Home » News Room » র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর ডেমরা হতে আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার \ ২৫ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৪,৯৬,০০০/- টাকা উদ্ধার।

র‌্যাবের অভিযানে রাজধানীর ডেমরা হতে আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের ০৩ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার \ ২৫ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৪,৯৬,০০০/- টাকা উদ্ধার।

Press - 1 (RAB-1) Pic (1) (1)

০২ নভেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ অনুমানিক ১৫৪০ ঘটিকায় র‌্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানীর ডেমরা থানাধীন ডগাই মধ্যপাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য ১) মোঃ শাহনেওয়াজ (২২), পিতা- মোঃ ইসমাঈল হোসেন, মাতা- মোছাঃ আছমা বেগম, সাং- ও পোঃ নয়াপাড়া, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার, ২) মোঃ মাসুদুর রহমান @ মাসুদ (৩৮), পিতা- মৃত মনুসর আলী, মাতা- মোছাঃ মাকসুদা খাতুন, সাং ও পোঃ ফুলবাড়িয়া, থানা- ফুলবাড়িয়া, জেলা- দিনাজপুর, বর্তমানে- সাং- কোনাপাড়া, থানা- ডেমরা, ডিএমপি, ঢাকা ও ৩) মোঃ টিটু (৪৩), পিতা- মৃত মকিত আলী, মাতা- মোছাঃ অজিফা বেগম, সাং ও পোঃ ছিরামকান্দি, থানা- টুঙ্গিপাড়া, জেলা- গোপালগঞ্জ’দেরকে গ্রেফতার করে। এসময় ধৃত আসামীদের নিকট হতে ২৪,৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ০২ টি মোবাইল ফোন ও ৪,৯৬,০০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় নদী পথে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে মিায়ানমার হতে ইয়াবার চালান নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ইয়াবার চালানগুলো প্রাইভেটকারে ঢাকাসহ সারাদেশে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট সরবরাহ করে। তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ফাঁকি দিতে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারগুলোতে বিভিন্ন গোপন প্রকোষ্ঠ তৈরী করে। এই চক্রের অন্যতম সদস্য রাজধানীর জনৈক মাদক ব্যবসায়ী। সে অবৈধভাবে ইয়াবার চালান দেশে নিয়ে এসে তার সহযোগী ধৃত আসামী শাহনেওয়াজ, মাসুদ ও টিটু এর মাধ্যমে মাদকের চালান ঢাকারসহ আশেপাশের এলাকায় নিয়ে এই সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের নিকট খুচরা ও পাইকারী মূল্যে বিক্রয় করে বলে জানায়।

ধৃত আসামী শাহনেওয়াজ’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে একজন চিংড়ি মাছ ব্যবসায়ী। পাশাপাশি এই মাদক কারবারি চক্রের অন্যতম সদস্য। এই চক্রের অনেকে বর্তমানে জেলে থাকায় সে নিজের নিয়ন্ত্রনাধীন নতুন সিন্ডিকেট তৈরী করে। তার বাড়ি কক্সবাজারের টেকনাফে হওয়ায় সে নদীপথে চোরাচালানের মাধ্যমে আগত ইয়াবার চালান নিজে সংগ্রহ করে তার সহযোগীদের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠায়। পরবর্তীতে ইয়াবার চালান ঢাকায় পৌঁছালে সে নিজে ঢাকাস্থ মাদক ব্যবসায়ীর নিকট চাহিয়া অনুযায়ী ইয়াবার চালান পৌছে দেয়। সে ইতিপূর্বে ৫০ টির অধিক ইয়াবার চালান ঢাকায় নিয়ে এসেছিল বলে জানায়। তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ি ও সূত্রাপুর থানায় একাধিক মাদক মামলা আছে এবং সে এসব মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করেছে বলে জানায়।

ধৃত আসামী মোঃ মাসুদুর রহমান @ মাসুদ’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে পেশায় একজন উবারের গাড়ি চালক। সে দীর্ঘদিন যাবৎ গাড়িতে যাত্রী পরিবহনের আড়ালে ঢাকার অভ্যন্তরীন রুটে মাদক পরিবহন করে আসছে। ধৃত আসামী শাহনেওয়াজের নির্দেশে সে ঢাকাস্থ মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট ইয়াবার চালান সরবরাহ করে থাকে। মাদক পরিবহনের জন্য সে চালান প্রতি ২০-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পেয়ে থাকে।

ধৃত আসামী মোঃ টিটু’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে পেশায় রিক্সাচালক। ধৃত আসামী মাসুদের মাধ্যমে প্রলোভনে পড়ে সে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত হয়। খুচরা মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট ইয়াবার ছোট চালান পৌছানোজর জন্য ধৃত আসামী মাসুদের কথামতো সে কাজ করে। তার কাজের জন্য সে চালানপ্রতি ১৫/২০ হাজার টাকা পেয়ে থাকে। সে ইতিপূর্বে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ১০/১২ টিরও বেশি মাদকের পরিবহনের কাজ করেছে বলে জানায়।

সাম্প্রতিক ভিডিও




র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

***জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন ।
***আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্প‍ুর্ন্ন গোপন রাখা হবে । ***বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান
***ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না ।
***যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া কিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহন করা হইতে বিরত ‍থাকা আবশ্যক ।