১৪), পিতা-আসাব উদ্দিন, সাং-চর জাঙ্গালিয়া, থানা-কটিয়াদি, জেলা-কিশোরগঞ্জকে গত ০৩ মাস পূর্বে তার ছেলে মেয়েকে দেখাশুনা করার জন্য বাসায় নিয়ে আসে। গত ২৪-৬-২০১২ তারিখ সকাল ০৮০০ ঘটিকার সময় মোছাঃ লতিফা আক্তার কর্মস্থল গার্মেন্টসে চলে যায়। মোছাঃ লতিফা আক্তার ডিউটি শেষে বাসায় ফিরে এসে জাহানারাকে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে। গত ২৪-৬-২০১২ তারিখ রাত আনুমানিক ০৮৩০ ঘটিকায় জাহানারা(১৪)কে দুস্কৃতিকারীরা গণধর্ষনের পর হত্যা করে ৮নং হাজী ইউনুস আলী সরকার রোড, মধুমিতা উত্তর আরিচপুর শহিদুল ইসলাম এর নির্মানাধীন বাড়ীর ৬ষ্ঠ তলার পূর্ব পার্শ্বে সিড়ির নীচে বাঁশের মাঁচার উপর ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিডিও ফুটেজ দেখে ফাতেমা নামক আর একজন গার্মেন্টস কর্মীকে আটক করা হয়। তাকে ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে প্রাথমিকভাবে ০৩ জনের নাম আসে। র্যাব-১ এর গোয়েন্দা দল ১নং আসামী মোঃ শামীম(২৫), পিতা-মৃত জয়নাল আবেদীন, সাং-আরিচপুরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে আরও আট জনের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ জুলাই ২০১২ তারিখে র্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল লেঃ কমান্ডার কাওসার মাহমুদ ও এএসপি মোঃ মোস্তাক সরকার এর নেতৃত্বে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ এবং হত্যা মামলার বাকী আসামীগন (১) মোঃ সামছুল ইসলাম@বাবু(৩৬), পিতা-মৃত নুরুল ইসলাম, সাং-আরিচপুর (২) মোঃ আঃ মালেক মিয়া(৩০), পিতা-মোঃ নুরুল মিয়া, সাং-জয়শন, থানা-পীরগাছা, জেলা-রংপুর, বর্তমান- সাং-আরিচপুর, (৩) মোঃ দেলোয়ার হোসেন@দেলু(৪৫), পিতা- মোঃ নুর হোসেন, সাং-উত্তর আরিচপুর (৪) মোঃ হাফিজ হাসান@অনু(২৪), পিতা-মোহাম্মদ আলী ভূইয়া, সাং-উত্তর আরিচপুর (৫) মোঃ বাবুল হোসেন(৩৮), পিতা-মোঃ আমির আলী, সাং-উত্তর আরিচপুর, সর্ব থানা-টংগী, জেলা-গাজীপুরদের টঙ্গী থানাধীন উত্তর আরিচপুর এবং উত্তরা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয় এবং প্রত্যেকে তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন।