Home » Uncategorized » ইন্টেলিজেন্স উইং

ইন্টেলিজেন্স উইং

র‌্যাব ফোর্স এর প্রতিষ্ঠালগ্ন হতেই “র‌্যাব ইন্টেলিজেন্স উইং” সাফল্যের সাথে তাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এই উইং মূলত ঘটনা ঘটার পূর্বে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট উপস্থাপন করে এবং কখনো কখনো অপরাধ সংগঠিত হওয়ার পরে ঘটনা পরবর্তী পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে গোপনে ও সুকৌশলে রহস্য উন্মোচন করে অপরাধ দমন ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরকধারী উগ্র জঙ্গী, চরমপন্থী, শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং জলদস্যুদের বিরুদ্ধে এ উইং এর এই কর্মতৎপরতা যথারীতি অব্যাহত রয়েছে। এ উইং এর ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ সারাদেশে তাদের গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করতঃ তা যাচাই-বাছাই করে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দূর্নীতি, চোরাচালান, মাদক, জঙ্গীবাদসহ যে কোন অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনা করছে। এ দেশের মানুষের ধর্মভীরুতার সুযোগ গ্রহণে সচেষ্ট জঙ্গী সংগঠনসমূহের অপতৎপরতা ও পরিকল্পনার তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে এনে ২০১৩ সালে দুইশত চৌদ্দ জন জঙ্গীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এ উইং এর ইনফরমেশন ও ইন্টারসেপশন ব্রাঞ্চ উন্নত প্রযুক্তির অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে র‌্যাবের সকল ব্যাটালিয়ন ও দেশের অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে প্রযুক্তিগত সহায়তা/তথ্য প্রদান করছে এবং র‌্যাবের সার্বিক আভিযানিক কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক সময়ের আতংক চরমপন্থীদের দমনেও এ উইং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০১৩ সালে কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, ও নওগাঁ জেলায় এ উইং এর সহযোগিতায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়। ফলে চরমপন্থী তৎপরতা বর্তমানে আইন-শৃংখলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ উইং এর ইন্টারোগেশন ব্রাঞ্চ ও অত্যন্ত দক্ষতার সাথে চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিভিন্ন আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে শীর্ষ অপরাধী, নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি, হিজবুত তাহরীর ও হুজি সদস্যদের গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্যাদি উদ্ধার করেছে যা জঙ্গীবাদ দমনে ব্যাপক সফলতা এনে দিয়েছে এবং দেশে-বিদেশে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছে। রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামসহ বিভিনড়ব বিভাগীয় শহরে হত্যা, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজীসহ নানা অপতৎপরতায় লিপ্ত একদা শীর্ষ সন্ত্রাসীরাও এ উইং এর গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। ২০১৩ সালে এ উইং এর সঠিক ও তড়িৎ পদক্ষেপে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্যও উম্মোচিত হয়েছে এবং হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন আইন-শৃংখলাবাহিনী ও র‌্যাবের বিভিন্ন ব্যাটালিয়নের সহায়তায় এ উইং এর রেকর্ড ও ডাটা ব্রাঞ্চ বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক তথ্য ভান্ডার তৈরী করেছে যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসীদের প্রোফাইল খুব সহজেই পর্যবেক্ষণ করে যেকোন আভিযানিক কার্যক্রমে তড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব। এ উইং এর এমন নিরলস কর্মতৎপরতার কারণে দেশের সার্বিক আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার পাশাপাশি দেশ ও সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে এবং সাথে সাথে র‌্যাবকে উন্নীত করেছে এক ঈর্ষনীয় সাফল্যের শিখরে। এ উইং এর সকল সদস্য কঠোর পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে তাদের অর্জিত সাফল্য ও সুনাম ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর।

র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

***জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন ।
***আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্প‍ুর্ন্ন গোপন রাখা হবে । ***বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান
***ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না ।
***যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া বিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহন করা হইতে বিরত ‍থাকা আবশ্যক ।

সাম্প্রতিক ভিডিও