Home » Uncategorized » ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড ফরেনসিক উইং

ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড ফরেনসিক উইং

I & F 2I & F 1

র‌্যাব ফোর্সেসের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড ফরেনসিক উইং এর কার্যক্রম শুরু হয়। তদন্ত অণুবিভাগ ও ফরেনসিক ল্যাব নিয়ে এ উইং গঠিত। এ উইং এর সাংগঠনিক কাঠামোয় সার্বিক কর্মকান্ড পরিচালকের নেতৃত্বে একজন উপ পরিচালকের তত্ত্বাবধানে ফরেনসিক ল্যাবের কার্যক্রম এবং একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে তদন্ত অণুবিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। তদন্ত অণুবিভাগের সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তা কর্তৃক স্পর্শকাতর ও জনগুরুত্ব সম্পন্ন মামলা তদন্ত ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড ফরেনসিক উইং’কে আরো গতিশীল করেছে। র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরের ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড ফরেনসিক উইং এ ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম ২০০৭ সাল থেকে শুরু হয়। আধুনিকীকরণের অংশ হিসেবে ২০১০ সালে এ ল্যাবে অত্যাধুনিক GCMS (Gas Chromatography Mas Spectrometry) ও ২০১৩ সালে HPLC (High Performance Liquid Chromatography) স্থাপন করা হয়েছে এবং UV-VIS (Ultra Violet-Visible Spectrophotometer) স্থাপন প্রক্রিয়াধীন। মাদক নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে GCMS ও HPLC এর ব্যবহার ল্যাব রিপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। ২০১১ সালে র‌্যাব সদর দপ্তরের ফরেনসিক ল্যাব রিপোর্ট আদালত কর্তৃক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করায় প্রতিনিয়ত বিজ্ঞ আদালত, বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং র‌্যাবের সকল ব্যাটালিয়ন থেকে পাঠানো নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

     I & F 6

তদন্ত অনুবিভাগঃ

•• ব্যাটালিয়ন কর্তৃক তদন্তের জন্য প্রস্তাবিত মামলাগুলোর তদন্তের অনুমতির জন্য পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় সাধন করা তদন্ত অণুবিভাগের অন্যতম প্রধান কাজ।

• র‌্যাব কর্তৃক দায়েরকৃত মামলাগুলোর এজাহার ও জব্দতালিকা সংরক্ষণ এবং পর্যালোচনা পূর্বক ত্রুটি বিচ্যুতি উল্লেখসহ সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নকে দিকনির্দেশনা দেয়াও এই অণুবিভাগের কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।

• র‌্যাবের সব ব্যাটালিয়নের তদন্তাধীন মামলার রহস্য উদঘাটন ও গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনের তদন্তকাজে তদন্ত অণুবিভাগ বিভিন্ন পরামর্শ সহায়তা দিয়ে থাকে।

•• চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর তদন্তে ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার লক্ষ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মামলার তদারককারী কর্মকর্তাগণকে মনিটরিং সেলের মিটিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন  দিকনির্দেশনা দিয়ে তদন্ত কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়ন করে তদন্ত অণুবিভাগ।

• তদন্ত অণুবিভাগ নিজস্ব ডাটাবেজে সংরক্ষিত তদন্তাধীন/বিচারাধীন মামলার বিবরণ ও ফলাফল থেকে পরিসংখ্যান তৈরী করে র‌্যাব সদর দপ্তরসহ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিনড়ব মিটিংয়ে উপস্থাপন করে থাকে।

I & F 4ফরেনসিক ল্যাবঃ

•• ফরেনসিক ল্যাবের তত্ত্বাবধানে র‌্যাবের সব ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এবং ক্যাম্পসমূহে ‘‘Field Testing Kit’’ সরবরাহ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে র‌্যাব সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে মাদকদ্রব্য পরীক্ষা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

• র‌্যাবের সব ব্যাটালিয়নসহ বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, মোবাইল কোর্ট, বিজিবি, কোস্টগার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকর্তৃক উদ্ধারকৃত/জব্দকৃত মাদকদ্রব্য/আলামত যথা-হেরোইন, মরফিন, কোডিন, গাঁজা, বিভিনড়ব প্রকার ড্রিংকস্, জুস অথবা পানীয়তে মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ঘাটন করে আইন প্রয়োগে প্রতিনিয়ত সহায়তা করে যাচ্ছে ফরেনসিক ল্যাব।

•• ২০১১ সাল থেকে অদ্যাবধি ফরেনসিক ল্যাব কর্তৃক ৮১৩টি নমুনা পরীক্ষাপূর্বক ফলাফল দেয়া হয়েছে।

• জালনোট ও ডকুমেন্ট, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফুটপ্রিন্ট, হ্যান্ডরাইটিং, ফটোগ্রাফি, ব্যালাস্টিক, DNA টেস্ট এবং মাইক্রএনালাইসিস বিভাগ শুরু করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

I & F 3I & F 5

র‌্যাব কর্তৃক প্রদত্ত পরামর্শ

***জমি জমা বা টাকা-পয়সা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোন সমস্যা র‌্যাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয় না ।
***কোন অভিযোগ করার পূর্বে আপনার এলাকার জন্য দায়িত্বপূর্ন র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্প সম্পর্কে জানুন ও যথাযথ র‌্যাব ব্যাটালিয়ন/ক্যাম্পে অভিযোগ করুন ।
***আপনার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে র‌্যাব কে তথ্য প্রদান করে র‌্যাবকে সহযোগীতা করুন । আপনার পরিচয় সম্প‍ুর্ন্ন গোপন রাখা হবে । ***বেশী করে গাছ লাগান অক্সিজেনের অভাব তাড়ান
***ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের আগুন নিয়ে খেলতে দিবেন না ।
***যাত্রা পথে অপরিচিত লোকের দেওয়া বিছু খাবেন না । ভ্রমণকালে সহযোগী বা অন্য কাহারো নিকট হইতে পান, বিড়ি, সিগারেট, চা বা অন্য কোন পানীয় খাওয়া/গ্রহন করা হইতে বিরত ‍থাকা আবশ্যক ।

সাম্প্রতিক ভিডিও