Home » News Room » র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর কাকরাইল এলাকা হতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির দাওয়াতী শাখার শীর্ষ স্থানীয় নেতা শায়েখ কামাল হোসেন গ্রেফতার।

র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর কাকরাইল এলাকা হতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির দাওয়াতী শাখার শীর্ষ স্থানীয় নেতা শায়েখ কামাল হোসেন গ্রেফতার।

১।    এলিট ফোর্স র‌্যাব তার সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ এর বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থানে থেকে নিরলস কাজ করে আসছে। র‌্যাবের কর্ম তৎপরতার কারনেই সারাদেশে একযোগে বোমা বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন সময়ে নাশকতা সৃষ্টিকারী জঙ্গি সংগঠন সমূহের শীর্ষ সারির নেতা থেকে বিভিন্ন স্তরের সদস্যদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা সম্ভবপর হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে কারো মৃত্যুদন্ড, কারো যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়েছে, কেউ কেউ বিভিন্ন মেয়াদের কারাভোগ করেছে এবং বেশকিছু মামলা এখনো বিচারাধীন। উল্লেখ্য যে, সাংগঠনিকভাবে পূর্বের মতো সারাদেশে একযোগে পরিকল্পিতভাবে নাশকতা সৃষ্টি করার সক্ষমতা না থাকলেও, সাম্প্রতিক কালে বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে আতœঘাতী বিস্ফোরণের মাধ্যমে নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনের সদস্যরা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে, অভিযান এবং আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে। তদুপরি, যে সকল জঙ্গি এখনো আত্মগোপন করে আছে তাদের তৎপরতা একেবারে বন্ধ হয়ে যায়নি বরং বিভিন্ন স্থানে হামলার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ভাবে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। তবে র‌্যাবের কঠোর গোয়েন্দা নজরদারী ও অভিযানের ফলে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনগুলোর নেতা কর্মীরা পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা চালিয়েও বার বার ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে।

২।    এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৬ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখ ১৫০০ ঘটিকার সময় ঢাকার কাকরাইল মোড়ে অভিযান পরিচালনা করে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার মামলা নং-৬৯ তারিখ ২২ আগষ্ট ২০১৭ এর এজাহার নামীয় আসামী ও নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির দাওয়াতী শাখার শীর্ষ স্থানীয় নেতা শায়েখ কামাল হোসেন (৪০), থানা-মির্জাগঞ্জ, জেলা-পটুয়াখালীকে গ্রেফতার করা হয়।

৩।    শায়েখ কামাল হোসেন (৪০), ১৯৯১ সালে বামনা ইসলামিয়া মাদ্রাসা, বরিশাল হতে দাখিল, ১৯৯৪ সালে খোদাবক্সকাঠি আমিয়া মাদ্রাসা, বরিশাল হতে আলিম পাশ এবং ১৯৯৬ সালে টাংগাইল দারুল উলুম আমিয়া মাদ্রাসা হতে ফাজিল পাশ করে। সে ২০০৮ সালে জসিম উদ্দীন রাহমানির মাধ্যমে হানাফি থেকে সালাফি মতাদর্শে প্রবেশ করে এবং উগ্রবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়। এরপরে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মাওলানা ইসহাকের মাধ্যমে জেএমবিতে যোগদান করে। শায়েখ কামাল ইতিপূর্বে গ্রেফতারকৃত শায়েখ আরিফ, ইমরান আহমেদ, মোহাম্মদ@জনি, আলামিন, সাইফুল, মনিরসহ আরও অনেক জেএমবি সদস্যের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল। শায়েখ কামাল মুলতঃ ঢাকার রামপুরা, বাড্ডা, খিলগাঁও, সবুজবাগ, শাহাজাহানপুর এলাকায় জেএমবির দাওয়াত ও সদস্য সংগ্রহের কাজ করতেন। এছাড়াও বগুড়া, লালমনিরহাট, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে জেএমবির দাওয়াতী কাজে বিভিন্ন সময়ে সফর করেছে বলে সে স্বীকার করে। শায়েখ কামালের নামে জেএমবির সংশ্লিষ্টতায় মামলা থাকায় সে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল।

৪।    উপরোক্ত বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সাম্প্রতিক ভিডিও




র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

***জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন ।
***আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্প‍ুর্ন্ন গোপন রাখা হবে । ***বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান
***ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না ।
***যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া বিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহন করা হইতে বিরত ‍থাকা আবশ্যক ।