Home » News Room » র‌্যাবের অভিযানে গাজীপুর জেলার সদর থানাধীন সালনা এলাকা হতে একাধিক মামলার আসামী কুখ্যাত সন্ত্রাসী মোঃ আইয়ুব খান’কে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১।

র‌্যাবের অভিযানে গাজীপুর জেলার সদর থানাধীন সালনা এলাকা হতে একাধিক মামলার আসামী কুখ্যাত সন্ত্রাসী মোঃ আইয়ুব খান’কে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১।

১। ‘চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ সেøাগানকে মূলমন্ত্র হিসাবে হৃদয়ে ধারণ করে সাম্প্রতিক সময়ে র‌্যাবের ব্যাপক মাদক বিরোধী অভিযানের কারণে মাদকের সাথে সংশ্লিষ্ট পৃষ্টপোষক, মাদক ব্যাবসায়ী ও মাদক সেবীরা অনেকাংশেই কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। তদুপরি কতিপয় কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিয়ত অভিযানে দিশেহারা হয়ে নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করে মাদক ব্যবসা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তদুপুরি মাদক ব্যবসা রোধকল্পে র‌্যাব নিরলসভাবে প্রতিনিয়ত মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১৪ মার্চ ২০১৯ ইং তারিখ আনুমানিক ১০০৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকা এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, জিএমপি গাজীপুর সদর থানাধীন ২০ নং ওয়ার্ডস্থ মইশাল বাড়ি কাথোরা পশ্চিম পাড়া খান বাড়ি, সিরাজ খানের দুই তলা টিনশেড বিল্ডিং এর সামনে একাধিক মামলার আসামী কুখ্যাত সন্ত্রাসী মোঃ আইয়ুব খান অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে একাধিক মামলার আসামী কুখ্যাত সন্ত্রাসী মোঃ আইয়ুব খান (৩০), পিতা- মোঃ সিরাজ খান, মাতা- মৃত বকুল আক্তার, সাং- কাথোরা, পোঃ- সালনা বাজার, থানা- সদর, জিএমপি, গাজীপুর ’কে গ্রেফতার করে। এসময় ধৃত আসামীর নিকট হতে ১০৮৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০৩ টি মোবাইল ফোন, ০৪ টি সীমকার্ড ও মাদকদ্রব্য ইয়াবা বিক্রয়ের নগদ ৩,৫০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।

৩। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ আইয়ুব খান ২০০৯ সালে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএ পাশ করে। এরপর সে ২০১৫ সালে তার নিজ বাড়িতে মাছ চাষের ব্যবসা ও জমি জমা ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত দালালি শুরু করে। জমি-জমা সংক্রান্ত দালালির সূত্র ধরে পেশী শক্তি বাড়ানোর জন্য সে এলাকার সন্ত্রাসী গ্র“পের সাথে জড়িত হয়। তার সন্ত্রাসী গ্র“পের অন্যতম সহযোগী মনির খাঁ বেশ কিছুদিন আগে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয় বলে ধৃত আসামী জানায়। ২০১৭ সালের জুন মাসে ধৃত আসামী আইয়ুব অস্ত্র মামলায় জেলে যায় এবং সেখানে ইয়াবা ব্যবসায়ী জনৈক জাফর এর সাথে পরিচয় হয়। জাফরের নিকট সে ইয়াবা ব্যবসা করার ইচ্ছা পোষন করলে জাফর তাকে জনৈক ইয়াবা ব্যবসায়ী রতন এর ঠিকানা দেয়। ধৃত আসামী আইয়ুব ২০ মাস জেলে থাকার পর গত ০১ মার্চ ২০১৯ ইং তারিখে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী রতনের সহায়তায় ইয়াবা ব্যবসা শুরু করে। ধৃত আসামী নিজেও মাদকাসক্ত বলে স্বীকার করে। রতনের নিকট হতে ইয়াবার চালান সংগ্রহের জন্য আইয়ুব তার বাল্য বন্ধু সাইদুর কে পাঠায় এবং সেই চালান সে জহির ও আজিজুর এর মাধ্যমে খুচরা দরে বিক্রয় করে। সে এ পর্যন্ত একাধিক ইয়াবার চালান সংগ্রহ করছে বলে জানায়। জিজ্ঞসাবাদে আরো জানা যায যে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মার্ডার, গুরুতর জখম, বিষ্ফোরক আইনে মামলাসহ মোট ০৭ টি মামলা রয়েছে।
৩। উপরোক্ত বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সাম্প্রতিক ভিডিও




র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

***জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন ।
***আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্প‍ুর্ন্ন গোপন রাখা হবে । ***বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান
***ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না ।
***যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া বিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহন করা হইতে বিরত ‍থাকা আবশ্যক ।